ফেসবুক অনলাইন থেকে টাকা আয় করার উপায় | পেমেন্ট সাথে সাথে বিকাশে | ফ্রি টাকা ইনকাম

ফেসবুক অনলাইন থেকে টাকা আয় করার উপায় | পেমেন্ট সাথে সাথে বিকাশে | ফ্রি টাকা ইনকাম

 

আয়, পেমেন্ট সাথে সাথে বিকাশে, অনলাইনে আয়, অনলাইন থেকে আয় করার উপায়, ফেসবুকে কিভাবে আয় করা যায় , টাকা ইনকাম, ফ্রী টাকা ইনকাম

    আয় 

    টাইম অফ বিডির পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই শুভেচ্ছা এবং সালাম আসসালামু আলাইকুম রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আপনারা সবাই কেমন আছেন ? আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আপনারা অনেকেই হয়ত জানেননা ফেসবুক এবং অনলাইন থেকে বিভিন্ন উপায়ে টাকা ইনকাম করা যায়। আর তাই আজকে আমাদের পোস্টে আমরা এগুলো সম্পর্কে আলোচনা করব।আমাদের আজকের এই পোষ্ট টি তৈরি করা হয়েছে কিভাবে অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায় এর সম্পর্কে । আমাদের আজকের এই পোস্টের যা যা থাকছে সেগুলো হলো আয়, পেমেন্ট সাথে সাথে বিকাশে, অনলাইনে আয়, অনলাইন থেকে আয় করার উপায়, ফেসবুকে কিভাবে আয় করা যায় , টাকা ইনকাম, ফ্রী টাকা ইনকামআশা করি আপনারা সবাই সঠিক তথ্যটি পাবেন এবং পুরো পোস্টটি ধৈর্য্য সহকারে পড়বেন। 

    পেমেন্ট সাথে সাথে বিকাশে 

    বর্তমানে ফেসবুক এবং অনলাইনের মাধ্যমে বাড়িতে বসেই অনেক টাকা ইনকাম করা যায়। আর এসব মাধ্যম থেকে টাকা আয় করার জন্য তেমন উচ্চ শিক্ষার প্রয়োজন হয় না। শুধুমাত্র অল্প কিছু দক্ষতা থাকলেই ফেসবুক এবং অনলাইন থেকে টাকা আয় করা যায়। বিভিন্ন ধরনের অনলাইনের কাজ আছে যেগুলোয় পেমেন্ট সাথে সাথে দিয়ে দেওয়া হয়। এইসব সোশ্যাল মিডিয়ায় কাজ করে বাসায় থেকেই অনেক টাকা ইনকাম করা যায়। ফেসবুক এবং অনলাইনে বিভিন্ন পোস্ট করার মাধ্যমে এবং বিভিন্ন ধরনের গেম অ্যাপস বানানোর মাধ্যমে এবং বিভিন্ন এপস এর মাধ্যমে আমরা অনলাইন থেকে টাকা আয় করতে পারি এবং এগুলোর পেমেন্ট সাথে সাথে বিকাশে দেওয়া হয়। তাই আমরা বাড়িতে সব কাজ করার পরও ফেসবুক এবং অনলাইন থেকে বিভিন্ন উপায়ে টাকা আয় করতে পারি।

    অনলাইনে আয়

    অনলাইনে ক্যারিয়ার কি

    অনলাইন ক্যারিয়ার হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস, অথবা নিজস্ব ব্যবসা দাঁড় করিয়ে ইন্টারনেট এর মাধ্যমে আয় করাই হল অনলাইন ব্যবসা অনলাইন ক্যারিয়ার। এখানে বেশ কিছু কাজ রয়েছে যেখানে কিছু কিছু ইনভেস্ট করে করতে হয় আবার অনেক কাজ রয়েছে যেখানে কোন ইনভেস্ট এর প্রয়োজন হয় না।

    এবং এখানে অনেক কাজ রয়েছে যেগুলো করলে ক্লায়েন্টের কাছে জবাবদিহিতা করতে হয়। আবার অনেক কাজ রয়েছে আপনাকে কোনো জবাবদিহিতা ও করতে হবে না। যেহেতু এটি একটি মুক্ত পেশা তাই নির্বাচনের ক্ষেত্রে অনেক ভেবেচিন্তে আপনাকে নির্বাচন করতে হবে।

    এখানে আপনি যেকোন একটি বিষয়ের উপর দক্ষতা অর্জন করে অনলাইনে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে টাকা আয় করতে পারেন।

    এছাড়াও আপনি চাইলে অনলাইনে নিজের একটি ই-কমার্স ব্যবসা দাঁড় করিয়ে নিতে পারেন।

     অনলাইন থেকে আয় করার উপায় 

    আপনি কি ২০২১ সালে এসেও অনলাইনে ইনকাম করার নিশ্চিত উপায় খুজে পাচ্ছেন না?

    অনলাইনে আয় করার জন্য শুধুমাত্র আপনার মেধা বা দক্ষতা, শ্রম ও সময়ের প্রয়োজন।

    আপনি এই তিনটি জিনিস সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে ঘরে বসে অনলাইন হতে সহজে টাকা আয় করতে পারবেন।


    আপনি একজন ছাত্র, গৃহিনী কিংবা চাকরিজীবী যাই হয়ে থাকেন না কেন,

    আপনার লেখা-পড়া বা কাজের ফাঁকে কিংবা চাকরির পাশাপাশি অবসর সময়ে ২/৩ ঘন্টা ব্যয় করে মাসে মোটামুটি ভালোমানের স্মার্ট এমাউন্ট অনলাইনে আয় করতে সক্ষম হবেন। 

    এ ক্ষেত্রে আপনার চাকরি কিংবা লেখা পড়ায় কোন ধরনের ব্যাঘাত ঘটবে না।


    আপনি একটি বিষয় ঠান্ডা মস্তিস্কে ভেবে দেখুন, আরো অন্য দশজন স্কুল কিংবা কলেজ পড়ুয়া ছাত্রদের মত আপনিও আপনার মূলবান সময়টুকু ফেইসবুক, টুইটার ও ইউটিউবে ফানি ভিডিও দেখা সহ বিভিন্ন রকম সামাজিক যোগাযোগের সাইটে ব্যয় করছেন। 

    কখনো কখনো আমার নিজের প্রতিও খুব দুঃখ হয় কেন আমি বিগত বৎসরগুলোতে এ সকল সাইটে অযথা সময় ব্যয় করলাম। আমি নিজে প্রায় দুই বৎসর ফেইসবুক, টুইটার এবং বিভিন্ন অনলাইন গেম খেলে সময় পার করেছি। 

    এখন আমি ভাবি কেন আমি এ সময়টুকো ঐ সমস্ত সামাজিক যোগাযোগের সাইটে ব্যয় না করে Social media Marketing করে কেন কাটালাম না।


    এ রকম আমার আপনার অনেক বন্ধু বান্ধব আছে যারা ঠিক একইভাবে বিভিন্ন সামজিক যোগাযোগের সাইটে চ্যাট করে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা সময় পার করে দিচ্ছে। 

    আপনি যদি হিসাব করে দেখেন, আপনি প্রতিদিন গড়ে কতটুকু সময় ইন্টারনেট ব্যবহার করে পার করছেন, তাহলে বেশীরভাগ লোকই বলবে ২-৩ ঘন্টা। তাহলে আপনি কি ভাবছেন এ সংখ্যা বছরে কতয় গিয়ে দাড়াচ্ছে। বছরে অন্তত ১০০০-১২০০ ঘন্টা পার করছেন ইন্টারনেটে বিভিন্ন সমাজিক যোগাযোগ এর সাইটে চ্যাট করে। কিন্তু একবারও কি আপনি নিজের কাছে প্রশ্ন করেছেন যে, আপনার এ মূল্যবান সময়গুলো ব্যয় করে আপনি কি পেয়েছেন? আমিত নির্ধিদ্বায় বলতে পারি এর শুরু থেকে শেষ অব্দি শুধু শূন্য আর শূন্য।


    আপনার মূ্ল্যবান সময়ের সামান্য সময় ব্যয় করে যদি কিছু টাকা পয়সা অনলাইনে আয় করে নিজের প্রয়োজন মিটাতে পারেন,

    তাহলে অন্যের কাছ থেকে ধার কর্জ করে চলার চেয়ে খারাপ কি? ইন্টারনেট জগৎটা Facebook, Social Media and Gaming এর মধ্যে সীমাবদ্ধ 


    অনলাইন থেকে ইনকাম এর সহজ উপায় জানতে আমাদের সাথে থাকুন।

    ফেসবুকে কিভাবে আয় করা যায়

    ফেসবুক থেকে কীভাবে টাকা উপার্জন করতে হয় শিখে নাও ধাপে ধাপে!

    “টাকা আয় করার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি কি?”

     “ঘরে বসে কিভাবে টাকা আয় করা যায়?”

     “ইশ এমন কোনো মাধ্যম থাকতো, যেন খুব দ্রুতই হাতে কিছু টাকা চলে আসতো”

     এমন প্রশ্ন হরহামেশাই শোনা যায়। এমনকি আমাদের নিজেদের মনেও উঁকি দেয় এরকম হাজারো প্রশ্ন। ছাত্রজীবনে টিউশুনির গণ্ডির বাইরে তাকালেই দেখা যায় এই হাহাকার। কিন্তু এতসব প্রশ্নের কিন্তু খুব সহজ একটা উত্তর রয়েছে। উত্তরটা হলো ফেসবুক !

     দিনের অন্তত একবার হলেও আমরা ফেসবুকে ঢু মারি, অন্যের ছবিতে লাইক-কমেন্ট করি, নিজের টাইমলাইনে বিভিন্ন পোস্ট শেয়ার করি, বন্ধুদের সাথে ম্যাসেঞ্জারে তুমুল আড্ডা দিই। এসবের পাশাপাশি ২.৩২ বিলিয়ন ইউজার সমৃদ্ধ ফেসবুকে কিন্তু চাইলেই গড়ে তোলা যায় ছোটখাটো একটা অনলাইন স্টার্টআপ। বিভিন্ন ফ্যানপেজ তৈরি করা, ভিডিও বানানো, ফেসবুক গেম ডেভেলপ করা, অনলাইন শপের মত হাজারো পদ্ধতির মাধ্যমেই ফেসবুক হয়ে উঠতে পারে আপনার আয়ের উৎস।

    ফেসবুক থেকে আয় করার উপায়গুলো তাহলে জেনে আসা যাক ।

    ফেসবুক পেজ

    ফেসবুকে চোখ বুলালেই হাজারো পেজের ভীরে আমাদের চোখ ধাঁধায়। মানসম্মত কন্টেন্টসহ একটি ফেসবুক পেজ কিন্তু সহজেই কমবেশি অনেকের নিউজ ফিডেই প্রাধান্য পাবে।

    ফেসবুক পেজ থেকে আয়ের জন্য প্রথমেই ফেসবুকে একটি পেজ খুলে নিতে হবে। এক্ষেত্রে আপনার নিজের আগ্রহের পাশাপাশি অন্যদের আগ্রহকেও প্রাধান্য দেয়া উচিত। ফেসবুক পেজ হতে পারে যেকোনো ধরনের। যেমন- ফুড রিভিউ, ট্রাভেল পেজ, নিউজ পোর্টাল কিংবা ট্রেন্ডি কোনো ট্রল পেজ। ট্রল পেজের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে, যেন এটি কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে আঘাত না করে বা কোনো বিতর্ক সৃষ্টি না করে। তাহলে কিন্তু আপনার ফেসবুক থেকে আয়ের উদ্দেশ্যের হিতে বিপরীত হতে পারে !

     একটি ফেসবুকের পেজ মূল অংশ হলো কন্টেন্ট বা বিষয়বস্তু। ফেসবুক ইউজারদের এই বিশাল সংখ্যার কাছে আপনার পেজের গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে কন্টেন্টের উপর। মানসম্মত ও সুন্দরভাবে বর্ণিত যেকোনো কন্টেন্ট ভালো ইউজারদের মাঝে সাড়া জাগাতে অনেকটাই সহায়ক। কন্টেন্ট তৈরি থেকে শুরু করে পরবর্তীতে বেশ কিছু পদক্ষেপ অবলম্বন করতে হবে । যেমন-

     আপনার ফ্যান পেজের জন্য একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট তৈরি করুন। ফেসবুকে পেজের পাশাপাশি একটি ওয়েবসাইট থাকা কিন্তু বেশ কাজের। আপনার কন্টেন্টের বিশদ বর্ণনা থাকবে এসব ওয়েবসাইটে। ওয়েবসাইট তৈরির জন্য আপনি ব্লগস্পট, ওয়ার্ডপ্রেস কিংবা উইবলির সাহায্য নিতে পারেন। ফ্রি ডোমেইনের কিছু সীমাবদ্ধতা থেকে বেরিয়ে আসতে আপনি অল্প কিছু টাকা খরচ করে বানিয়ে নিতে পারেন আপনার নিজেরই একটি ওয়েবসাইট।

     “অ্যাডসেন্স (AdSense)” নামক গুগলের একটি প্রোগ্রাম রয়েছে, যা ওয়েবসাইট থেকে টাকা আয় করার জন্য সাড়া বিশ্বব্যাপী বহুল ব্যবহৃত। অ্যাডসেন্সের কাজ হলো ওয়েবসাইটে বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপনের সরবরাহ করা এবং বিনিময়ে ওয়েবসাইটের পরিচালনাকারীদের একটি নির্দিষ্ট অর্থ দেয়া। প্রায়সময়ই বিভিন্ন ওয়েবসাইটে হাজারো অ্যাড আমাদের নজরে আসে এবং এগুলোই আপনার ওয়েবসাইটে ব্যবহার করতে পারবেন গুগল অ্যাডসেন্স যুক্ত করার মাধ্যমে। এর ফলে আপনি আপনার ফেসবুক পেজের ওয়েবসাইট দিয়ে আয় করা শুরু করতে পারবেন।

    ফেসবুকে পেজে নিয়মিত নিত্যনতুন কন্টেন্ট হালনাগাদ করা অনেক জরুরী। বেশি বেশি কন্টেন্ট আপলোড করলে আপনার পেজ প্রতিনিয়তই নতুন নতুন মানুষের চোখে পড়বে, লাইক-কমেন্ট-শেয়ারের পরিমাণও বাড়তে থাকবে দ্রুতই।

     ফেসবুক থেকে আয়ের ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে, আপনার শেয়ার করা কন্টেন্ট যেন অন্য কোনো আর্টিকেলের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ না হয়। কেননা অনেক ফেসবুক পেজের নিজস্ব কপিরাইট থাকে। অনেক অনেক ক্ষেত্রে রিপোর্ট করার মাধ্যমেও আর্টিকেল চুরির বিষয়টা চোখের সামনে চলে আসে। কন্টেন্ট হুবুহু প্রমাণিত হলে ফেসবুক কতৃপক্ষ সেসব পোস্ট তাৎক্ষনাত সরিয়ে দেয়।

     ফেসবুকে আপনার পেজ তৈরি করা শেষ, শেষ কন্টেন্ট বানানোর কাজও। এবার এগোতে হবে কন্টেন্ট বা পোস্টগুলো বিক্রি করার দিকে। শপসামথিং নামক অনলাইন একটি ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনি আপনার ফেসবুক পোস্ট বিক্রি করতে পারেন। এখানে নিজের একাউন্ট খুলে আপনার ফ্যান পেজের প্রতিটি পোস্টের জন্য নির্দিষ্ট মূল্য ধার্য করে দিতে হবে। আপনাকে নির্দিষ্ট অর্থ দিয়ে এসব পোস্ট ক্রয় করা হবে এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন অ্যাডভারটাইজের জন্য এসব পোস্ট, পোস্টের ছবি ব্যবহার করা হবে। মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে, শুরুতেই অতি চড়া মূল্যের পোস্টে কিন্তু কেউই আগ্রহ দেখাবে না। তাই মাত্রাতিরিক্ত দাম চাওয়া থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়।

    অ্যাডভারটাইজিং

    অ্যাফিলিয়েট অ্যাডভারটাইজিং এর নাম অনেকেই না শুনে থাকতে পারেন। অনেকসময় ফেসবুক স্ক্রল করে গেলে নিউজফিডে বিভিন্ন অ্যাড আসে, যার নিচে ছোট্ট করে “স্পনসরড” লেখা থাকে। এটিই হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট অ্যাডভারটাইজিং।

      অ্যাফিলিয়েট অ্যাডভারটাইজিং প্রোগ্রাম খুঁজে নিয়ে এর জন্য সাইন আপ করলে আপনাকে দেয়া হবে অনন্য একটি আইডি, সঙ্গে থাকবে আপনার অ্যাডভারটাইজিং সম্পর্কিত বিভিন্ন বিজনেস ম্যাটেরিয়াল দেয়া হবে। এসব বিভিন্ন ইউজারদের দ্বারা জেনারেটের মাধ্যমে আপনার অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা হতে থাকবে।

      অ্যাফিলিয়েট অ্যাডভারটাইজিং প্রোগ্রামের জন্য আলাদা একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে ফেলুন। মনে রাখতে হবে, প্রতিটি বিজ্ঞাপনের জন্য আলাদা আলাদা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলা উচিত। এর ফলে ইউজাররা নিজেদের পছন্দ মত বিজ্ঞাপন খুঁজে নিতে পারবে আর আপনার আয় করার পুরো কাজটাই দ্রুত সম্পন্ন হবে।

     আপনার বিজ্ঞাপন যতবার মানুষ দেখবে, ততবারই আপনার আয় বাড়তে থাকবে। সুতরাং বিজ্ঞাপনের প্রোমোশনের বিষয়টাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে যেন আপনার পোস্টে ক্লিক করে অ্যাফিলিয়েট থেকে কিছু কেনামাত্র আপনি আয় করা শুরু করতে পারেন।

    ফ্রিল্যান্সিং

    আমরা যারা অনলাইনে আয় করার পদ্ধতি সম্পর্কে খোঁজ-খবর রাখছি, তাদের কাছে ফ্রিল্যান্সিং সবচেয়ে পরিচিত একটা নাম। ফেসবুকের মাধ্যেমেও কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং সম্ভব। ফ্রিল্যান্সিং শুরু করলে সবচেয়ে বড় বাঁধা থাকে কাজ পাওয়া-না পাওয়া নিয়ে। দেখা যায়, অনেক ফ্রিল্যান্সাররা নিজের পছন্দ ও যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ খুঁজে পাচ্ছে না। ফেসবুকে ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে কিছু সক্রিয় গ্রুপ আছে। এসব গ্রুপের মেম্বাররা বিভিন্ন কাজের অপরচুনিটি শেয়ার করে। এর ফলে অনেকেই খুঁজে পেতে পারেন আপনার কাঙ্ক্ষিত গন্তব্য। কন্টেন্ট রাইটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, অনলাইন মার্কেটিং এর মত নানা ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য ফেসবুকে রয়েছে হাজারো গ্রুপ ও পেজ।

    অনলাইন প্রতিযোগিতা

    দেশের বড় বড় কোম্পানিগুলো নিজেদের প্রোমোশনের জন্য বিভিন্ন সময়ে আয়োজন করে ফেসবুক ভিত্তিক বিভিন্ন অনলাইন প্রতিযোগিতা। এসব প্রতিযোগিতার মূল উদ্দেশ্য থাকে গ্রাহকদের কাছে তাদের পণ্যের প্রচার। নতুন কোনো ক্যাম্পেইন, পণ্য, মার্কেট প্ল্যানিং এর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ফেসবুককেই বেছে নেয় এসব কোম্পানি। আর এসব প্রতিযোগিতায় পুরষ্কার হিসেবে থাকে বিভিন্ন অঙ্কের অর্থ, পুরষ্কার, কখনো থাকে ইন্টার্নশিপ-চাকরির সুযোগ।

     এসব প্রতিযোগিতার অংশ নিয়ে আপনার কাজ হবে বেশি বেশি লাইক, শেয়ার এবং বন্ধুদেরকে ট্যাগ দেয়া।

    অনলাইন মার্কেটিং

    অনলাইন মার্কেটিং হালের টাকা আয় করার জনপ্রিয় একটি উপায়। আজকাল ফেসবুক কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে হাজারো মার্কেটপ্লেস। এসব কিন্তু সাধারণ দশটা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মত নয়। ফেসবুকে ইদানীং কালে ড্রেস, জুয়েলারি, মেকআপ সামগ্রী, হ্যান্ডিক্রাফট, বই ইত্যাদির জন্য হাজারো অনলাইন শপ গড়ে উঠেছে। ফেসবুকে এসব অনলাইন মার্কেটিং পেজ বা গ্রুপে বিভিন্ন পণ্যের ছবি, বিবরণ, সাইজ ও দাম দেয়া থাকে। মেসেজ দিয়ে বা কমেন্টে গ্রাহকেরা তাদের পছন্দমত পণ্য অর্ডার করে। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানে অর্ডার করার সময়ই ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ এর মত অন্যান্য পদ্ধতিতে টাকা পরিশোধ করে দিতে হয়, আবার কিছু প্রতিষ্ঠানে ক্রেতাদের ফরমায়েশ অনুযায়ী যথাসময়ে ডেলিভারির সময়ে টাকা পরিশোধের ব্যবস্থা থাকে। এভাবে ধীরে ধীরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি পরিচিতি পায় এবং টাকা আয় করার রাস্তাটাও সরু থেকে চওড়া হতে শুরু করে। অনলাইন জিনিসপাতি বিক্রির জন্য “ফেসবুক শপ” নামের অসাধারণ একটা অ্যাপ ও রয়েছে। আপনার অনলাইন মার্কেটিং এর ছোটখাটো কোনো ওয়েবসাইট থাকলে আপনি এই অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। এই অ্যাপের ২টি ভার্সনের মধ্যে ফ্রি ভার্সনটি লিমিটেড, অন্যদিকে পেইড ভার্সনে রয়েছে এমন অনেক সুবিধা যা ফ্রি ভার্সনে অনুপস্থিত।

    ফেসবুক অ্যাপ

    ওয়েব ডিজাইনার, গেম ডেভলপার ও প্রোগ্রামারদের জন্য ফেসবুকে রয়েছে অপার এক সম্ভাবনা। ফেসবুক অ্যাপ তৈরির মাধ্যমে ফেসবুক থেকে উপার্জন সম্ভব। নিজস্ব অ্যাপ তৈরির মাধ্যমেও ফেসবুক থেকে আয় করা সম্ভব। ফেসবুকের জন্য বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করলে সেটির ইউজারদের সংখ্যার উপর আপনার আয় নির্ভরশীল।

     ফেসবুকে গেম চালু হওয়ার শুরু দিকে একটি গেম খুব জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো, নাম ফার্মভিল। ফার্মভিল গেমটির ডেভেলপার ছিল জিংগা (Zynga) নামক একটি কোম্পানি। জেনে রাখা ভালো, জিংগা, রোভিও পপক্যাপ এর মত গেমিং কোম্পানিগুলোর সাহায্যে ফেসবুকের প্ল্যাটফর্মে আপনার ডেভলপ করা গেমগুলো আপলোড করতে পারেন।

    অ্যাকাউন্ট সেল করা

    অনেকদিন ধরে চালানো কোনো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, পেজ ও গ্রুপ সেল করার মাধ্যমে ভালোই আয় করা সম্ভব। একটা সময় অনেকে একের অধিক অ্যাকাউন্ট খুলে রাখতো। কিন্তু বাস্তবতা বলে, একের অধিক অ্যাকাউন্ট চালানো অনেকটাই কষ্টসাধ্য। তবে এখানে প্লাসপয়েন্ট হলো, পুরাতন অ্যাকাউন্ট, পেজের কিন্তু এখন অনেক দাম। কেননা অনেকদিন আগে থেকেই এসব পেজ-গ্রুপের সাথে ইউজাররা পরিচিত হয়ে আছে। পাশাপাশি, অনলাইন মার্কেটপ্লেসে এসব পুরাতন অ্যাকাউন্ট-পেজ-গ্রুপের প্রচুর চাহিদা। তাই বেশি সংখ্যক ফলোয়ার, বেশি সংখ্যক লাইক ও অধিক গ্রুপ মেম্বার সমৃদ্ধ যেকোনো কিছু আপনি অন্যদের কাছে বিক্রি করতে পারেন।

    ইনফ্লুয়েন্সার

    ফেসবুকে ইনফ্লুয়েন্সার বিষয়টা অনেকটা আধুনিক ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর এর মত। নামকরা কোম্পানিগুলো তাদের ব্যবসা প্রচারণার জন্য স্বনামধন্য ও খ্যাতিমান ব্যক্তিদেরকে তাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে নিযুক্ত করে।

    ফেসবুকে ইনফ্লুয়েন্সার হতে হলে প্রথমেই আপনাকে প্রোফাইলে মানসম্মত কিছু কন্টেন্ট ও যথেষ্ট সংখ্যক ফ্যান-ফলোয়ার থাকতে হবে। এবং অবশ্যই আপনার ফেসবুক এক্টিভিটিতে সার্বিকভাবে ফলোয়ারদের সন্তোষজনক প্রতিক্রিয়া থাকা উচিত। এরপর Hireinfluence, BlogMint, Fromote এর মত ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেট এজেন্সির ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট তথ্য প্রদানের মাধ্যমে আপনার অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। অ্যাকাউন্ট খোলার পরপরই আপনি কোনো এক ব্র্যান্ডের প্রতিটি পোস্টের জন্য নির্দিষ্ট মূল্য নির্ধারণ করবেন এবং পরবর্তীতে ঐসব ব্র্যান্ডের পোস্ট প্রচার করার মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারবেন।

    ক্রয়-বিক্রয়

    বাসায় অব্যবহৃত একটি ফোন পড়ে আছে? সময়ের অভাবে আপনার প্লেস্টেশনটি চালানো হচ্ছেনা? পুরাতন ডিজিটাল ক্যামেরাটা বিক্রি করে নতুন একটি ডিএসএলআর কিনতে ইচ্ছুক? এরকম হাজারো খুঁটিনাটি জিনিস কিন্তু আমরা চাইলেই ফেসবুকের মাধ্যমে বিক্রি করে দিতে পারি। ফেসবুকে কেনাবেচার (Buy and Sell) এর অসংখ্য গ্রুপ রয়েছে। কোনো কোনো গ্রুপ নির্দিষ্ট পণ্য কেনাবেচার জন্য, আবার কোনোটিতে পণ্য বিক্রি সম্পর্কে ধরাবাঁধা কোনো নিয়ম নেই। এসব গ্রুপে আপনার অব্যবহৃত যেকোনো পণ্যের জন্য সহজেই সঠিক ক্রেতা খুঁজে পেতে পারেন। তবে অনলাইনে এসব ক্রয় বিক্রয়ের সময় সতর্ক থাকতে হয়, যেকোনো লেনদেনের পূর্বে ক্রেতা সম্পর্কিত সকল ধরণের তথ্য নিশ্চিত করতে হবে, একইসাথে নিশ্চিত করতে হবে টাকা আদান-প্রদানের সুরক্ষিত মাধ্যমও।

     পৃথিবীজুড়ে সার্বজনীন গ্রহণযোগ্যতাই ফেসবুককে গড়ে তুলেছে আয় করার সহজ ও দ্রুত একটি মাধ্যম হিসেবে। সামান্য মেধা, সঙ্গে ঘড়ির একটু সময় দিলেই ফেসবুক হয়ে উঠতে পারে আপনার আয় করার প্রধান মাধ্যম। শুধুমাত্র চ্যাটিং আর লাইক-কমেন্টের বেড়াজালে আটকে না থাকে আপনি ঘরে বসেই ফেসবুকে শুরু করতে দিতে পারেন আপনার আয়ের নতুন পরিকল্পনা।


     টাকা ইনকাম | ফ্রী টাকা ইনকাম 

    আপনারা হয়তো অনেকেই ফ্রি টাকা ইনকাম করার কথা ভাবছেন কিন্তু অনেকেই তেমন সুযোগ পাচ্ছেন না আর তাই আমরা আমাদের আজকের এই পোস্টের রিং আইডি অ্যাপস এর মাধ্যমে ফ্রি টাকা ইনকাম করার বিষয় আলোচনা করেছি। আশা করছি আপনারা রিং আইডি অ্যাপ এর মাধ্যমে উপকৃত হবেন এবং ফ্রি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
     চলছে

    ধামাকা অফার..একাউন্ট করলেই

    পাইতেছেন 200 টাকা যা সাথে

    সাথে বিকাশ অথবা রকেট এ নিতে পারবেন এর জন্য যা যা করতে হবে....

    ১/ প্রথমে আপনারা Play Store থেকে Ring

    id App টা ডাউনলোড করে নেবেন &

    অ্যাপ টা ওপেন করুন

    ২/ তারপর আপনার মোবাইল নাম্বার

    দিন, আপনার সিমে একটা কোড যাবে

    পিন কোড টা বসিয়ে দিবেন

    ৩/ তারপর আপনার নাম দিন

    ৪/ তারপর পাসওয়ার্ড দিতে বলবে SKiP

    করে দিন

    ৫/ তারপর আপনাকে রেফার কোড

    দিতে বলবে Add Reffer এ এইটা 12282393

    দিবেন দিয়ে Refar now click করবেন এবং

    সাথে 200 TK bonus 'পাবেন।

    মনে রাখবেন এই রেফার কোড টা ভুল

    করলে আপনি কিন্তু 200 টাকা পাবেন

    না-।

    রেফার কোড: 12282393


    Tag:আয়, পেমেন্ট সাথে সাথে বিকাশে, অনলাইনে আয়, অনলাইন থেকে আয় করার উপায়, ফেসবুকে কিভাবে আয় করা যায় , টাকা ইনকাম, ফ্রী টাকা ইনকাম 


    0/Post a Comment/Comments

    Previous Post Next Post
    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন
    chrome-extension://oilhmgfpengfpkkliokdbjjhiikehfoo/img/semstorm-32.png