প্রপোজ করার নিয়ম | প্রপোজ করার রোমান্টিক নিয়ম
প্রপোজ করার নিয়ম
প্রথম প্রপোজ করার নিয়ম
একটা মেয়েকে প্রেমে রাজী করার ১০০-৯৯= ১ টি একটি উপায়:
প্রথম দিন:
ছেলে: মেয়ে আমি তোমাকে ভালোবাসি, প্লিজ লাভ মি। তুমি ভালো না বাসলে আমি মরে যাবো।
মেয়ে: সরি ভাইয়া, আমার পক্ষে সম্ভবনা। আমি এনগেজড।
দ্বিতীয় দিন:
ছেলে: মেয়ে আমি তোমাকে ভালোবাসি, প্লিজ লাভ মি।তুমি ভালো না বাসলে আমি মরে যাবো।
মেয়ে: যা মর!
তৃতীয় দিন:
ছেলে: মেয়ে আমি তোমাকে ভালোবাসি, প্লিজ লাভ মি। তুমি ভালো না বাসলে আমি মরে যাবো।
মেয়ে: দুরে গিয়া মর! ফাউল কুনহানকার!
চতুর্থ দিন:
ছেলে: মেয়ে আমি তোমাকে ভালোবাসি, প্লিজ লাভ মি। তুমি ভালো না বাসলে আমি মরে যাবো।
মেয়ে: ভাগলি? নাকি পুলিশ ডাকবো?
পঞ্চম দিন:
ছেলে: মেয়ে আমি তোমাকে ভালোবাসি, প্লিজ লাভ মি।তুমি ভালো না বাসলে আমি মরে যাবো।
মেয়ে: প্রব্লেমটা কি? যাস না কেন?
ষষ্ঠ দিন:
ছেলে: মেয়ে আমি তোমাকে ভালোবাসি, প্লিজ লাভ মি। তুমি ভালো না বাসলে আমি মরে যাবো।
মেয়ে:ওরে খোদা তুমি আমারে উঠায়া নাও নাইলে এই পোলার হাত থাইকা বাঁচাও। এই তুই যা তোর দোহাই লাগে।
সপ্তম দিন:
ছেলে: মেয়ে আমি তোমাকে ভালোবাসি, প্লিজ লাভ মি। তুমি ভালো না বাসলে আমি মরে যাবো।
মেয়ে: ইয়া মাবুদ! এই তুই কি? তুই খি খাস? তুই কি মানুষ? তুই কোন গ্রহের প্রাণী?
অষ্টম দিন:
ছেলে: মেয়ে আমি তোমাকে ভালোবাসি, প্লিজ লাভ মি। তুমি ভালো না বাসলে আমি মরে যাবো।
মেয়ে:এনাফ! আর একবার যদি কইছিস তাইলে তোরে আমি মাইরা ফালামু। চুপ, একদম চুপ!
নবম দিন:
ছেলে: মেয়ে আমি তোমাকে ভালোবাসি, প্লিজ লাভ মি। তুমি ভালো না বাসলে আমি মরে যাবো।
মেয়ে: ও খোদা এ তোমার কেমন লীলা খেলা? ও খোদা এ তুমি আমাকে কিসের পরীক্ষায় ফেলতোছো? ও খোদা তুমি কি আছো, নাকি নাই?এটারে নিয়ে যাওনা কেন?
দশম দিন:
ছেলে: মেয়ে আমি তোমাকে ভালোবাসি, প্লিজ লাভ মি। তুমি ভালো না বাসলে আমি মরে যাবো।
মেয়ে: আচ্ছা আচ্ছা ঠিক আছে, আই লাভ য়্যূ ঠু.... নে আমিও তোরে ভালোবাসলাম, তবু তুই থাম!
প্রপোজ করার রোমান্টিক নিয়ম
প্রেম এর ক্ষেত্রে যেটা সবচাইতে বড় সেটা হল প্রপোজ করা। অনেকে ভেবে পান না যে কিভাবে প্রপোজ করবেন। আসলে প্রেম হবে কি না তা অনেকটা নির্ভর করে প্রপোজ করার ওপর। ভাল মত প্রপোজ করতে পারলে অনেক ক্ষেত্রে প্রেম হয়ে যায়। আজ আমি আপনাদের কয়েকটা প্রপোজ করার কৌশল শিখিয়ে দিচ্ছি। হয়তবা valo লাগবে।
মেয়েটার সামনে গিয়ে বলতে পারেন “ কিভাবে ভাল লাগার কথা বলতে হয় তা আমি জানি না। একটা বিদেশি সিনামার akta অংশ দিয়ে বলছি-
মেয়েটি ছেলেটিকে বলল, তুমি যে আমাকে ভালবাস তোমার যোগ্যতা কি? ছেলেটার কোন যোগ্যতাই ছিল না মেয়েটিকে ভালবাসার জন্য। সে শুধু একটা কাজ ই পারত, একটা দেয়ালের সামনে গিয়ে মাথা পায়ের কাছে আর পা মাথার কাছে নিয়ে দাড়িয়ে থাকতে। সে তাই করলো। মেয়েটা তখন খিল খিল করে হেসে উঠলো। ছেলেটা তখন ম্লান গলায় বলল এই যোগ্যতায় কী ভালোবাসা যায়। ঠীক তেমনি তোমাকে ভালবাসার কোন যোগ্যতাই আমার নেই শুধু একটি ছাড়া। আমি তোমার জন্য আমার জীবনটাও বিসর্জন দিতে পারি। এই যোগ্যতায় কি তুমি আর আমি দুই জনে এক সুতায় বাধা যায়।“
মেয়েটিকে বলতে পারেন “ আচ্ছা যদি তোমার সাথে আলাদীনের আশ্চরয প্রদীপের জিন এর দেখা হয় আর জিন যদি তোমার ৩ টা ইছ্ছা পূরণ করার কথা বলে তবে তুমি তার কাছে কী চাইবা। সে যেকোনো একটা উত্তর দিবে তখন আপনি বলবেন যদি আমার সাথে দেখা হত তবে আমি বলতাম তোমাকে চাই। দ্বিতীয় বারও বলতাম তোমাকে চাই। আর তৃতীয় বার বলতাম তুমি যেন সবসময় ভালো থাকো ।
সরসরি বলতে না পারলে একটু চালাকি করে এভাবে বলতে পারেন- “আমি তোমাকে দেখলেই সবকিছু হারিয়ে ফেলি। তবুও বলছি, আচ্ছা আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের দ্বিতীয় লাইনটা যেন কি? মেয়েটা বলবে – কেন, আমি তোমায় ভালবাসি। আসলে এই কথাটাই তোমাকে অনেকবার বলতে চেয়েছি কিন্তু পারি নি। হয়ত তোমাকে অনেক বেশি ভালবেসে ফেলেছি। তোমাকে ছেড়ে আর কিছুই ভাবতে পারি না। বল এখন আমি কি করব?’’
আর সব চাইতে ভাল হয় যদি কোন বিশেষ দিনে একটা বড় টকটকে লাল গোলাপ নিয়ে গিয়ে প্রপোজ করেন। তবে অবশ্যই প্রপোজ করতে হবে খুব কোমল কণ্ঠে যেটা শুনলেই মনে হয় একটা নিষ্পাপ মানুষ। কখনই ভাব নিতে যাবেন না। তাইলে কিন্তু হবে না। বিশেষ দিনটা হতে পারে তার জন্মদিন অথবা Valentine Day অথবা যে কোন বিশেষ দিন। তবে দেইখেন তার মন- মেজাজ যেন ফুরফুরা থাকে নইলে কিন্তু ঠাস-ঠাস থাপ্পরও খাইতে পারেন।
আসলে মেয়েদের পটানোর মুল মন্ত্র হল ভাং মারা মানে চাপা মারা। দেখতে যত খারাপ ই হোক না কেন অবশ্যই আপনাকে তার প্রশংসা করতে হবে। যে যত প্রশংসা করতে পারবে সে তত মেয়ে পটাইতে পারবে। আবার কইয়েন না যে, তুমি খুব সুন্দর। তোমার চেহারা ডানাকাটা একদম ক্যাটরিনা। যা চুল ..................। এইসব খ্যাত সাইজের কথা বললে প্রেম তো দুরের কথা হাতের থাপ্পর ও
জুটবে না খাইতে হবে জুতার বারি। অবশ্যই প্রশংসা করতে হবে তবে একটু আলাদা ভাবে যা সবাই বলে না। কথা বলতে হবে একটু রহস্য করে, একটু কাব্যিক ভাবে।
আর একটি কাজ করতে পারেন, কোন বিশেষ দিনে রোমান্টিক কিছু বই গিফট করতে পারেন। আর বইয়ের ২/৩ নং পেজে কোন ছোট্ট কবিতার মাধ্যমে আপনার মনের কথা বলে দিতে পারেন। আবার বাজারের অশ্লীল রোমান্টিক বই দিয়েন না। রবীন্দ্রনাথ এর বই যেমন ‘শেষের কবিতা’, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রমথ চৌধুরী প্রভৃতি লেখকের বই দিতে পারেন। যেগুলো পড়লে সে নিজেকেই সেই গল্পের নায়িকা ভাবতে থাকে আর নায়ক খুজতে থাকে। তখন সে একটু হলেও আপনার প্রতি দুর্বল হয়ে পরবে। পরিশেষে একটা কথা বলি, অপরিচিত, অজানা কাউকে হুট-হাট কইরা প্রপোজ কইরা নিজের Personality নষ্ট কইরেন না। প্রপোজ করার আগে দেইখা নিয়েন যাকে প্রপোজ করবেন সে আপনার প্রতি কতটুকু Interested, প্রপোজ করলে হ্যাঁ-বোধক উত্তর পাওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা।থাকলে কতটুকু।
আসলে পরিস্থিতি বুঝে আপনাকে এগুতে হবে, এজন্য নিজের বুদ্ধি খাটানোটা বড় ব্যাপার। বুদ্ধি না থাকলে আর যাই সম্ভভ হোক প্রেম সম্ভভ না।আমি জানি আপনাদের সেটা আছে। So চুটাইয়া প্রেম করেন। আর আমার জন্য দোয়া কইরেন। আল্লাহ হাফেজ।
[বিঃদ্রঃ প্রেম করা যাদের পেশা তাদের জন্য আমার এই লেখা নয়। প্রেম একটা মহৎ জিনিস, তাই প্রেম নিয়া কেউ ব্যবসা করবেন না।]
পছন্দের মানুষকে প্রপোজ করার নিয়ম
Tag:প্রপোজ করার নিয়ম,প্রথম প্রপোজ করার নিয়ম,প্রপোজ করার রোমান্টিক নিয়ম,পছন্দের মানুষকে প্রপোজ করার নিয়ম