শৈবাল প্রতিকূল পরিবেশে কিভাবে বংশ বিস্তার করে | শৈবাল কিভাবে বংশ বিস্তার করে

শৈবাল প্রতিকূল পরিবেশে কিভাবে বংশ বিস্তার করে | শৈবাল কিভাবে বংশ বিস্তার করে

 শৈবাল প্রতিকূল পরিবেশে কিভাবে বংশ বিস্তার করে


শৈবাল বিভিন্ন উপায়ে বংশবৃদ্ধি করে থাকে । অগজ , অযৌন এবং যৌন এ তিনটি পদ্ধতিতেই শৈবাল জনন কার্য সম্পন্ন করে থাকে । তবে প্রতিকূল । পরিবেশে শৈবাল সাধারণত বিভিন্ন স্পাের সৃষ্টির মাধ্যমে বংশ বিস্তার । করে থাকে । স্পােরগুলাে সাধারণত অযৌন জনন পদ্ধতিতেই তৈরি হয়ে থাকে । নিচে শৈবালটি প্রতিকূল পরিবেশে কিভাবে বংশবৃদ্ধি করে তা বর্ণনা করা হলাে অ্যাপ্লানােম্পাের : শৈবালের স্পােরাঞ্জিয়ামের ভিতরে ফ্ল্যাজেলাবিহীন , নিশ্চল পাের উৎপন্ন হয় । প্রতিকূল পরিবেশে উৎপন্ন এসব অ্যাপ্লানােস্পাের অনুকূল পরিবেশে অঙ্কুরিত হয়ে নতুন শৈবাল সৃষ্টি করে । হিপনােশাের : অতিরিক্ত শুষ্কতার সময় অ্যাপ্লানােস্পাের অত্যন্ত পুরু প্রাচীর দ্বারা আবৃত হলে তাকে হিপােনােরে বলে । এগুলাে অনুকূল পরিবেশ পেলে অঙ্কুরিত হয়ে বংশবিস্তার করে । পামেলা দশা : প্রতিকূল পরিবেশে ( যেমন— অত্যন্ত শুষ্ক পরিবেশে ) কিছু কিছু শৈবাল মাতৃকোষের প্রােটোপ্লাস্ট বিভাজনের মাধ্যমে ফ্ল্যাজেলাবিহীন অপত্য কোষ সৃষ্টি করে । কোষগুলাে একটি সাধারণ মিউসিলেজের আবরণ দিয়ে আবৃত থাকে । ফ্ল্যাজেলাবিহীন অপত্য কোষসমূহের এরূপ অবস্থাকে পামেলা দশা বলে । অনুকূল পরিবেশ ফিরে পেলে কোষগুলাে পানির স্পর্শে মিউসিলেজের আবরণ গলে যায় ফলে ফ্ল্যাজেলা ধারণ করে এবং অঙ্কুরিত হয়ে নতুন শৈবালের জন্ম হয় ।



অ্যাকিনিটি : প্রতিকূল পরিবেশে কোনাে কোনাে শৈবালের দেহকোষ পুরু প্রাচীর দ্বারা আবৃত অবস্থায় প্রচুর খাদ্য সঞ্চয় করে বিশেষ রেণুতে পরিণত হয় যা অ্যাকিনিটি নামে পরিচিত । অনুকূল পরিবেশে অ্যাকিনিটির অঙ্কুরােদগম শুরু হয় এবং নতুন শৈবালের সৃষ্টি হয় । এছাড়া এন্ডােস্পাের , অক্সোম্পাের , হর্মোগােনিয়াম ইত্যাদি মাধ্যমেও প্রতিকূল পরিবেশে শৈবাল বংশ বৃদ্ধি করে থাকে ।

টাগ:শৈবাল প্রতিকূল পরিবেশে কিভাবে বংশ বিস্তার করে,শৈবাল কিভাবে বংশ বিস্তার করে

0/Post a Comment/Comments

Previous Post Next Post
chrome-extension://oilhmgfpengfpkkliokdbjjhiikehfoo/img/semstorm-32.png