দণ্ডিতের সাথে দণ্ডদাতা কাদে যবে সমান আঘাতে সর্বশ্রেষ্ঠ সে বিচার ভাবসম্প্রসারণ | দণ্ডিতের সাথে দণ্ডদাতা ভাবসম্প্রসারণ

দণ্ডিতের সাথে দণ্ডদাতা কাদে যবে সমান আঘাতে সর্বশ্রেষ্ঠ সে বিচার ভাবসম্প্রসারণ | দণ্ডিতের সাথে দণ্ডদাতা ভাবসম্প্রসারণ

দণ্ডিতের সাথে  দণ্ডদাতা কাদে যবে সমান আঘাতে  সর্বশ্রেষ্ঠ সে বিচার ভাবসম্প্রসারণ | দণ্ডিতের সাথে  দণ্ডদাতা ভাবসম্প্রসারণ

 দণ্ডিতের সাথে 
দণ্ডদাতা কাদে যবে সমান আঘাতে
 সর্বশ্রেষ্ঠ সে বিচার 

ভাব - সম্প্রসারণ : অপরাধী ও বিচারক দুজনই মানুষ । তাই অপরাধীকে অন্যায় থেকে মুক্ত না করে শাস্তি দিয়ে বিচারক মনে মনে কষ্ট পান । অপরাধীকে শাস্তি বা দণ্ড প্রদান বিচারের লক্ষ্য এবং বিচারকের কর্ম । এ শাস্তি প্রদান মূলত অপরাধ দমনের জন্য । দণ্ড বা শাস্তি ছাড়া অপরাধীর অপরাধ প্রবণতা কমাতে পারে না । তবে সে দণ্ড অর্থহীন , যদি না অপরাধীর প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে তার মধ্যে অন্যায়ের প্রতি ঘৃণাবােধ জন্মাননা না যায় । পাপকে ঘৃণা করা উচিত । কিন্তু পাপীর প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে পাপকার্য থেকে তাকে বিরত থাকবার চেষ্টা করতে হবে । দণ্ডভয়ে অন্যায়কারী দূরে থাকে ঠিকই কিন্তু তার মানসিকতার পরিবর্তন হয় না । তাই তার মানসিকতার পরিবর্তনের প্রয়ােজন । তখনই সম্ভব যখন তার অন্যায় কর্মের পশ্চাতে যে কারণ বিদ্যমান , সে কারণ অপসারিত করা যায় । হাজী মুহম্মদ মুহসীনের ঘরে যে চোর ঢুকেছিল , তিনি তাকে শাস্তি দেননি ; বরং চুরি যাতে না করে তার ব্যবস্থা করেছিলেন । তার সহানুভূতি প্রদর্শনের জন্য চোর ঝরঝর করে কেঁদে পুনরায় চুরি না করার শপথ করেছিল । দরদ ও মমতা দিয়ে যদি অন্যায়কারীর বিবেক জাগানাে যায় ; তবে তার পরিবর্তন হয় । সে ভালাে মানুষ হয়ে ওঠে । মানবিক সম্পর্কের মধ্যে অন্যায়কারীকে বিবেচনা করলে সামাজিক অপরাধ কমে আসবে । হ্রাস পাবে অন্যায়কারীদের সংখ্যা । তাই প্রতিশােধ গ্রহণ দণ্ডদানের লক্ষ্য হওয়া উচিত নয় । অপরাধীকে শাস্তি না দিয়ে তার ভিতরে মানবিক মূল্যবোেধ জাগিয়ে তােলা সমাজ ও জাতির কর্তব্য ।

টাগ: দণ্ডিতের সাথে  দণ্ডদাতা কাদে যবে সমান আঘাতে  সর্বশ্রেষ্ঠ সে বিচার ভাবসম্প্রসারণ, দণ্ডিতের সাথে  দণ্ডদাতা ভাবসম্প্রসারণ 

0/Post a Comment/Comments

Previous Post Next Post
আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন
chrome-extension://oilhmgfpengfpkkliokdbjjhiikehfoo/img/semstorm-32.png