টাকা ধারের চুক্তিপত্র লেখার নিয়ম pdf | টাকা ধারের চুক্তিপত্র নমুনা

টাকা ধারের চুক্তিপত্র লেখার নিয়ম pdf | টাকা ধারের চুক্তিপত্র নমুনা

 

টাকা ধারের চুক্তিপত্র, টাকা ধারের চুক্তিপত্র নমুনা, টাকা ধারের চুক্তিপত্র লেখার নিয়ম, টাকা ধারের চুক্তিপত্র লেখার নিয়ম pdf , টাকা ধারের চুক্তিপত্র ফরমেট


    টাকা ধারের চুক্তিপত্র

    প্রিয় পাঠকবৃন্দ টাইম অফ বিডির পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই শুভেচ্ছা ও সালাম আসসালামু আলাইকুম। আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আপনারা অনেকেই হয়তো খুঁজছেন টাকা ধারের চুক্তিপত্র পিডিএফ গুলো।আর তাই আজকে আমরা আমাদের পোস্টটি আপনাদের জন্য হাজির করেছি। আজকে আমাদের এই পোস্টে যা যা থাকছে সেগুলো হলোটাকা ধারের চুক্তিপত্র, টাকা ধারের চুক্তিপত্র নমুনা, টাকা ধারের চুক্তিপত্র লেখার নিয়ম, টাকা ধারের চুক্তিপত্র লেখার নিয়ম pdf , টাকা ধারের চুক্তিপত্র ফরমেট । আশা করি পুরো পোস্টটি আপনারা ধৈর্য্য সহকারে পড়বেন এবং সঠিক তথ্যটি পাবেন।

    টাকা ধারের চুক্তিপত্র নমুনা

    পাঠকবৃন্দ আপনারা হয়তো বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া সোশ্যাল মিডিয়ায় টাকা ধারের চুক্তিপত্র নমুনা খুঁজছেন কিন্তু অনেকে হয়তো সঠিক তথ্যটা পাচ্ছেন না তাই আজকে আমরা আমাদের পোষ্ট টি তৈরি করেছি টাকা ধারের চুক্তিপত্র নমুনা নিয়ে।

    বেলাল খুব ভাল বন্ধু। দুইজনের সম্পর্ক দেখে অনেকে ঈর্ষা করে। একবার বেলালের ব্যবসায়িক প্রয়োজনে কয়েক লাখ টাকার প্রয়োজন পড়ে। বন্ধুর বিপদে হাসান এগিয়ে আসে। হাসান রফিককে তিন মাস পরে ফেরত দেওয়ার প্রয়োজনে ৩ লাখ টাকা ধার দেয়। 

    তিন মাস গেল টাকা দেওয়ার কোন খবর নাই। হাসান ভাবল বেলাল হয়ত খুব ব্যস্ত। আও তিন মাস গেল বেলার কোন খবর নাই। এবার হাসান বেলালকে টাকার কথা জিজ্ঞেস করলে বেলাল বলে কিছু দিনের মধ্যেই দিয়ে দিবে। এভাবে কেটে যায় আরো কিছু মাস। তিনি টাকা পরিশোধ করেননি। হসান সাহেব বন্ধুকে বিশ্বাস করে ধার দিয়েছিলেন। কিন্তু বেলাল সাহেব বিশ্বাস ভঙ্গ করেছেন। এ নিয়ে দুজনের সঙ্গে মনোমালিন্য।

    মৌখিক কোন কিছু না হওয়াতে কিছুদিন অতিবাহিত হওয়ার পর হাসান সাহেব আদালতে বেলাল সাহেবের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগে মামলা করেন। বন্ধুকে টাকা ধার দেওয়ার সময় কোনো সাক্ষী উপস্থিত ছিলেন না। টাকা ধার নেওয়ার কোনো লিখিত দলিলও নেই। আর এ কারণে দীর্ঘদিন আদালতে ঘুরেও করিম সাহেব মামলায় জিততে পারেননি। রহিম সাহেবকে আদালত বেকসুর খালাস দেন।

    আমাদের দেশে এ রকম অনেক লোকই এরকম নানাভাবে প্রতারিত হচ্ছেন। লেনদেনের লিখিত চুক্তি বা দলিল থাকলে এভাবে কাউকে প্রতারিত হতে হয় না। টাকা-পয়সা লেনদেন করলে বা বাকিতে মাল বিক্রি করলে তা লিখিত দলিলে হওয়া উচিত।

    চুক্তিপত্র না করা লাগলেও কমবেশি সবাই জানি চুক্তিপত্র জিনিসটা আসলে কি। নানা কাজে আমাদেরকে অন্যের সাথে নানাবিধ শর্তাবলী মেনে আমাদেরকে আমাদের ব্যবসায়িক বা ব্যক্তিগত কার্যক্রম সম্পাদন করতে হয়। এ সব শর্তাবলীর লিখিত রুপই হল চুক্তিপত্র।

     টাকা ধারের চুক্তিপত্র লেখার নিয়ম

    টাকা ধারের চুক্তিপত্র লেখার নিয়ম

    ত্রুটিপূর্ণ যে কোন কিছুই ক্ষতিকর। তাই চুক্তিপত্র সম্পাদনের সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যেন চুক্তিপত্রে কোন ত্রুটি বা অপূর্ণতা না থাকে। একদম ছোট ছোট বিষয়গুলোও চুক্তিপত্রে উল্লেখ করতে হবে। 

    আপনার ব্যবসা বা ব্যক্তিগত কোন কাজ ছোট কিংবা বড় হোক যার বা যাদের সাথে চুক্তি করবেন চুক্তিতে কার কী রকম দায়দায়িত্ব, তা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। কোনোভাবেই ফাঁকফোকর রাখা যাবে না। ফাঁকফোকর থাকলে ভবিষ্যতে বড় রকমের জটিলতায় পড়তে পারেন।

    প্রথমত, চুক্তিতে যেসকল পক্ষ অংশগ্রহণ করবে সে সব পক্ষের নাম ঠিকানা স্পষ্ট করতে উল্লেখ করতে হবে। আর যদি কোন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান হয় সে ক্ষেত্রে ঐ প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে। 

    যাদের সাথে চুক্তি করছেন, ঐ চুক্তি অনুসারে কার কতটুকু অংশ বা ভূমিকা থাকবে, কোন বিষয় নিয়ে কিংবা কাজ নিয়ে চুক্তি হচ্ছে ঐ সকল বিষয় উল্লেখপূর্বক চুক্তির শুরুর তারিখ থাকতে হবে। আর যদি চুক্তি নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে কবে চুক্তি শুরু হচ্ছে আর কবে চুক্তি শেষ হচ্ছে তার তারিখ উল্লেখ করে দিতে হবে। 

    অংশিদার ভিত্তিতে পূঁজি খাটালে চুক্তিতে পুঁজি কত , কে কত অংশ দিয়েছে, কিভাবে লভ্যাংশ আদায় হবে, ব্যবসার ব্যবস্থাপনা কেমন হবে প্রভৃতি বিষয় অবশ্যই থাকতে হবে। কোন কারনে সমস্যা দেখা দিলে সে সমস্যা কিভাবে নিষ্পত্তি করা হবে সেটিও চুক্তিতে উল্লেখ করে দিতে হবে। বিশেষ করে বিরোধ হলে আলোচনা কিংবা সালিসের মাধ্যমে তা নিষ্পত্তি করার সুযোগ থাকবে কি না, তার উল্লেখ অবশ্যই থাকা দরকার।

    বর্তমানে সব ক্ষেত্রেই মীমাংসার মাধ্যমে যেকোনো বিরোধ নিষ্পত্তিকে উৎসাহিত করা হয়। তাই চুক্তিপত্রের একটি অনুচ্ছেদে এ-সংক্রান্ত শর্ত রাখা জরুরি। চুক্তিনামায় সালিস আইন ২০০১-এর মাধ্যমে নিষ্পত্তির বিধানটি রাখা যেতে পারে।

    যারা যারা চুক্তিতে আবদ্ধ হচ্ছেন চুক্তির শেষে সেই সব পক্ষের স্বাক্ষর ও স্বাক্ষীদের স্বাক্ষর নিতে হবে। চুক্তি করার সময় নাবালক, পাগল, দেউলিয়া ব্যক্তি, সরকারি কর্মচারী, রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী, বিদেশি রাষ্ট্রদূত, বিদেশি শত্রু ও দেশদ্রোহী ব্যক্তির সঙ্গে কোনো চুক্তি করা যাবে না।

    অনলাইন ঘেটে একটা চুক্তিপত্র কি রকম হতে পারে সেটি হুবহু তুলে ধরছি। তবে আপনি আপনার প্রয়োজন অনুসারে চুক্তিপত্র সম্পাদন করবেন। প্রয়োজনে কোন উকিলের পরামর্শ নিতে পারেন। 

     টাকা ধারের চুক্তিপত্র লেখার নিয়ম pdf 

    ব্যবসা, লেনদেন, অঙ্গীকার অথবা অন্যান্য নানা প্রয়োজনে চুক্তি সম্পাদন করা লাগতে পারে। বাড়ি বা ফ্ল্যাট ভাড়া কিংবা বাড়ি বা ফ্ল্যাট কেনা-বেচার সময় চুক্তি করা প্রয়োজন পড়তে পারে । দোকান ক্রয়-বিক্রয় বা ভাড়ার সময় চুক্তিপত্রের দরকার পড়তে পারে। প্রিয় পাঠকবৃন্দ আপনারা হয়তো বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় টাকা ধারের চুক্তিপত্র লেখার নিয়ম এর পিডিএফ খুঁজছেন।আর তাই আমরা আমাদের পোস্টে টাকা ধারের চুক্তিপত্র লেখার নিয়ম এর পিডিএফ টি  দিয়ে দিলাম। আপনারা ডাউনলোড দা পিডিএফ লিংক এর উপর ক্লিক করেই পিডিএফ টি ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

    Download the pdf link

    টাকা ধারের চুক্তিপত্র ফরমেট 

    অংশীদারী চুক্তিপত্র দলিল

    অত্র চুক্তি নামা দলিল অদ্য ১০/০৪/২০১৩ ইং তারিখে নিম্ন লিখিত পক্ষদ্বয়ের মধ্যে সম্পাদিত হইল।মোঃ সামসুল আলম, জন্মতারিখ-০১/০৫/১৯৬৮ ইং,

    পিতা-মৃত মোঃ সুলতান মিয়া, মাতা-সুফিয়া বেগম,

    ঠিকানাঃ-২৩/৬, এভিনিউ-৫, ব্লক-সি, থানা-পল্লবী, মিরপুর-১১, ঢাকা,

    জাতীয়তা-বাংলাদেশী, ধর্ম-ইসলাম, পেশা-ব্যবসা।—— ১ম পক্ষ।

    রতন কুন্ডু,

    পিতা-মৃত কানাই লাল কুন্ডু, সাকিন-৩৬ যুগীনগর লেন, ওয়ারী, থানা-সূত্রাপুর, জেলা-ঢাকা, জাতীয়তা-বাংলাদেশী, ধর্ম-সনাতন, পেশা-ব্যবসা।—— ২য় পক্ষ।

    পরম করুণাময় মহান আল্লাহ তায়ালার নাম স্মরণ করিয়া অত্র অংশীদারী চুক্তিপত্র দলিলের আইনানুগ বয়ান আরম্ভ করিতেছি। যেহেতু আমরা সকল পক্ষগণ পরস্পর পরস্পরকে দীর্ঘ দিন যাবত চিনি ও জানি। এমতাবস্থায় আমরা সকল পক্ষগণ একত্রে ব্যবসা পরিচালনা করার ইচ্ছা প্রকাশ করায় আমরা উপরোক্ত পক্ষদ্বয় একমত হইয়া আলাপ আলোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ জটিলতা নিরসনকল্পে অদ্য হাজিরান মজলিশে স্বাক্ষীগণের মোকাবেলায় এই মর্মে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে নিম্ন লিখিত শর্তাবলীর উপর আস্থা রাখিয়া ভবিষ্যৎ জটিলতা নিরসনকল্পে আমরা ১ম ও ২য় পক্ষদ্বয় অত্র ব্যবসায়িক চুক্তিপত্র দলিলে আবদ্ধ হইলাম।শর্তাবলীঃ-

    ১। নিটিং অয়েল, কাটিং অয়েল, গ্রীজ ব্যবহৃত মোবিল প্রক্রিয়াজাত করণ মেসার্স ডেল্টা লুব্রিকেটিং এন্ড কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ, প্লট নং-বি-৫১, ঢাকা শিল্প ইন্ডাষ্ট্রিজ নগরী, বিসিক, কেরাণীগঞ্জে বিদ্যমান শিল্পটি যৌথভাবে পরিচালিত হইবে।২। অত্র দলিল সহি সম্পাদনার তারিখ হইতে অত্র অংশীদারী ব্যবসার মেয়াদ শুরু হইবে এবং আইনানুগ রুপে অবসান না হওয়া পর্যন্ত অত্র ব্যবসা চলিবে।৩। ব্যবসার মূল অফিস ঢাকা শহরের অবস্থিত থাকিবে, যাহার ঠিকানাঃ-১০২ দয়াগঞ্জ, সূত্রাপুর, জেলা-ঢাকা এবং অন্যান্য স্থানে উভয় পক্ষের লিখিত অনুমোদন লইয়া শাখা অফিস খোলা যাইবে।৪। (ক) ব্যবসার অংশীদারগণের পুঁজি ১০,০০,০০০/- (দশ লক্ষ) টাকা তন্মধ্যে ১ম পক্ষ ৬০% এবং ২য় পক্ষ ৪০% ভাগে বিয়োগ করিবে এবং অংশীদারদের মালিকানার অংশ ১ম পক্ষ ৬০% এবং ২য় পক্ষ ৪০% ভাগে থাকিবে।

    (খ) ব্যবসার এককালীন পুঁজি ছাড়াও যে কোন সময় ব্যবসার উন্নতির জন্য পুঁজির পরিমাণ হ্রাস বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।

    ৫। আর অংশীদারী ব্যবসার লাভ ক্ষতির অংশ ১ম পক্ষ ৬০% এবং ২য় পক্ষ ৪০% ভাগে বন্টন করা হইবে।৬। প্রত্যেক (১) মাসে অন্তর অন্তর অত্র ব্যবসার লাভ ক্ষতির হিসাব প্রস্তুুত করা হইবে অংশ ১ম পক্ষ ৬০% এবং ২য় পক্ষ ৪০% ভাগে হিস্যা পক্ষগণের উপর ন্যস্ত হইবে তবে প্রতি মাসে লাভের শতকরা অংশ ১ম পক্ষ ৬০% এবং ২য় পক্ষ ৪০% ভাগে অত্র ব্যবসা রির্জাভ ফান্ডে জমা থাকিবে।৭। আনুপাতিক ভিত্তিতে উভয় পক্ষ ব্যবসা সংক্রান্ত দায়দায়িত্ব পালন করিবে, তবে উভয় পক্ষের সর্বসম্মতিক্রমে জনাব মোঃ সামসুল আলম ব্যবস্থাপনা অংশীদার হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন। তিনি সভায় সভাপতিত্ত্ব করবেন এবং তাঁর স্বাক্ষরে ব্যাংক বিসিকসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে চিঠিপত্র এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজে ব্যবস্থাপনা অংশীদার জনাব মোঃ সামসুল আলমকে বিসিক ঢাকা (কেরাণীগঞ্জ) শিল্প নগরীতে প্লট ক্রয় বিক্রয়ের সর্বময় ক্ষমতা দেয়া হলো এবং তাকে দলিল সম্পাদনের ক্ষমতা দেয়া হইল।৮। এই চুক্তিনামায় যে কোন পরিবর্তন, পরিবর্ধন করিবার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে উভয় পক্ষের সর্বসম্মতিক্রমে উহা সম্পন্ন হইবে।৯। কেবলমাত্র উভয় পক্ষের সম্মতিতে এই চুক্তিনামা বাতিল বা ব্যবসা বন্ধ ঘোষনা করা যাইবে।

    ১০। ব্যবসা চলাকালিন সময়ে আল্লাহ না করুন যদি কোন পক্ষের কেউ মৃত্যুবরন করেন তাহা হইলে মৃত্যুব্যক্তির উত্তরাধিকারীগণ মৃত্যুবরনকারী অংশীদারের অংশ ভোগ করিবেন এবং ঐ অংশের অংশীদার হিসাবে গন্য হইবেন ও সকল প্রকার দায়দায়িত্ব পালন করিবেন।১১। উভয়পক্ষের কেহ যদি ব্যবসা চলাকালীন সময়ে কোন কারণে স্ব-ইচ্ছায় অবসর নিতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন তবে তাহাকে অন্ততপক্ষে তিন মাস পূর্বে অপর পক্ষকে নোটিশ প্রদান করিতে হইবে।কোন পক্ষ যদি তাহার নিজ অংশ হস্তান্তর করিতে চাহেন তবে অবশ্যই নিজেদের মধ্যে আলোচনা করিয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতে হইবে, এক পক্ষ ক্রয় করিতে না চাহিলে সমঝোতার ভিত্তিতে বাহিরের কারো কাছে বিক্রয় করিতে পারিবেন।১২। যদি কোন কারণে ব্যবসায়িক বিষয় লইয়া উভয় পক্ষের মধ্যে কোন মতবিরোধের সৃষ্টি হয় তাহা হইলে বিরোধীয় পরস্পর আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে মিটমাট করিবেন অথবা উভয় পক্ষের নির্ধারিত/নির্বাহিত একজন এবং উভয় পক্ষের সমন্বয়ে শালিস পরিষদ গঠন করিয়া উক্ত শালিস পরিষদের মাধ্যমে বিষয়টি মিটমাট করিবেন।১৩। অত্র চুক্তির কার্যকারীতা শুধুমাত্র উল্লেখিত ব্যবসায় ক্ষেত্রে কার্যকরী হইবে।

    এতদ্বার্থে স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে ,সুস্থ শরীরে অন্যের বিনা প্ররোচনায় আমার উল্লেখিত পক্ষগন নিম্মে উল্লেখিত স্বাক্ষীগণের সম্মুখে নিজ নিজ স্বাক্ষর করিয়া অত্র অংশীদারী দলিল সম্পাদন করিলাম ।অত্র দলিল কম্পোজকৃত এবং স্বাক্ষী ( ৩ ) জন বটে।স্বাক্ষীগণের স্বাক্ষর ও ঠিকানাঃ-

    ১।

    ২।

    ৩।

    ১ম পক্ষের স্বাক্ষর২।

    ২য় পক্ষের স্বাক্ষরমুসাবিদাকারক( হাসিব)

    এস, অফিস গুলশান, ঢাকা।

    সনদ নং-১২**

    যেভাবে সম্পাদিত হবে বা কত টাকার স্ট্যাম্প ব্যবহার করতে হয়

    সাধারণত আমাদের দেশে কেউ কারো সাথে কোন চুক্তিপত্র/দলিল করতে গিয়ে ইচ্ছে মাফিক ৫০, ১০০, বা ১৫০ টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তিপত্র/দলিল তৈরি করে থাকে। আসলে কিন্ত এটি সঠিক নয়। সাধারণত চুক্তিপত্র করতে হয় ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে। তবে ক্ষেত্রবিশেষে এর ব্যতিক্রম হতে পারে। যেমন

    অংশীদারি ব্যবসায়িক চুক্তিপত্র করতে হয় ২ হাজার টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে। ব্যবসার মূলধন ৫০ হাজার টাকার নিচে হলে ১ হাজার টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তি করলেই চলবে।

    রাজউকের প্লট এবং ট্যাক্সের দলিলের জন্য মূল্যের ওপর ২ শতাংশ টাকার সমমানের স্ট্যাম্প। 

    ট্রাস্ট ডিড-ক্যাপিটাল দলিলের জন্য মূল্যের ওপর ২ শতাংশ টাকার সমমানের স্ট্যাম্প।

    অছিয়তনামার কপির জন্য ৩০ টাকার স্ট্যাম্প । 

    নকলের কবলা দলিল, বন্ড, বণ্টননামা, সার্টিফাইড কপির দলিলের জন্য ৫০ টাকার স্ট্যাম্প । 

    অনুলিপি, খাস-মোক্তারনামা দলিলের জন্য ১০০ টাকার স্ট্যাম্প ।

    হলফনামা, বায়নার হলফনামা, হেবার ঘোষণাপত্র, নাদাবি পত্র, বাতিলকরণ দলিলের জন্য ২০০ টাকার স্ট্যাম্প ।

    চুক্তিনামা দলিল, অঙ্গীকারনামা, বায়নানামার দলিল, মেমোরেন্ডাম অব অ্যাগ্রিমেন্ট 

    রিডেম্পশন, সোলেনামা বা আপসনামার দলিলের জন্য ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প 

    আমমোক্তারনামা দলিল এবং সাফকবলা দলিলের জন্য ৪০০ টাকার স্ট্যাম্প 

    তালাকের হলফনামার দলিলের জন্য ৫০০ টাকার স্ট্যাম্প ।

    মর্টগেজ বা বন্ধকের দলিল সম্পাদনের ক্ষেত্রে- 

    ক. এক টাকা থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ২০০০ টাকা 

    খ. ২০ লাখ এক টাকা থেকে এক কোটি টাকা পর্যন্ত পাঁচ হাজার টাকার স্ট্যাম্প। 

    গ. এক কোটি এক টাকার ওপরের ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকার এবং প্রতি লাখের জন্য ২ শতাংশ হারে মোট টাকার মূল্যমানের স্ট্যাম্পে সম্পাদন করতে হবে। 

    সাধারণ চুক্তিপত্র নোটারি পাবলিক বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে নোটারাইজড করতে হবে। অংশীদারি চুক্তিরÿক্ষেত্রে নিবন্ধন করাতে হবে রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ থেকে। কোনো জমি বা ফ্ল্যাট কিনতে বায়নানামা সম্পাদন করার প্রয়োজন হতে পারে। বায়নানামাও একধরনের চুক্তি। তবে বায়নানামা সম্পাদন করলে তা অবশ্যই সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে এবং রেজিস্ট্রশন বাধ্যতামূলক। 

    Tag:টাকা ধারের চুক্তিপত্র, টাকা ধারের চুক্তিপত্র নমুনা, টাকা ধারের চুক্তিপত্র লেখার নিয়ম, টাকা ধারের চুক্তিপত্র লেখার নিয়ম pdf , টাকা ধারের চুক্তিপত্র ফরমেট 

    0/Post a Comment/Comments

    Previous Post Next Post
    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন
    chrome-extension://oilhmgfpengfpkkliokdbjjhiikehfoo/img/semstorm-32.png