অনলাইনে ডাটা এন্ট্রি করে আয় | অনলাইনে লিখে ও ফ্রিল্যান্সিং করে আয় | স্টুডেন্টদের জন্য অনলাইনে আয়

অনলাইনে ডাটা এন্ট্রি করে আয় | অনলাইনে লিখে ও ফ্রিল্যান্সিং করে আয় | স্টুডেন্টদের জন্য অনলাইনে আয়

মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম , অনলাইনে ডাটা এন্ট্রি করে  আয় , গুগোল এ আয় কত , স্টুডেন্টদের জন্য অনলাইনে আয়, অনলাইনে লিখে আয়, ফ্রিল্যান্সিং করে আয়


    মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম

    টাইম অফ বিডির পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই শুভেচ্ছা এবং সালাম আসসালামু আলাইকুম রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আপনারা সবাই কেমন আছেন ? আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আপনারা অনেকেই হয়ত জানেননা ফেসবুক এবং অনলাইন থেকে বিভিন্ন উপায়ে টাকা ইনকাম করা যায়। আর তাই আজকে আমাদের পোস্টে আমরা এগুলো সম্পর্কে আলোচনা করব।আমাদের আজকের এই পোষ্ট টি তৈরি করা হয়েছে কিভাবে অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায় এর সম্পর্কে । আমাদের আজকের এই পোস্টের যা যা থাকছে সেগুলো হলোমোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম , অনলাইনে ডাটা এন্ট্রি করে আয় , গুগোল এ আয় কত , স্টুডেন্টদের জন্য অনলাইনে আয়, অনলাইনে লিখে আয়, ফ্রিল্যান্সিং করে আয় । আশা করি পুরো পোস্টটি ধৈর্যয সহকারে পড়বেন এবং সঠিিক তথ্যটিি পাবেন। 

    অনলাইনে ডাটা এন্ট্রি করে আয় 

    প্রিয় পাঠকবৃন্দ আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন না ডাটা এন্ট্রি করে কিভাবে আয় করতে হয় আর তার জন্য আজকে আমাদের পোস্টটি তৈরি করা হয়েছে।আমাদের এই পোস্টটি পড়লে আপনারা পুরো বিষয়টি জানতে পারবেন যে কিভাবে ডাটা এন্ট্রি করে আয় করতে হয়।

    বর্তমানে পৃথিবীতে অনেক অনেক ওয়েবসাইট আছে। এসব ওয়েবসাইটগুলাে বিভিন্ন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের ডাটা এন্ট্রি কাজের অ্যাড দেয়।

    এসব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ডাটা এন্ট্রি কাজ পাওয়া যায়। তেমনই একটি ওয়েবসাইট হলাে Fiverr এ ওয়েবসাইটে প্রতিদিন হাজার হাজার কাজ পাওয়া যায়, এসব কাজের মাঝে প্রচুর ডাটা এন্ট্রির কাজ রয়েছে।

    আপনি যদি ডাটা এন্ট্রির কাজ করতে চান তবে নিজের একটি একাউন্ট খুলে এখানে ডাটা এন্ট্রির কাজ খুঁজে নিতে পারেন। অনেকেই Fiverr এর সাহায্যে অনলাইনে ডাটা এন্ট্রির কাজ করে প্রচুর ইনকাম করছে। আপনিও Fiverr এ জয়েন করে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে কাজ করতে পারেন।

    Fiverr এ প্রতিটি কাজের জন্য আপনি কমপক্ষে 5 ডলার করে পাবেন। আপনি চাইলে এখান থেকে ডাটা এন্ট্রির কাজ করে মাসে 150 থেকে 200 ডলার ইনকাম করতে পারবেন।

    গুগোল এ আয় কত 

    আপনার সাইটে গুগল অ্যাডসেন্স দ্বারা সরবরাহিত একটি জাভাস্ক্রিপ্ট যুক্ত করতে হবে। এর মাধ্যমে গুগল প্রাসঙ্গিক বিজ্ঞাপনগুলাে প্রদর্শন করবে। লােকেরা আপনার ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন ক্লিক করলে গুগল আপনাকে অর্থ দেবে। কেউ যখন প্রশ্ন করে, "আমি কিভাবে অনলাইনে অর্থ উপার্জন করতে পারি", একটি সাধারণ উত্তর হল "গুগল অ্যাডসেন্স"। গুগল অ্যাডসেন্স সার্চ ইঞ্জিন গুগল এর মালিকানাধীন একটি বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক।

    গুগল অ্যাডসেন্স থেকে অর্থ উপার্জন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর নির্ভর করে: সিপিসি, সিটিআর এবং আরপিএম। সিপিসি হচ্ছে প্রতি ক্লিকের জন্যে বিজ্ঞাপনদাতা কত খরচ দিবে। মােট ক্লিক কে মােট পেইজ ভিউ দ্বারা ভাগ করে ১০০ দিয়ে গুনকরলে যা পাওয়া যায়,তার পরিমানই পেইজ সিটিআর। মােট ইস্টিমেটেড আর্নিংকে মােট পেইজ ভিউ দিয়ে ভাগ করে ১০০০ দিয়ে গুন দিলে আরপিএম পাওয়া যায়

    স্টুডেন্টদের জন্য অনলাইনে আয় 

    আমরা এমন অনেকেই আছি যারা পড়ালেখার পাশাপাশি আয় করতে চাই।আর তাদের জন্যে আজকে আমার এই পোস্টটি তৈরি করা। আমাদের এই পোস্টে আজকে লেখাপড়ার পাশাপাশি কিভাবে অনলাইনে আয় করা যায় সে সম্পর্কে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা হয়েছে আপনারা যদি পুরোপুরি পড়েন তাহলে আপনারা জানতে পারবেন পড়ালেখার পাশাপাশি কিভাবে আমরা অনলাইন থেকে আয় করতে পারি।

    "শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইনে আয়" করার অনেক উপায় রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি আমি তুলে ধরছি:

    ১. ফ্রিল্যান্সিং

    অনলাইনে আয়ের প্রসঙ্গ আসলে সবার প্রথমে যে শব্দটি উচ্চারিত হয় সেটা হল ফ্রীল্যান্সিং (Freelancing)। এটিই অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম। বর্তমানে ফ্রীল্যান্সিং এর মাধ্যমে আমাদের দেশের হাজার হাজার মানুষ ঘরে বসে আয় করছে। এই মাধ্যমটিকে আরো জনপ্রিয় করে তোলার জন্য সরকারি বেসকারি বিভিন্ন সংস্থা কোর্স ও ট্রেনিং এর ব্যবস্থা ও করছে। অনেকেই ফ্রিল্যানসিংয়ের প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী হয়েছেন, অনেকেই আয় করছেন লাখ লাখ টাকা।

    ২. নিজের ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি

    ফ্রিল্যান্সিং মূলত অন্যের অধীনে কাজ করা। যারা সেটা না করে নিজে কিছু করতে চান তাদের জন্য ভাল একটি অপশন হল নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি।

    ৩. Google AdSense থেকে অর্থ উপার্জন

    বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন সংস্থাগুলোর একটি হলঃ Google AdSense. এই Advertisement program টি স্বয়ং Google দ্বারা পরিচালিত যা ইউটিউব অথবা ব্লগিং এর ক্ষেত্রে আয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম। আপনার ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইট এ যদি প্রচুর দর্শক বা ভিজিটর থাকে এবং একে একটি ভাল অবস্থানে নিয়ে যেতে পারেন, তাহলে Google AdSense এর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

    ৪. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

    অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ও মূলত ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে আয়ের একটি মাধ্যম। আপনি কোন প্রতিষ্ঠানের Affiliate Marketing Program এ যুক্ত হলে সেই প্রতিষ্ঠানের পণ্যের বিজ্ঞাপন তাদের দেওয়া লিংক এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগে যুক্ত করতে পারবেন। সেই লিংকে ক্লিক করে যদি কেউ কোন পণ্য কিনে, তাহলে আপনি একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন। কমিশনের পরিমাণ এক এক কোম্পানির এক এক রকম। সেটা ৩% থেকে ২০% পর্যন্ত ও হতে পারে। যত বেশি ক্রেতা আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে পাঠাবেন, আপনার আয় তত বেশি হবে।

    ৫.ইউটিউব

    লেখালেখিতে যারা উৎসাহ বোধ করেন না, কিন্তু ক্যামেরা নিয়ে কাজ করতে ভালবাসেন অথবা ভিডিও সম্পাদনায় পারদর্শী তারা আয় করার মাধ্যম হিসেবে বেছে নিতে পারেন ইউটিউব কে। ইউটিউব চ্যানেলে নিত্যনতুন আইডিয়া নিয়ে ভিডিও বানিয়ে এখন অনেকেই লাখ টাকাও আয় করছেন।

    ৬.গ্রাফিকস ডিজাইন

    সৃজনশীল চিন্তাধারার ব্যাক্তিদের জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইন খুব ভাল প্ল্যাটফর্ম। হাতে একটি ল্যাপটপ ও ইন্টারনেট কানেকশন থাকলে গ্রাফিক্স ডিজাইন করে বিভিন্ন মার্কেট প্লেস থেকে আয় করতে পারেন।

    ৭.জরিপ, সার্চ ও রিভিউ

    অনলাইনে বিভিন্ন জরিপ করা হয়, যেগুলোতে অংশগ্রহণ করলে টাকা দেওয়া হয়। এছাড়াও অনলাইন সার্চ ও প্রোডাক্ট রিভিও (পণ্যের পর্যালোচনা) লিখার মাধ্যমেও আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

    ৯. কপি টাইপিং

    অনলাইনে আয় করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ কিন্তু জনপ্রিয় মাধ্যম হল কপি টাইপিং। বহুদিন যাবৎ শীর্ষ দশটি চাহিদাসম্পন্ন কাজের মধ্যে এর অবস্থান এবং দিন দিন এর চাহিদা বেড়েই চলেছে।

    ১০. কনটেন্ট রাইটিং

    নিজের ওয়েবসাইট বা ব্লগে লেখালখি ছাড়াও ফ্রিল্যান্সার হিসেবে ও কন্টেন্ট রাইটিং এর মাধ্যমে আয় করার সুযোগ আছে যদি না আপনার লেখালেখির হাত ভাল থাকে। বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে লেখালেখি করে আয় করার এখন অনেক বেশি সুযোগ আছে।

    অনলাইনে লিখে আয় 

    প্রিয় পাঠকবৃন্দ আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন বর্তমানে অনলাইনের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত মানুষ বিভিন্ন ধরনের পেশার সাথে যুক্ত হচ্ছে।অনলাইনে বিভিন্ন পেশার মধ্যে লেখালেখি করে আয় করা এক ধরনের একটি মাধ্যম। লেখালেখি করে আয় করাকে বলা হয় ব্লগ। আর তাই আজকে আমরা আমাদের পোষ্ট টি তৈরি করেছি ব্লগ সাইট নিয়ে। আশা করছি আপনারা পুরা পোস্টটি ধৈর্য সহকারে পড়বেন।

    এক কথায় বলতে গেলে ব্লগ হলো, ইন্টারনেটে যে কোন বিষয় নিয়ে লেখালেখি করা। যে ব্যক্তি রা অনলাইনে লেখালেখি করে তাদেরকে ব্লগার বলা হয়। একজন ব্লগার প্রতি মাসে 20 হাজার টাকা থেকে শুরু করে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারে খুব সহজেই।

    ব্লগিং ব্যবসাটি খুবই মজার একটি ব্যবসা। এখানে একবার লেখালেখি করলে সেখান থেকে সারাজীবন ইনকাম করা সম্ভব হয়।

    কিভাবে ব্লগিং শুরু করবো ?

    আপনি যদি ব্লগিং করে অনলাইন থেকে টাকা আয় করতে চান তাহলে ব্লগ সম্পর্কে ভালোভাবে ধারণা রাখতে হবে। ব্লগ কি কিভাবে কাজ করে এই সম্পর্কে যদি আপনি ভালভাবে না জানান তাহলে ব্লগিং করে বেশিদূর অগ্রসর পারবেন না।

    এখন কথা হল কিভাবে ব্লগিং শুরু করবো , ব্লগিং শুরু করার জন্য আপনাকে মনস্থির করতে হবে আপনি কি বিষয় নিয়ে অনলাইনে লেখালেখি করতে চাচ্ছেন।

    ব্লগিং করার পূর্বে আপনাকে কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে সেগুলো হলোঃ

    আপনি যে বিষয় নিয়ে ব্লগিং করতে চাচ্ছেন সেটি বর্তমান পেক্ষাপটে চাহিদা কেমন

    ব্লগিং-এর বিষয়টি সম্পর্কে আপনার ধারণা আছে কিনা

    যে বিষয়ে আপনি লেখালেখি করছেন সে বিষয়ে কেমন কম্পিটিশন রয়েছে

    আপনি যে বিষয়টি নিয়ে ব্লগিং করতে চান সে বিষয়ে আপনার ইন্টারেস্ট কেমন

    ব্লগিং করতে গেলে ব্লগিং এর বিষয়টি সম্পর্কে ইন্টারেস্ট থাকাটা খুব জরুরি। কেননা আপনি যে বিষয়টি নিয়ে লেখালেখি করবেন বা ব্লগিং করবেন সে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার যদি ইন্টারেস্ট না থাকে তাহলে কাজ করে মজা পাবেন না।

    ব্লগিং কোথায় থেকে শিখব ?

    আপনার যদি ব্লগিং করে টাকা আয় করার ইচ্ছা থাকে তাহলে সে ইচ্ছাটুকুই আপনাকে ব্লগিং শেখাতে 50% কাজ করবে, বাকিটা আপনার রিসার্স এবং কাজের উপর নির্ভর করবে।

    ব্লগিং শিখে অনলাইনে আয় করতে দুই ভাবে শিখতে পারেনঃ

    ১। ফ্রি ভাবেঃ

    ফ্রিতে ব্লগিং শিখতে হলে বিভিন্ন ধরনের ভিডিও টিউটোরিয়াল এবং ব্লগিং এর জন্য বিভিন্ন ফ্রী কোর্স গুলো আপনাকে আয়ত্ত করতে হবে। এর জন্য গুগল এবং ইউটিউব তো রয়েছেই। আপনি যদি কিছুদিন প্যাকটিস করেন তাহলে আপনি ফ্রিতেই ব্লগিং শিখে নিতে পারবেন এতে আপনার সময় একটু বেশি লাগতে পারে। তবে ফ্রিতে ব্লগিং শিখলে আপনি পেইড কোর্স এর চেয়ে অনেক বেশী কিছু শিখতে পারবেন।

    তবে আপনি যদি মনে করেন আপনি অল্প সময়ে ব্লগিং শিখে অনলাইন থেকে আয় করতে চান তাহলে পেড কোর্স এর সাহায্য নিতে পারেন।

    ২। পেইড কোর্স

    আপনার আশেপাশে বিভিন্ন ট্রেনিং সেন্টার রয়েছে যেখানে ব্লগিং শেখানো হয়। তবে কোন ট্রেনিং সেন্টারে কতটুকু শিখানো হয় সেটি আপনাকে ভালোভাবে খোঁজখবর নিয়ে জেনে নিতে হবে।

    কেননা আপনি যেখান থেকে ট্রেনিং করবেন সেখান থেকে ট্রেনিং করার পর আপনি যদি অনলাইন কাজ করতে না পারেন , তাহলে সে শেখার কোনো দামই নেই।

    ব্লগিং করতে কি কি লাগে ?

    ব্লগিং করার জন্য আপনার একটি কম্পিউটার অথবা একটি ল্যাপটপ থাকতে হবে। আর যদি আপনার কাছে ভালো মানের একটি স্মার্টফোন থাকে তাহলেও কাজ চালিয়ে নিতে পারবেন কিন্তু কষ্ট হবে। 

    ব্লগিং করার জন্য যে জিনিস গুলো প্রয়োজনঃ

    কম্পিউটার বা লেপটপ

    ইন্টারনেট কানেকশন

    একটি ওয়েবসাইট (Domain + Hosting )

    গুগল এডসেন্স বা এফিলিয়েট লিং

    ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায় ?

    ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায় এর নির্ধারিত কোন সীমানা নেই। ব্লগিং করে অনলাইনে আয় এমন একটি মাধ্যম আপনি যত ইচ্ছা তত আয় করতে পারবেন। আপনি যেমন কাজ করবেন, যতটা কাজ করবেন তত ইনকাম করতে পারবেন। তবে হ্যাঁ ব্লগিং সেকশনে আপনি নিত্য নতুন কোন আইডিয়া নিয়ে কাজ করতে এলে খুব দ্রুত সফল হতে পারবেন।

    ফ্রিল্যান্সিং করে আয় 

    আমাদের দেশে দিনে দিনে প্রায় সবারই ফ্রিল্যান্সিং এর প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। যদিও এখন আমাদের দেশে ফ্রিল্যান্সিং একটি ভাল অবস্থানে আছে। তবে খুবই অল্প সংখ্যক লোক আছে যারা উচ্চমানের কাজ পাচ্ছে এবং অনেক ইনকাম করছে। কারণ দক্ষতার অভাবে আমাদের দেশের মানুষ খুবই কম ইনকাম করে থাকে এখান থেকে। আর বেশির ভাগ মানুষই কাজ পায় না।

    তাই আপনি কিভাবে দক্ষতার সহিত ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন সেই ট্রিক্সটা বলে দিবো। তার আগে ফ্রিল্যান্সিং এর বেসিক কিছু ধারণা নেওয়া যাক। কারণ কোন বিষয়ে বেসিক জ্ঞান না থাকলে কোন কিছুই শেখা যায় না।

    ফ্রিল্যান্সিং কি?

    প্রথম বিষয় হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে আপনার ক্লিয়ার ধারণা থাকতে হবে? কারণ এটা আপনাকে দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হতে সহায়তা করবে।

    ফ্রিল্যান্সিং হল একটা মুক্ত পেশার কাজ। যা আপনি দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে করতে পারবেন। মনে করুন, আমেরিকার একজন লোক তার নিজের জন্য একটা ভিজিটিং কার্ড বানাবে। সে এর জন্য ১০ ডলার খরচ করবে। এখন সে পৃথিবীর যে কোন প্রান্তের দক্ষ লোককে দিয়ে তার এই কাজ ১০ ডলারের বিনিময়ে করিয়ে নেবে।

    যে লোকটি তার কাজ করে দিলো সেই ব্যক্তি মূলত ফ্রিল্যান্সিং এ কাজ করলো। কারণ ফ্রিল্যান্সিং এমন একটা কাজের মাধ্যম, যেখানে কাজ পাওয়ার জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘোরা লাগে না। বিপুল পরিমাণে কাজ আছে এখানে। ঐ আমেরিকার লোকের মত পৃথিবীর হাজার হাজার লোক আছে যারা তাদের কাজ এই ফ্রিল্যান্সিং থেকে করিয়ে নেয়।

    আর লক্ষ লক্ষ লোক এই ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে বাসায় বসে বা পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেকে কাজ করে টাকা ইনকাম করতে পারে।

    ফ্রিল্যান্সিংটা কি, সেটা নিশ্চয়ই বোঝাতে পেরেছি।

    ফ্রিল্যান্সিং এর মাদ্ধমে ঘরে বসে রোজগারের এক অনন্য ব্যবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

    কিভাবে আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন?

    ফ্রিল্যান্সিং এ আপনি যে কোন ধরনের কাজ করতে পারবেন। কারণ এখানে হাজার হাজার ধরনের কাজ পাওয়া যায়। আপনাকে শুধু সঠিক পথ ধরে এগিয়ে যেতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং করতে যেয়ে অধিকাংশ লোক এমন কিছু ভুল করে যা তাকে ফ্রিল্যান্সিং থেকে অনেক দূরে ঠেলে দেয়।

    ১। ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে জানুনঃ

    কিছু করতে হলে কিছু জানতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে যদি আপনি কাউকে জিজ্ঞেস করেন তাহলে দেখবেন বেশির ভাগ লোকই ভুল উত্তর দিচ্ছে। এমনি কি যারা প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার, তাদের অনেকেই আছে যাদের কাছে যদি জিজ্ঞেস করা হয় যে, তাদের পেশা কি। তাহলে তারা উত্তর দিবে যে, তারা আউটসোর্সিং করে।

    কিন্তু এই ফ্রিল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং একসাথে মিলেয়ে ফেললে হবে না। কারণ দুইটাই আলদা জিনিস।

    আউটসোর্সিং

    আউটসোর্সিং বলতে বোঝায়, যখন কোন কম্পানি তাদের অফিসের বাইরের কাউকে কাজ দেয় করার জন্য তখন সেটা আউটসোর্সিং কাজ হয়। এটার মূল উদ্দেশ্য হল টাকা সেব করা।

    সুতরাং আপনি যদি কোন কম্পানি দ্বারা তাদের কোন কাজে নিযুক্ত হন তাহলে সেটাকে আউটসোর্সিং বলে। অর্থাৎ আপনাকে কম্পানির স্বাধীনমত কাজ করতে হবে।

    ফ্রিল্যান্সিং

    ফ্রিল্যান্সিং হল স্বল্প মেয়াদী কাজে চুক্তিবদ্ধ হয়ে নিজের ইচ্ছামত কাজ করা। যা আপনি নিজের সময়মত করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং হল নিজের স্বাধীনতা ভিত্তিক কাজ। আপনি কাজ না করলে কেউ আপনাকে চাপ প্রয়োগ করবে না।

    আপনি কত ইনকাম করতে পারবেন?

    আপনি ফ্রিল্যান্সিং এ আপনার ইচ্ছামত ইনকাম করতে পারবেন। যা নির্ভর করবে আপনার দক্ষতা ও কাজের উপর। তবে আপনি মাসে বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার ডলার বা তার বেশি ইনকাম করতে পারবেন। আর কাজ না পেলে মাস কেন, সারাবছরেও একটা ডলার ইনকাম করতে পারবেন না।

    আমি যখন ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেছিলাম তখন মাসে ২০০ থেকে ৩০০ ডলার পর্যন্ত ইনকাম করতাম। তবে কয়েক মাস এই ভাবে কাজ করার পর আমার ইনকাম মাসে ১০০০ ডলারে পৌছে। আর দিনে দিনে এই ইনকাম আমার বাড়তেই রয়েছে। ( ১ ডলার = ৮৪ টাকা। তবে ডলারের মূল্য মাঝে মাঝে কম বেশি হয় )

    একজন বাংলাদেশী হিসাবে, মাসে এই টাকা ইনকাম মানে হিউজ পরিমাণ ইনকাম।

    Tag:মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম , অনলাইনে ডাটা এন্ট্রি করে  আয় , গুগোল এ আয় কত , স্টুডেন্টদের জন্য অনলাইনে আয়, অনলাইনে লিখে আয়, ফ্রিল্যান্সিং করে আয় 

    0/Post a Comment/Comments

    Previous Post Next Post
    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন
    chrome-extension://oilhmgfpengfpkkliokdbjjhiikehfoo/img/semstorm-32.png