ঘরে বসে অনলাইনে সার্ভে করে আয় | এডমোব থেকে আয় | অনলাইনে কি কি কাজ করা যায়

ঘরে বসে অনলাইনে সার্ভে করে আয় | এডমোব থেকে আয় | অনলাইনে কি কি কাজ করা যায়

 

অনলাইনে কি কি কাজ করা যায়, এডমোব থেকে আয়, ঘরে বসে ইনকাম করার উপায়, অনলাইনে সার্ভে করে আয়, অনলাইনে টাকা আয় করার উপায়, টাকা ইনকামের উপায়


    টাকা ইনকামের উপায় 

    টাইম অফ বিডির পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই শুভেচ্ছা এবং সালাম আসসালামু আলাইকুম রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আপনারা সবাই কেমন আছেন ? আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আপনারা অনেকেই হয়ত জানেননা ফেসবুক এবং অনলাইন থেকে বিভিন্ন উপায়ে টাকা ইনকাম করা যায়। আর তাই আজকে আমাদের পোস্টে আমরা এগুলো সম্পর্কে আলোচনা করব।আমাদের আজকের এই পোষ্ট টি তৈরি করা হয়েছে কিভাবে অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায় এর সম্পর্কে । আমাদের আজকের এই পোস্টের যা যা থাকছে সেগুলো হলোঅনলাইনে কি কি কাজ করা যায়, এডমোব থেকে আয়, ঘরে বসে ইনকাম করার উপায়, অনলাইনে সার্ভে করে আয়, অনলাইনে টাকা আয় করার উপায়, টাকা ইনকামের উপায় । আশা করি আপনারা পুরোোো পোস্টটি ধৈর্য সহকারে পড়বেন এবং সঠিক তথ্যটি পাবেন।

    অনলাইনে কি কি কাজ করা যায়

    প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে বেড়েছে মানুষের কর্ম পরিসর। অনলাইনে অর্থ উপার্জনের অনেক মাধ্যম তৈরি হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক সত্য, আমরা অনেকেই সেগুলোর সদ্ব্যবহার করতে পারছিনা শুধুমাত্র সঠিক ধারণা নেই বলে। কত লোক বেকার বসে আছে, চাকরির অভাবে হতাশায় ভুগছে, যেটুকু কাজে লাগিয়ে অনায়াসেই কিছু ইনকাম করা যায়, জীবনযাত্রার মান আরো একধাপ উন্নত করা যায়।

    অনলাইনে কিভাবে অর্থ উপার্জন করবেন এ প্রশ্নের উত্তরে অনেক গুলো কাজের কথাই বলা যায়। তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায় হলো :

    ১. ফ্রিল্যান্সিং

    অনলাইনে আয়ের প্রসঙ্গ আসলে সবার প্রথমে যে শব্দটি উচ্চারিত হয় সেটা হল ফ্রীল্যান্সিং (Freelancing)। এটিই অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম। বর্তমানে ফ্রীল্যান্সিং এর মাধ্যমে আমাদের দেশের হাজার হাজার মানুষ ঘরে বসে আয় করছে। এই মাধ্যমটিকে আরো জনপ্রিয় করে তোলার জন্য সরকারি বেসকারি সংস্থা কোর্স ও ট্রেনিং এর ব্যবস্থা ও করছে। অনেকেই ফ্রিল্যানসিংয়ের প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী হয়েছেন, অনেকেই আয় করছেন লাখ লাখ টাকা।

    ২. নিজের ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি

    ফ্রিল্যান্সিং মূলত অন্যের অধীনে কাজ করা। যারা সেটা না করে নিজে কিছু করতে চান তাদের জন্য ভাল একটি অপশন হল নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি।

    নিজের ওয়েবসাইট তৈরি করা এখন আর আহামরি কঠিন কাজ নয়! ওয়েবসাইট হতে পারে অনেক কিছু নিয়ে। কোন বিষয়গুলোতে আপনি এক্সপার্ট সেগুলো নিয়েই ওয়েবসাইট তৈরি করুন। এটা হতে পারে লেখালেখির কিংবা বিজনেস ওয়েবসাইট। কিভাবে বানাবেন কি নিয়ে বানাবেন তার পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা নিয়ে ইউটিউবেও অনেক টিউটোরিয়াল পাবেন। সেগুলো দেখে একটি মোটামুটি মানের ওয়েবসাইট আপনি বানিয়ে নিতে পারবেন। আর যদি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট বানাতে চান তাহলে ডেভেলপার দিয়ে বানিয়ে নিতে পারেন অথবা নিজেই একটি ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের কোর্স করে শিখে ফেলতে পারেন প্রফেশনাল কাজ।

    আপনার ওয়েবসাইট এ যখন প্রচুর দর্শক বা পাঠক আসবে তখন আপনি গুগল এডসেন্স কিংবা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। এগুলো নিয়ে পরে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আপনার ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বা দর্শক যত বেশি হবে, আপনার আয় ও তত বেশি হবে।

    ৩. ইউটিউব

    লেখালেখিতে যারা উৎসাহ বোধ করেন না, কিন্তু ক্যামেরা নিয়ে কাজ করতে ভালবাসেন অথবা ভিডিও সম্পাদনায় পারদর্শী তারা আয় করার মাধ্যম হিসেবে বেছে নিতে পারেন ইউটিউব কে। ইউটিউব চ্যানেলে নিত্যনতুন আইডিয়া নিয়ে ভিডিও বানিয়ে এখন অনেকেই লাখ টাকাও আয় করছেন। তবে ব্লগিং এর মত এক্ষেত্রেও মাথায় রাখতে হবে, কোন বিষয়ে মানুষ ভিডিও দেখতে চায়, কিংবা কি দেখালে আপনি দর্শক ধরে রাখতে পারবেন। সেরকম বিষয় খুঁজে নিয়ে তার উপর ভাল মানের সৃজনশীল ভিডিও বানাতে হবে। তাহলে খুব দ্রতই আপনার ইউটিউব চ্যানেল দর্শকপ্রিয় হবে আর আপনি আয় শুরু করতে পারবেন। সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা, ভিডিও দেখার সময় ইত্যাদির ওপর ভিত্তি করে প্রতি হাজার "ভিউ" হিসেবে গুগল আপনাকে অর্থ প্রদান করবে।

    এছাড়া ইউটিউব চ্যানেল থেকে আয়ের উৎস হিসেবে আপনি গুগল এডসেন্স বা মনিটাইজেশন বা এফিলিয়েট মার্কেটিং ব্যাবহার করতে পারেন। এছাড়া আপনার চ্যানেল জনপ্রিয় হলে বিভিন্ন কোম্পানি আপনাকে স্পন্সরশিপ অফার করতে পারে, যেটা হতে পারে আয়ের বড় উৎস।

    ৪. অনলাইন ব্যবসা

    বর্তমানে ঘরে বসে লাখপতি হওয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায় হলো অনলাইন ব্যবসা। আপনার হাতে কিছু পুঁজি ও একটি স্মার্টফোন থাকলেই ব্যবসায় নেমে যেতে পারেন। অনলাইন ব্যবসার ক্ষেত্রে অনেক বেশি পুঁজির ও প্রয়োজন হয়না অনেক ক্ষেত্রে। প্রয়োজন যুগোপযোগী ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ও তা বাস্তবায়নের সঠিক কর্মপন্থা। অনেকেই এখন হুটহাট করে ব্যবসা শুরু করে দিচ্ছেন ঠিকই , কিন্তু সমন্বয়ের অভাবে টিকে থাকতে পারছেন না। সঠিক গাইডলাইন অনুসরণ করে ধৈর্য সহকারে লেগে থাকতে পারলেই কেবল ব্যবসায় সফল হওয়া সম্ভব।

     এডমোব থেকে আয় 

    প্রিয় পাঠকবৃন্দ আজকে আমরা আমাদের পোস্টটি তৈরি করেছ এডমোব থেকে আয় করার উপায় নিয়ে। আশা করি আপনারা পুরো পোস্টটি পড়বেন এবং আপনারা উপকৃত হবেন।

    অনলাইন ব্যবসার জন্য অবিশ্বাস্য মূল্যে বানিয়ে নিন 

    আপনার ওয়েব সাইটের জন্য প্রফেশনাল ওয়েব ভিউ অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল এ্যাপ ।

    ১.আপনার ওয়েবসাইট রয়েছে,কিন্তু প্রফেশনাল মানের একটি এন্ড্রোয়েড  

       এপ নাই?

    ২. অথবা অ্যাপ থাকলেও আপনার এপটা কি প্রফেশনাল মানের না হওয়ায় প্লে স্টোর থেকে বারবার রিজেক্ট করে দিচ্ছে?

    ৩. আপনি কি অ্যাপস এর মাধ্যমে এডমোব থেকে এড দিয়ে আয় করতে চান?

    ৪. আপনি কি সুপারফাস্ট কোয়ালিটির একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস তৈরির কথা ভাবছেন?

    উপরের সব সমস্যার সমাধান দিতে আমরা দিচ্ছি আপনাকে সম্পূর্ণ নিশ্চয়তা।

    আমাদের অ্যাপ এর বৈশিষ্ট্য:

    ১.নেটিভ প্রফেশনাল অ্যাপ।

    ২. গুগোলের সম্পূর্ণ রুল অনুযায়ী তৈরি।

    ৩. এডমোব সাপোর্টেড।

    ৪. ফাস্ট কোয়ালিটি ।

    ৫. পুশ নোটিফিকেশন সুবিধা।

    ৬. ইউ আই /ইউ এক্স ডিজাইন

    ৭. একবারে অল্প সাইজ।

    ৮. ফ্লাশ স্ক্রীন এবং লোগো ।

    ৯. সব ডিভাইসের সাথে সম্পূর্ণ রেস্পন্সিভ।

    বিশেষ দ্রষ্টব্য: যাদের ওয়েবসাইট নেই তাদের ওয়েবসাইট ডেভেলপ করে দেওয়া যাবে।ধন্যবাদ।

    যে সকল সার্ভিস দিয়ে থাকি:

    ১. ওয়ার্ল্ড ক্লাস টেকনোলজি ব্যাবহার করে সকল প্রকার কাস্টম ওয়েব 

        ডেভেলপমেন্ট,

    ২. সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, 

    ৩. এন্ড্রোইড এপপ্স ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি।

    ঘরে বসে ইনকাম করার উপায় 

    ঘরে বসে অনলাইনে লেখালেখি করে আয় করার জন্য সৃজনশীল এবং দারুণ একটি পেশা হচ্ছে কন্টেন্ট রাইটিং। কন্টেন্ট রাইটিং এর মধ্যে দক্ষতার পাশাপাশি নিজের সৃজনশীলতাকেও কাজে লাগাতে হয়। তবে কন্টেন্ট রাইটিং একদমই সহজ একটি বিষয়। নতুন অবস্থায় এটি সম্পর্কে কিছুদিন চর্চা করলেই সম্পূর্ণ বিষয়টি আয়ত্তে এসে যাবে।

    কন্টেন্ট রাইটিং করে দারুন একটি ক্যারিয়ার গঠনের সুযোগ রয়েছে। চাইলেই যে কেউ কন্টেন্ট রাইটিং দক্ষতা অর্জন করার মাধ্যমে প্রফিটেবল ক্যারিয়ার গঠন করতে পারে। আর কন্টেন্ট রাইটিং থেকে লাইফটাইম প্যাসিভ ইনকাম করার উপায় রয়েছে। তাছাড়া একজন কন্টেন্ট রাইটারের ভালো জব অপরচুনিটি রয়েছে। কন্টেন্ট রাইটাররা শুধুমাত্র কন্টেন্ট রাইটিং জব করেও মাস শেষে মোটা অংকের টাকা আয় করে থাকেন। তবে তার জন্য একজন দক্ষ কন্টেন্ট রাইটার হতে হয়।

    কন্টেন্ট রাইটিং করে স্বাধীনভাবে কাজ করার মাধ্যমে মোটা টাকা আয় করারও সুযোগ রয়েছে। এসকল কারণেই কন্টেন্ট রাইটিং শেখার প্রতি মানুষের আগ্রহ অনেক বেশি থাকে। যার ফলে দিনদিন কন্টেন্ট রাইটিং সেক্টরটিকে প্রতিযোগিতা বেড়েই চলেছে।

    অনলাইনে সার্ভে করে আয় 

    অনলাইন সার্ভে করে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার জন্য বেস্ট একটি ওয়েবসাইটের নাম- Swagbucks ।

    সার্ভে করে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম

    সার্ভে করে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করা বেশ সহজ। অসংখ্য মার্কেট রিসার্চ কোম্পানি আছে যারা রিসার্চের জন্য সার্ভে করে। আর এই সার্ভেতে যারা অংশগ্রহণ করে তাদের টাকা প্রদান করে থাকে।

    অনেক মোবাইল ফোন কোম্পানি গ্রাহকদের চাহিদা জানার জন্য সার্ভে করে, যাতে করে গ্রাহকের সন্তুষ্টি মোতাবেক পণ্য তৈরি করে বিক্রি বৃদ্ধি করতে পারে। অনলাইনে এমন অসংখ্য ওয়েবসাইট আছে যারা বিভিন্ন কোম্পানির এসব সার্ভেগুলো একসাথে করে তাদের ওয়েবসাইটে রেখে দেয় এবং সেই ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করা মেম্বার-গন তা পূরণ করে টাকা ইনকাম করে।

    অনলাইনে সার্ভে করার অসংখ্য ওয়েবসাইট থাকলেও সবাই টাকা প্রদান করে না। তাই, সার্ভে শুরু করার পূর্বে অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে তারা টাকা প্রদান করে কিনা।

    সার্ভে করে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম

    অনলাইন সার্ভে কি?

    সার্ভে হল মতামত নেয়া। বাংলাতে বলা হয় জরিপ। সার্ভে সাধারণ কোম্পানি অথবা ব্যক্তিগত রিসার্চের কারণে নেয়া হয়ে থাকে। আর, এই সার্ভেতে যারা অংশগ্রহণ করে তাদের টাকা প্রদান করা হয়।

    অনলাইন সার্ভে এবং আমরা যে ওয়েবসাইট নিয়ে আলোচনা করবো তা অনেকটা এই রকমই। আপনি নিচের ওয়েবসাইটে একটি অ্যাকাউন্ট খুলবেন তারপর প্রতিদিন টাস্ক হিসাবে বেশ কিছু সার্ভে পাবেন। সার্ভেগুলোতে বেশ কিছু প্রশ্ন থাকবে সেগুলো সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। ভয় পাবেন না, প্রশ্নগুলো কঠিন হবে না। বরং ব্যক্তি জীবনের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন থাকবে।

    SwagBucks

    পেমেন্ট পদ্ধতি: PayPal Cash, Amazon Gift Cards, Walmart Gift Cards, All Gift Cards

    প্রত্যেক সার্ভেতে আয়: ৩০ -১৫০ SB (১০০ SB = ১ ডলার)

    SwagBucks বৃহত্তম এবং সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সার্ভে সাইট। তারা এ পর্যন্ত তাদের মেম্বারদের ৬০০,০০০,০০০ এরও বেশি পুরষ্কার প্রদান করেছে। তারা সার্ভে করার পাশাপাশি গেমস, অফার, সার্চ, অনলাইন কেনাকাটা এবং ভিডিও দেখার জন্য পুরষ্কার ও অর্থ দিয়ে থাকে। ওয়েবসাইট প্রায় ১৩ বছর ধরে চালু আছে। সুতরাং এটার বিশ্বস্ততা নিয়ে কোন প্রশ্ন করার সুযোগ নেই।

    তাদের ওয়েবসাইটে মোটামুটি প্রতিদিন সার্ভে থাকে। প্রত্যেকটি সার্ভে পূরণ করতে সময় লাগে প্রায় ১০ মিনিট। আর যদি প্রতিদিন ১ ঘণ্টা কাজ করেন, তাহলে আয় করতে পারবেন প্রায় ৬ ডলার। যদিও, প্রতিদিন এতো সার্ভে থাকে না।

    তবে, এদের সাইটে সাইন আপ করে অনেক সময় বোনাস দিয়ে থাকে। এছাড়া, গেম খেলে, শপিং করে, সার্চ করে কিংবা ভিডিও দেখেও আয় করার সুযোগ রয়েছে এই ওয়েবসাইটে।

    অনলাইনে টাকা আয় করার উপায় 

    প্রিয় পাঠকবৃন্দ আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন প্রতিনিয়ত অনলাইন পেশার সাথে যুক্ত হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ।অনলাইনে আয় করার বিভিন্ন ধরনের উপায় আছে। তারমধ্যে একটি হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়।আজকে আমরা আমাদের এই পোস্টটি তৈরি করেছি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে। আশা করি আপনারা উপকৃত হবেন।

    অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনলাইনে আয় করার বিস্তারিত গাইডলাইন

    অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং একটি লাভজনক ও স্মার্ট পেশা। বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা আয় করতে সক্ষম হচ্ছেন।

    আমাদের বাংলদেশেও এমন অনেকেই রয়েছেন যাদের টাকা আয় করার মূল উৎসই হচ্ছে- বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে যুক্ত হবার পর নিজের একটি ব্লগ তৈরি করে তাতে অ্যাফিলিয়েট পণ্যের প্রচার করে কমিশন গ্রহণের মাধ্যমে আয় করা।

    Tag:অনলাইনে কি কি কাজ করা যায়, এডমোব থেকে আয়, ঘরে বসে ইনকাম করার উপায়, অনলাইনে সার্ভে করে আয়, অনলাইনে টাকা আয় করার উপায়, টাকা ইনকামের উপায় 


    0/Post a Comment/Comments

    Previous Post Next Post
    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন
    chrome-extension://oilhmgfpengfpkkliokdbjjhiikehfoo/img/semstorm-32.png