মোবাইলে ডাটা এন্ট্রি করে আয় | ইউটিউব থেকে অনলাইনে আয় করার নিশ্চিত উপায় | বিটকয়েন আয় ও টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট

মোবাইলে ডাটা এন্ট্রি করে আয় | ইউটিউব থেকে অনলাইনে আয় করার নিশ্চিত উপায় | বিটকয়েন আয় ও টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট

 

বিটকয়েন আয় , মোবাইলে ডাটা এন্ট্রি করে আয়, ইউটিউব থেকে আয় করবেন যেভাবে , ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয়, টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট, অনলাইনে আয় করার উপায়, অনলাইনে আয় করার নিশ্চিত উপায়

    অনলাইনে আয় করার উপায় 

    টাইম অফ বিডির পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই শুভেচ্ছা এবং সালাম আসসালামু আলাইকুম রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আপনারা সবাই কেমন আছেন ? আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আপনারা অনেকেই হয়ত জানেননা ফেসবুক এবং অনলাইন থেকে বিভিন্ন উপায়ে টাকা ইনকাম করা যায়। আর তাই আজকে আমাদের পোস্টে আমরা এগুলো সম্পর্কে আলোচনা করব।আমাদের আজকের এই পোষ্ট টি তৈরি করা হয়েছে কিভাবে অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায় এর সম্পর্কে । আমাদের আজকের এই পোস্টের যা যা থাকছে সেগুলো হলোবিটকয়েন আয় , মোবাইলে ডাটা এন্ট্রি করে আয়, ইউটিউব থেকে আয় করবেন যেভাবে , ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয়, টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট, অনলাইনে আয় করার উপায়, অনলাইনে আয় করার নিশ্চিত উপায় । আশা করছে পুরো পোস্টটি আপনারা ধৈর্য্য সহকারে পড়বেন এবং আপনারা সঠিক তথ্যটি পাবেন।

    বিটকয়েন আয় 

    সাধারণের কাছে বিটকয়েন একটি দূর্বোদ্ধ একটি শব্দ। মানুষ জানে এটির দাম অনেক কিন্তু কিভাবে কি কেন হয় তা অনেকের ই ধারণার বাইরে । সোজা সাপটা ভাষায় বিটকয়েন হচ্ছে এমন একটি অর্থনৈতিক অবস্থা যার নিয়ন্ত্রণে নেই কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর তথ্য মুছে ফেলা যায় না। এর তথ্য কোনো মতেই পরিবর্তন করা যায় না। মনে করেন আপনি একটি পন্য কিনলেন ১ বিটকয়েন দিয়ে। এখন আপনার একাউন্ট থেকে ১ টি বিটকয়েন পেয়ে গেলেন বিক্রেতা । এখন আপনি কোনো মতেই মিথ্যে তথ্য দিয়ে এই একই বিটকয়েন ব্যাবহার করে অন্য কিছু কিনতে পারবেন না।

    বিটকয়েনের সার্ভারঃ

    ফেসবুক ইউটিউব এর সার্ভার পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী সার্ভার। কিন্তু বিটকয়েনের সার্ভার এর থেকে ৬ গুন বেশী শক্তিশালী। কিন্ত প্রশ্ন জাগতে পারে এই সার্ভারের অবস্থান কোথায়!

    আসলে বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মানুষের ব্যক্তিগত কম্পিউটার ব্যবহার করেই এর সার্ভারের শক্তি। বিটকয়েনের নিজস্ব কোনো সার্ভার নেই ।

    কেন ব্যবহার কারী রা নিজেদের কম্পিউটার ব্যাবহার করতে দিচ্ছে ?

    প্রতিটি বিটকয়েন লেনদেনের জন্য বিস্তর ডেটা প্রসেসিং করতে হয় ।

    এই প্রসেসিং টা হয় যখন তখন সম পরিমাণ আরেক টি বিটকয়েন উৎপাদন হয়।

    ঠিক এভাবেই সাধারণ ব্যবহার কারী রা বিটকেয়ন আয় করেন ।

    এবং এটিকেই মাইনিং বলে।

    কিন্তু বিটকয়েন সর্বোচ্চ ২১ মিলিয়ন উৎপাদন করা যাবে এর মধ্যে ১৮ মিলিয়ন উৎপাদন হয়ে গিয়েছে । তো খুব শীঘ্রই বাকী ইউনিট গুলোও উৎপাদন শেষ হয়ে যাবে। আর বিটকয়েন মাইনিং অত্যন্ত ব্যায়বহুল। লক্ষ লক্ষ টাকার গ্রাফিক কার্ড কিনেও মাইনিং করে সফলতা পাওয়া যাচ্ছে না।

    কিন্তু তাই বলে কি আমরা অনলাইন কোনো কারেন্সি ব্যবহার করতে পারবোনা?

    হ্যা পারবো। খুব সহযেই এন্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমেই আপনি বিটকেয়েনেরই মত দুইটি এপ দ্বারা ব্যতিক্রমী কয়েন উৎপাদন করতে পারবেন । কোনো ব্যাটারী ড্রেইন হবেনা, নেট ও বেশী খরচ হবেনা। ২৪ ঘন্টা পর পর এপে হাজিরা দিয়ে চালু করলেই হবে ।

    আপনার কাছে ইনভাইটেশন কোড চাইবে,

    না দিলে আপনি একাউন্ট খুলতে পারবেন না।

    ইনভাইটেশন কোডঃ Akash152

    প্রসেসঃ

    প্লে স্টোরে গিয়ে সার্চ দিন Pi Network. এবং Bee Network:Phone-based Digital Currency

    একাউন্ট খুলতে ফোন নাম্বার ব্যবহার করুন।

    নিজের নামে অবশ্যই জাতীয় পরিচয় পত্রের অরিজিনাল নাম দেবেন।

    তারপর ইউজার নেম দেবেন, এই ইউজার নেমটিই আপনার ইনভাইটেশন কোড হিসেবে ব্যবহৃত হবে ।

    এরপর শেষ মেশ আপনার কাছে ইনভাইটেশন কোড চাইবে,

    না দিলে আপনি একাউন্ট খুলতে পারবেন না।

    ইনভাইটেশন কোডঃ Akash152

    এই দুইটি এপ দ্বারা একাউন্ট খুলে একই কোড ব্যবহার করুন Akash152

    মনে রাখবেন ১০ বছর আগে যেমন বিটকয়েনের কোনো দামই ছিলনা,

    ১০০০০ পিস বিট কয়েনের সেল করে একটা পিজ্জা কেনা যেত।

    আর এখন এক পিস বিট কয়েনের দাম ৬০ হাজার ডলার।

    তো দেরী না করে এ দুটি মোবাইল কারেন্সি তে যোগ দিন।

    মোবাইলে ডাটা এন্ট্রি করে আয় 

    অনলাইনে ডাটা এন্ট্রি জব করা যেমন সহজ। জব পাওয়া তেমন সহজ নয়। তাছাড়া ঘরে বসে ইন্টারনেটের সাহায্যে এ সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য খুঁজে পাওয়া যায় না।

    এই আর্টিকেলে। কিভাবে অনলাইন থেকে ডাটা এন্ট্রি করে আয় করা যায়। সে ব্যাপারে কিছু তথ্য ও পরামর্শ দিতে চেষ্টা করবো।

    তো চলুন, আগে ডাটা টাইপিং জব সম্পর্কে জেনে নেই।

    নোট: এই পোষ্টটি শুধুমাত্র ডাটা এন্ট্রি কাজ সম্পর্কিত। ইনভেস্ট ছাড়া অনলাইন থেকে আয় করার সেরা কয়েকটি টিপস পেতে পড়ুন:

    ক্যাপচা টাইপিং জব : স্ক্যাম নাকি রিয়েল?

    ক্যাপচা টাইপিং, ডাটা এন্ট্রিরই অন্তর্ভূক্ত।

    আপনি হয়তো ইন্টারনেট রিসার্চ করে বেশ কয়েকটি ডাটা এন্ট্রি Capcha typing জবের সাইট ও অ্যাপস পাবেন। যেমন: 2Capcha, MageTyper, Kolotibablo ইত্যাদি। কিন্তু আপনি কি জানেন? ক্যাপচা টাইপিং জবস অধিকাংশ সময় স্ক্যাম হয়। এমনকি ক্যাপচা টাইপিং এর ফলে। আপনার ডিভাইসে (কম্পিউটার বা মোবাইলে) সমস্যা হতে পারে।

    অনেক জব প্রোভাইডারই রেজিষ্ট্রেশন বা সফটওয়্যার প্যাকেজ কেনার জন্য কিছু প্রাথমিক চার্জ দিতে বলেন ‌

    কিন্তু যখন আপনি টাকা পরিশোধ করবেন। তারা ধোঁয়ার মত অদৃশ্য হয়ে যাবে।

    মনে রাখবেন। ডাটা এন্ট্রির কাজ করতে কোন টাকা লাগে না। শুধুমাত্র লাগে, আপনার দক্ষতা।

    নোট: অনেক সময় মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে। নির্দিষ্ট কিছু সময়ের জন্য। হয়তো অর্থ প্রদান করে। তারপর কিছুদিন পর হঠাৎ কোম্পানী উধাও হয়ে যায়।

    সত্যিই কি “ডাটা এন্ট্রি জব” নামে কিছু আছে?

    উত্তর: এক কথায়, হ্যাঁ আছে।

    অনেক রিয়েল Data Entry job আছে। যেগুলো করতে কোন রকমের ইনভেস্টের প্রয়োজন হয় না। এই পোষ্টে এ ধরণের, কয়েকটি কাজের বর্ণনা করা হয়েছে।

    ডাটা এন্ট্রি কাজ এর জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা

    ডাটা এন্ট্রি কাজের জন্য আপনার নূন্যতম নিচের দক্ষতাগুলো প্রয়োজন:

    1) Microsoft word

    2) Microsoft Excel

    3) Microsoft Access

    4) windows difult “Pain tool”

    5) অনেক সময় Ms. Power point এর দরকার হয়।

    6) টাইপিং স্প্রিড: প্রতি মিনিটে মিনিমাম 20/25 টি শব্দ। বেশি থাকলে আরো ভালো।

    7) ইন্টারনেটে সার্চ করা জানতে হবে।

    এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে আপডেট তথ্য সংগ্রহ করা জানতে হবে। যেমন: ই-কমার্স সাইটের প্রোডাক্ট লিষ্ট সংগ্রহ, বিভিন্ন সাইটের ইমেইল সংগ্রহ করা এবং বিভিন্ন সাইটের প্রোডাক্ট অফার লিস্ট করাসহ ইত্যাদি।

    9) লেখাকে ক্লায়েন্টের কাছে দৃষ্টি নন্দন করার জন্য Google Docs ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া বিভিন্ন ফিচারযুক্ত সফটওয়্যারও ব্যবহার করতে পারেন। যদি ক্লায়েন্টের অনুমোদন থাকে।

    বি:দ্র: অনলাইনে মার্কেটপ্লেসগুলোতে “ডাটা এন্ট্রি সংক্রান্ত জব”র অনেক প্রতিযোগীতা বেড়েছে। এই ধরণের কাজ অনেকটা সহজ বিধায়। অধিকাংশরাই এসকল কাজগুলো করার জন্য প্রচুর বিড করে।

    তবে, আপনি চাইলে। মাইক্রো জবস সাইট গুলোতে ডাটা এন্ট্রি সংক্রান্ত ছোট ছোট কাজ করার মাধ্যমেও আয় করতে পারেন।

    মাইক্রো জব সাইটে কাজ পাওয়ার জন্য “বিড” করতে হয়না। এসকল মার্কেটপ্লেসে নিশ্চিত কাজ পাওয়া যায়।

    চেষ্টা ও অভিজ্ঞতা থাকলে। প্রতি মাসে প্রায় $100 – $300 ডলার পর্যন্ত আয় করা যায়।

    ইউটিউব থেকে আয় করবেন যেভাবে

    আজকে আমরা জানবো ইউটিউব মার্কেটিং কী,এটা কিভাবে করে এবং এটি শিখে আপনি কোন মার্কেটপ্লেস এ কাজ পেতে পারেন।

    ইউটিউব মার্কেটিং

    ইউটিউবে কেনো পণ্যের প্রচার করাই হচ্ছে ইউটিউব মার্কেটিং।সেটা আপনি যেভাবে করেননা কেনো।বিভিন্ন দেশের ক্লায়েন্ট আপনার কাছে এসে বলতে পারে যে তার পণ্য কিংবা তার প্রতিষ্ঠান কিংবা তার ওয়েবসাইট বা অ্যাপ যেকোন কিছু।সেটা আপনাকে ইউটিউবের মাধ্যমে আরেক জনের কাছে পৌছে দিতে।

    ইউটিউব মার্কেটিং কীভাবে করবো

    ইউটিউব মার্কেটিং করার দুইটি উপায় রয়েছে

    এগুলো হচ্ছে

     1)  ভিডিও আপ্লোডের মাধ্যমে।

     2) কমেন্ট করার মাধ্যমে।

    ভিডিও আপ্লোডের মাধ্যমে ইউটিউব মার্কেটিং

    আমরা ইউটিউব চ্যানেল অনেকেই খুলতে পারি।এবং ভিডিও আপ্লোড দিতেও পারি।ইউটিউব মার্কেটিং করতে হলে অবশ্যই কেউ একজন আমাদের কাজ দিতে হবে।সুধু সুধু তো আমরা ইউটিউব মার্কেটিং করবনা।তাই যিনি আমাদের কাজ দিবেন তিনি আমাদেরকে তার পণ্য কিংবা প্রতিষ্ঠান কিংবা তার ওয়েবসাইট বা অ্যাপ।যেকোন কিছু একটার ছবি,তার সুবিধা,তা মানুষকে কিভাবে সাহায্য করবে সব দিবে।আপনার কাজ হচ্ছে আপনি তার দেওয়া জিনিসটির রিভিউ অথবা কেউ যদি আপনাদের কোনো  প্রতিষ্ঠান এর মার্কেটিং করতে বলে সেই প্রতিষ্ঠান এর সুবিধা মানুষ এর কাছে তুলে ধরবেন।এছাড়া কিছু প্রতিষ্ঠান আপনাকে বলতে পারে যে তার প্রতিষ্ঠান এর সব পণ্যের মার্কেটিং আপনাকে করতে হবে তাদের যতো পণ্য বাজারে আসবে।এই জন্য আপনি এক কাজ করতে পারেন যে আপনার একটা ইউটিউব চ্যানেল খুলতে পারেন।সেখানে আপনি তাদের সব পণ্যের রিভিউ করবেন।কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তা দেখা জায়না।বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস এ হয় কি ক্লায়েন্ট আপনাকে বলে যে তার একটি পণ্য মানুষ এর কাছে ইউটিউব মার্কেটিং এর মাধ্যমে পৌছে দিতে।তার জন্য আপানারা আপনার একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলতে পারেন যেখানে আপনি সকল ক্লায়েন্ট এর পণ্য রিভিউ করবেন।

    কমেন্ট এর মাধ্যমে ইউটিউব মার্কেটিং

    এইতো গেলো ভিডিও এর মাধ্যমে।এবার বলি কমেন্ট এর মাধ্যমে।আমরা ইউটিউবে সবাই কমেন্ট করতে পারি।আমরা যখন কারো কাছ থেকে ইউটিউব মার্কেটিং এর কাজ পাবো তখন আমরা আমাদের অ্যাকাউন্ট থেকে ইউটিউবে যাবো।তারপর আমাদের যেই পণ্য দেয়া হয়েছে তার সম্পর্কে সার্চ করবো।যেমন: আমদের কেউ যদি একটি কার এর ইউটিউব মার্কেটিং করতে বলে তবে আমরা ইউটিউবে গিয়ে সার্চ করবো “car  buy usa ” ক্লায়েন্ট যেই দেশের অবশ্যই সেই দেশেরই নাম দিয়ে সার্চ করবো।ক্লায়েন্ট যদি কানাডার হয় আমরা সার্চ করবো “car buy canada”.তারপর আমরা একটি ভিডিওতে ক্লিক করে তার কমেন্ট বক্সে কার সম্পর্কে লিখবো।এভাবে প্রত্যেক কারের ভিডিও তে আমরা কার সম্পর্কে লিখবো।তবে সব ভিডিও তে একি কমেন্ট লিখা যাবে না।যদি আমরা এক ভিডিও-র কমেন্ট বক্সে গিয়ে লিখি “এটা ভালো একটা কার” তাহলে অন্য ভিডিও-তে লিখবো “কম দামে ভালো কার।”এভাবে কমেন্ট এর মাধ্যমে ইউটিউব মার্কেটিং করবো।সাথে লিংক-ও দিয়ে দিবো যাতে তারা কিনতে যেতে পারে।

    ইউটিউব মার্কেটিং শিখে কোন কোন মার্কেটপ্লেস এ কাজ পেতে পারেন

    এতক্ষণ তো ইউটিউব মার্কেটিং সম্পর্কে জানলাম।এবার জানি এটা শিখে কাজটা কি।ইউটিউব মার্কেটিং শিখে আমরা বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজ পেতে পারি যা থেকে আমরা ভালো একটা টাকা আয় করতেও পারবো।তবে আমাদের ইংলিশ জানতে হবে।ভালোভাবে না পারলেও কথা বলার মতো হলেও পারতে হবে।নাহলে আপনি ক্লায়েন্ট এর সাথে কথা বলতে পারবেন না।এবার বলি এই কাজ শিখে কোথায় কাজ পাবেন।এই কাজ শিখে আপনি মার্কেটপ্লেসে কাজ পাবেন।যেখানে বিদেশি মানুষ এরা এসে আমাদের কাজ দেয়।মার্কেটপ্লেসের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ফাইবার,আপওয়ার্ক,ফ্রিলেন্সার ইত্যাদি।ফ্রিলেন্সার ডট কম এ এই কাজ খুব কম দেয়া হয়।তাই ফাইবার ও আপওয়ার্ক রয়েছে।আর এদের মধ্যে ফাইবার-ই ভালো।এখানে এই বিষয়ের কাজ ভালো পাওয়া যায়।তাই আপানারা ফাইবারে এখুনি অ্যাকাউন্ট খুলে কাজ শুরু করুন।তবে আরো কিছু কাজ শিখে তারপর।এই সম্পর্কে ইউটিউব আরও অনেক ভিডিও রয়েছে।চাইলে দেখে নিজেকে আরো একটু জালিয়ে নিতে পারে।এতে সুবিধে আপনার হবে।

    Classyart Institute-এ #গ্রাফিক_ডিজাইন ও #আউটসোর্সিং_ফ্রিল্যান্সিং কোর্সে ভর্তি চলছে।

    আপনি অনলাইন বা অফলাইনে এমন কোন ব্যাবসা দেখাতে পারবেন জেখানে কখনো কোন ডিজাইনের প্রয়োজন হয়নি! আমার দেখামতে নেই। আপনি চাইলেই নিজেকে প্রস্তুত করতে পারেন আগামির চ্যালেঞ্জ গ্রহনের জন্য।

     ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয় 

    আপনি নিশ্চয় ২০২১ সালে এসে অনলাইনে আয় করার নিশ্চিত উপায় খুঁজছেন। আবার কেউ কেউ অনলাইন থেকে সহজে আয় করে আয়ের টাকা বিকাশে পেমেন্ট পেতে চাইছেন। অনলাইন থেকে আয় করার নিশ্চিত কিছু উপায় রয়েছে। অনলাইন থেকে আয় করার জন্য শুধুমাত্র আপনার মেধা, শ্রম ও সময়ের প্রয়োজন। আপনি এই তিনটি জিনিস সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে ঘরে বসে মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইন থেকে সহজে টাকা আয় করতে পারবেন। আপনি হয়তো বিষয়টি বিশ্বাস করতে চাইছেন না ! কোন সমস্যা নেই ! আপনাকে উদাহরণের মাধ্যমে দেখিয়ে দেব কিভাবে আপনি ঘরে বসে মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইন থেকে আয় করবেন?
    আপনি একজন ছাত্র, গৃহিনী কিংবা চাকরিজীবী যাই হয়ে থাকেন না কেন, আপনার লেখা-পড়া বা কাজের ফাঁকে কিংবা চাকরির পাশাপাশি অবসর সময়ে ২/৩ ঘন্টা ব্যয় করে মাসে মোটামুটি ভালোমানের স্মার্ট এমাউন্ট অনলাইন থেকে আয় করতে সক্ষম হবেন। এ ক্ষেত্রে আপনার চাকরি কিংবা লেখা পড়ায় কোন ধরনের ব্যাঘাত ঘটবে না। আপনার মূল প্রফেশন ঠিক রেখেও অল্প সময় ব্যয় করে অনলাইন থেকে বাড়তি ‍কিছু টাকা আয় করে নিতে পারবেন।
    আমরা আপনার পড়াশোনা ও দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি অবসর সময়ে কাজ করে প্রতি মাসে ৮০০০ টাকা থেকে ১০০০০ টাকা বাড়তি আয় করার সুবর্ণ সুযোগ করে দিচ্ছি।
    স্কুল কিংবা কলেজ সকল স্তরের ছাত্র-ছাত্রীদের কিছু Extra Pocket Money এর প্রয়োজন হয়। এই অল্প টাকা দিয়েই সে তার নিত্য প্রয়োজনীয় ছোট খাটো সখ এবং প্রয়োজন মিটিয়ে নিতে পারে। তাছাড়া স্বাভাবিকভাবেই এখনকার জেনারেশনের ছাত্রদের Smartphone, Gaming Consoles, Cool Cloths, Internet Bill ইত্যাদি লাগেই। এ গুলো তাদের চলার পথকে আরও Smart এবং সুগম করে। এই ছোট খাটো ব্যাপারগুলো অনেক সময় আপনার ফ্যামিলির কাছ থেকে চেয়ে নিতে পারবেন না। এই জন্য আপনি যদি অল্প সময় ব্যয় করে অনলাইন থেকে কিছু টাকা আয় করে নিজের প্রয়োজন নিজেই মিটাতে পারেন, তাহলে নিজেকে যেমন আত্ম নির্ভরশীল মনে হবে তেমনি প্রয়োজন গুলোও মিটে যাবে। তাছাড়া অনেক গৃহিনী আছেন যাদের বাসায় বসে থাকা ছাড়া কোন কাজই থাকে না। তারা বেশীরভাগ সময় ব্যয় করে ফেসবুকে বন্ধুদের সাথে চ্যাট করে। আপনি অযথা এই সময় ব্যয় না করে যদি নিজের কিছু প্রয়োজন মিঠাতে পারেন বা অল্প আয় করতে পারেন তাহলে দোষের কি ? নিচে অনলাইন থেকে আয় করা সহজ একটি কৌশল দেখাবো, যেখান থেকে আপনিও ইচ্ছা করলে অতিরিক্ত কিছু অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।
    আপনার স্মার্টফোন দিয়ে অনলাইনে আয় করতে পারবেন কি না, সে বিষয়টি শুরুতেই ক্লিয়ার করে দিচ্ছি। অধিকাংশ লোকের কাছে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ না থাকার কারনে অনলাইনে কাজ করতে চায় না। কারণ তারা মনে করে কম্পিউটার ছাড়া মোবাইল ফোন দিয়ে অনলাইন থেকে আয় করা সম্ভব নয়। কম্পিউটার ছাড়াও শুধুমাত্র মোবাইল ফোন দিয়ে বিভিন্ন উপায়ে ঘরে বসে অনলাইনে সহজে আয় করা সম্ভব। আপনার কাছে যদি একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন থাকে তাহলে, সেই স্মার্টফোন দিয়ে আপনি অনলাইন থেকে বেশ কিছু অর্থ আয় করেতে পারবেন। 

    > কোন প্রশিক্ষনের প্রয়োজন নাই।

    > কাজ সুরু করার জন্য কোন বিনিয়োগের প্রয়োজন নাই।

    > কম্পিউটার থাকা আবশ্যক নয়, এন্ড্রয়েড মোবাইল দিয়েও কাজ করতে পারবেন।

    > কাজ করার নির্দিষ্ট সময় নাই, আপনার অবসর সময়ে কাজ করতে পারবেন।

    > কাজ করার জন্য সব ধরনের SOFTWARE এবং VPN আমরা সরবরাহ করব। 

    > আপনার আয় করা টাকা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপনার বিকাশ, রকেট অথবা নগদ অ্যাকাউন্টে দিয়ে দেয়া হবে।

    টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট

     ফেসবুক থেকে অর্থ উপার্জনের উপায়ঃ

    আমরা প্রতিদিন ফেসবুকে নানা কারণে ঢুকে থাকি,ছবিতে লাইক দেই-কমেন্টস করি, নিজের টাইমলাইনে বিভিন্ন পোস্ট শেয়ার করি, বন্ধুদের সাথে ম্যাসেঞ্জারে তুমুল আড্ডা দিই। 

    এসবের পাশাপাশি ২.৩২ বিলিয়ন ইউজার সমৃদ্ধ ফেসবুকে কিন্তু চাইলেই গড়ে তোলা যায় ছোটখাটো একটা অনলাইন স্টার্টআপ। বিভিন্ন ফ্যানপেজ তৈরি করা, ভিডিও বানানো, ফেসবুক গেম ডেভেলপ করা, অনলাইন শপের মত হাজারো পদ্ধতির মাধ্যমেই ফেসবুকও হয়ে উঠতে পারে আপনার আয়ের অনন্য এক উৎস।

    অনলাইনে আয় করার নিশ্চিত উপায় 

    প্রিয় পাঠকবৃন্দ আপনারা অনেকেই জানতে চেয়েছেন অনলাইন থেকে আয় করার নিশ্চিত উপায় গুলো। আর তাই আমরা আমাদের এই পোস্টে অনলাইনে আয় করার নিশ্চিত উপায় নিয়ে আলোচনা করেছি। ফেসবুক থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে আমরা অনলাইনে নিশ্চিত আয় করতে পারি। নিজে আমরা ফেসবুক থেকে কি কি উপায়ে নিশ্চিত আয় করা যায় সেগুলো আলোচনা করেছি। পুরো পোস্টটি আপনার ধৈর্য সহকারে পড়বেন তাহলে জানতে পারবেন যে অনলাইনে আয় করার নিশ্চিত উপায় গুলো।


    মানসম্মত কন্টেন্টসহ একটি ফেসবুক পেজ কিন্তু সহজেই কমবেশি অনেকের নিউজ ফিডেই প্রাধান্য পায়।

    ফেসবুক পেজ থেকে আয়ের জন্য প্রথমেই ফেসবুকে একটি পেজ খুলে নিতে হবে। এক্ষেত্রে আপনার নিজের আগ্রহের পাশাপাশি অন্যদের আগ্রহকেও প্রাধান্য দেয়া উচিত। ফেসবুক পেজ হতে পারে যেকোনো ধরনের। যেমন- ফুড রিভিউ, ট্রাভেল পেজ, নিউজ পোর্টাল কিংবা ট্রেন্ডি কোনো ট্রল পেজ। ট্রল পেজের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে, যেন এটি কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে আঘাত না করে বা কোনো বিতর্ক সৃষ্টি না করে। তাহলে কিন্তু আপনার ফেসবুক থেকে আয়ের উদ্দেশ্যের হিতে বিপরীত হতে পারে !

    একটি ফেসবুকের পেজ মূল অংশ হলো কন্টেন্ট বা বিষয়বস্তু। ফেসবুক ইউজারদের এই বিশাল সংখ্যার কাছে আপনার পেজের গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে কন্টেন্টের উপর। মানসম্মত ও সুন্দরভাবে বর্ণিত যেকোনো কন্টেন্ট ভালো ইউজারদের মাঝে সাড়া জাগাতে অনেকটাই সহায়ক। কন্টেন্ট তৈরি থেকে শুরু করে পরবর্তীতে বেশ কিছু পদক্ষেপ অবলম্বন করতে হবে । যেমন-

    আপনার ফ্যান পেজের জন্য একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট তৈরি করুন। ফেসবুকে পেজের পাশাপাশি একটি ওয়েবসাইট থাকা কিন্তু বেশ কাজের। আপনার কন্টেন্টের বিশদ বর্ণনা থাকবে এসব ওয়েবসাইটে। ওয়েবসাইট তৈরির জন্য আপনি ব্লগস্পট, ওয়ার্ডপ্রেস কিংবা উইবলির সাহায্য নিতে পারেন। ফ্রি ডোমেইনের কিছু সীমাবদ্ধতা থেকে বেরিয়ে আসতে আপনি অল্প কিছু টাকা খরচ করে বানিয়ে নিতে পারেন আপনার নিজেরই একটি ওয়েবসাইট।

     “অ্যাডসেন্স (AdSense)” নামক গুগলের একটি প্রোগ্রাম রয়েছে, যা ওয়েবসাইট থেকে টাকা আয় করার জন্য সাড়া বিশ্বব্যাপী বহুল ব্যবহৃত। অ্যাডসেন্সের কাজ হলো ওয়েবসাইটে বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপনের সরবরাহ করা এবং বিনিময়ে ওয়েবসাইটের পরিচালনাকারীদের একটি নির্দিষ্ট অর্থ দেয়া। প্রায়সময়ই বিভিন্ন ওয়েবসাইটে হাজারো অ্যাড আমাদের নজরে আসে এবং এগুলোই আপনার ওয়েবসাইটে ব্যবহার করতে পারবেন গুগল অ্যাডসেন্স যুক্ত করার মাধ্যমে। এর ফলে আপনি আপনার ফেসবুক পেজের ওয়েবসাইট দিয়ে আয় করা শুরু করতে পারবেন।

    ফেসবুকে পেজে নিয়মিত নিত্যনতুন কন্টেন্ট হালনাগাদ করা অনেক জরুরী। বেশি বেশি কন্টেন্ট আপলোড করলে আপনার পেজ প্রতিনিয়তই নতুন নতুন মানুষের চোখে পড়বে, লাইক-কমেন্ট-শেয়ারের পরিমাণও বাড়তে থাকবে দ্রুতই।

    ফেসবুক থেকে আয়ের ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে, আপনার শেয়ার করা কন্টেন্ট যেন অন্য কোনো আর্টিকেলের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ না হয়। কেননা অনেক ফেসবুক পেজের নিজস্ব কপিরাইট থাকে। অনেক অনেক ক্ষেত্রে রিপোর্ট করার মাধ্যমেও আর্টিকেল চুরির বিষয়টা চোখের সামনে চলে আসে। কন্টেন্ট হুবুহু প্রমাণিত হলে ফেসবুক কতৃপক্ষ সেসব পোস্ট তাৎক্ষনাত সরিয়ে দেয়।

    ফেসবুকে আপনার পেজ তৈরি করা শেষ, শেষ কন্টেন্ট বানানোর কাজও। এবার এগোতে হবে কন্টেন্ট বা পোস্টগুলো বিক্রি করার দিকে। শপসামথিং নামক অনলাইন একটি ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনি আপনার ফেসবুক পোস্ট বিক্রি করতে পারেন। 

    এখানে নিজের একাউন্ট খুলে আপনার ফ্যান পেজের প্রতিটি পোস্টের জন্য নির্দিষ্ট মূল্য ধার্য করে দিতে হবে। আপনাকে নির্দিষ্ট অর্থ দিয়ে এসব পোস্ট ক্রয় করা হবে এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন অ্যাডভারটাইজের জন্য এসব পোস্ট, পোস্টের ছবি ব্যবহার করা হবে। মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে, শুরুতেই অতি চড়া মূল্যের পোস্টে কিন্তু কেউই আগ্রহ দেখাবে না। তাই মাত্রাতিরিক্ত দাম চাওয়া থেকে বিরত থাকাই উত্তম।

    খ) বিজ্ঞাপন

    অ্যাফিলিয়েট অ্যাডভারটাইজিং এর নাম অনেকেই শুনে থাকতে পারেন। অনেকসময় ফেসবুক স্ক্রল করে গেলে নিউজফিডে বিভিন্ন অ্যাড আসে, যার নিচে ছোট্ট করে “স্পনসরড” লেখা থাকে। এটিই হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট অ্যাডভারটাইজিং।

    অ্যাফিলিয়েট অ্যাডভারটাইজিং প্রোগ্রাম খুঁজে নিয়ে এর জন্য সাইন আপ করলে আপনাকে দেয়া হবে অনন্য একটি আইডি, সঙ্গে থাকবে আপনার অ্যাডভারটাইজিং সম্পর্কিত বিভিন্ন বিজনেস ম্যাটেরিয়াল দেয়া হবে। এসব বিভিন্ন ইউজারদের দ্বারা জেনারেটের মাধ্যমে আপনার অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা হতে থাকবে।

    অ্যাফিলিয়েট অ্যাডভারটাইজিং প্রোগ্রামের জন্য আলাদা একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে ফেলুন। মনে রাখতে হবে, প্রতিটি বিজ্ঞাপনের জন্য আলাদা আলাদা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলা উচিত। এর ফলে ইউজাররা নিজেদের পছন্দ মত বিজ্ঞাপন খুঁজে নিতে পারবে আর আপনার আয় করার পুরো কাজটাই দ্রুত সম্পন্ন হবে।

    আপনার বিজ্ঞাপন যতবার মানুষ দেখবে, ততবারই আপনার আয় বাড়তে থাকবে। সুতরাং বিজ্ঞাপনের প্রোমোশনের বিষয়টাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে যেন আপনার পোস্টে ক্লিক করে অ্যাফিলিয়েট থেকে কিছু কেনামাত্র আপনি আয় করা শুরু করতে পারেন।

    গ)ফ্রিল্যান্সিং

    আমরা যারা অনলাইনে আয় করার পদ্ধতি সম্পর্কে খোঁজ-খবর রাখছি, তাদের কাছে ফ্রিল্যান্সিং সবচেয়ে পরিচিত একটা নাম। ফেসবুকের মাধ্যেমেও কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং সম্ভব। 

    ফ্রিল্যান্সিং শুরু করলে সবচেয়ে বড় বাঁধা থাকে কাজ পাওয়া-না পাওয়া নিয়ে। দেখা যায়, অনেক ফ্রিল্যান্সাররা নিজের পছন্দ ও যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ খুঁজে পাচ্ছে না। ফেসবুকে ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে কিছু সক্রিয় গ্রুপ আছে। 

    এসব গ্রুপের মেম্বাররা বিভিন্ন কাজের অপরচুনিটি শেয়ার করে। এর ফলে অনেকেই খুঁজে পেতে পারেন আপনার কাঙ্ক্ষিত গন্তব্য। কন্টেন্ট রাইটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, অনলাইন মার্কেটিং এর মত নানা ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য ফেসবুকে রয়েছে হাজারো গ্রুপ ও পেজ।

    ঘ)অনলাইন প্রতিযোগিতা

    দেশের বড় বড় কোম্পানিগুলো নিজেদের প্রোমোশনের জন্য বিভিন্ন সময়ে আয়োজন করে ফেসবুক ভিত্তিক বিভিন্ন অনলাইন প্রতিযোগিতা। 

    এসব প্রতিযোগিতার মূল উদ্দেশ্য থাকে গ্রাহকদের কাছে তাদের পণ্যের প্রচার। নতুন কোনো ক্যাম্পেইন, পণ্য, মার্কেট প্ল্যানিং এর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ফেসবুককেই বেছে নেয় এসব কোম্পানি। আর এসব প্রতিযোগিতায় পুরষ্কার হিসেবে থাকে বিভিন্ন অঙ্কের অর্থ, পুরষ্কার, কখনো থাকে ইন্টার্নশিপ-চাকরির সুযোগ।

    এসব প্রতিযোগিতার অংশ নিয়ে আপনার কাজ হবে বেশি বেশি লাইক, শেয়ার এবং বন্ধুদেরকে ট্যাগ দেয়া।

    ঙ)ফেসবুক অ্যাপস

    ওয়েব ডিজাইনার, গেম ডেভলপার ও প্রোগ্রামারদের জন্য ফেসবুকে রয়েছে অপার এক সম্ভাবনা। ফেসবুক অ্যাপ তৈরির মাধ্যমে ফেসবুক থেকে উপার্জন সম্ভব। নিজস্ব অ্যাপ তৈরির মাধ্যমেও ফেসবুক থেকে আয় করা সম্ভব। ফেসবুকের জন্য বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করলে সেটির ইউজারদের সংখ্যার উপর আপনার আয় নির্ভরশীল।

    ফেসবুকে গেম চালু হওয়ার শুরু দিকে একটি গেম খুব জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো, নাম ফার্মভিল। ফার্মভিল গেমটির ডেভেলপার ছিল জিংগা (Zynga) নামক একটি কোম্পানি। জেনে রাখা ভালো, জিংগা, রোভিও পপক্যাপ এর মত গেমিং কোম্পানিগুলোর সাহায্যে ফেসবুকের প্ল্যাটফর্মে আপনার ডেভলপ করা গেমগুলো আপলোড করতে পারেন।

    চ)ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সেল করা:

    অনেকদিন ধরে চালানো কোনো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, পেজ ও গ্রুপ সেল করার মাধ্যমে ভালোই আয় করা সম্ভব। একটা সময় অনেকে একের অধিক অ্যাকাউন্ট খুলে রাখতো। 

    কিন্তু বাস্তবতা বলে, একের অধিক অ্যাকাউন্ট চালানো অনেকটাই কষ্টসাধ্য। তবে এখানে প্লাসপয়েন্ট হলো, পুরাতন অ্যাকাউন্ট, পেজের কিন্তু এখন অনেক দাম। কেননা অনেকদিন আগে থেকেই এসব পেজ-গ্রুপের সাথে ইউজাররা পরিচিত হয়ে আছে।

    পাশাপাশি, অনলাইন মার্কেটপ্লেসে এসব পুরাতন অ্যাকাউন্ট-পেজ-গ্রুপের প্রচুর চাহিদা। তাই বেশি সংখ্যক ফলোয়ার, বেশি সংখ্যক লাইক ও অধিক গ্রুপ মেম্বার সমৃদ্ধ যেকোনো কিছু আপনি অন্যদের কাছে বিক্রি করতে পারেন।

    ছ)অনলাইন মার্কেটিং

    অনলাইন মার্কেটিং টাকা আয় করার জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। আজকাল ফেসবুক কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে হাজারো মার্কেটপ্লেস। এসব কিন্তু সাধারণ দশটা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মত নয়। ফেসবুকে ইদানীং কালে ড্রেস, জুয়েলারি, মেকআপ সামগ্রী, হ্যান্ডিক্রাফট, বই ইত্যাদির জন্য হাজারো অনলাইন শপ গড়ে উঠেছে। 

    ফেসবুকে এসব অনলাইন মার্কেটিং পেজ বা গ্রুপে বিভিন্ন পণ্যের ছবি, বিবরণ, সাইজ ও দাম দেয়া থাকে। মেসেজ দিয়ে বা কমেন্টে গ্রাহকেরা তাদের পছন্দমত পণ্য অর্ডার করে। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানে অর্ডার করার সময়ই ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ এর মত অন্যান্য পদ্ধতিতে টাকা পরিশোধ করে দিতে হয়, আবার কিছু প্রতিষ্ঠানে ক্রেতাদের ফরমায়েশ অনুযায়ী যথাসময়ে ডেলিভারির সময়ে টাকা পরিশোধের ব্যবস্থা থাকে। এভাবে ধীরে ধীরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি পরিচিতি পায় এবং টাকা আয় করার রাস্তাটাও সরু থেকে চওড়া হতে শুরু করে। 

    অনলাইন জিনিসপত্র বিক্রির জন্য “ফেসবুক শপ” নামের অসাধারণ একটা অ্যাপ ও রয়েছে। আপনার অনলাইন মার্কেটিং এর ছোটখাটো কোনো ওয়েবসাইট থাকলে আপনি এই অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। এই অ্যাপের ২টি ভার্সনের মধ্যে ফ্রি ভার্সনটি লিমিটেড, অন্যদিকে পেইড ভার্সনে রয়েছে এমন অনেক সুবিধা যা ফ্রি ভার্সনে অনুপস্থিত।

    জ)ফেসবুক ইনফ্লুয়েন্সার

    ফেসবুকে ইনফ্লুয়েন্সার বিষয়টা অনেকটা আধুনিক ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর এর মত। নামকরা কোম্পানিগুলো তাদের ব্যবসা প্রচারণার জন্য স্বনামধন্য ও খ্যাতিমান ব্যক্তিদেরকে তাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে নিযুক্ত করে।

    ফেসবুকে ইনফ্লুয়েন্সার হতে হলে প্রথমেই আপনাকে প্রোফাইলে মানসম্মত কিছু কন্টেন্ট ও যথেষ্ট সংখ্যক ফ্যান-ফলোয়ার থাকতে হবে। এবং অবশ্যই আপনার ফেসবুক এক্টিভিটিতে সার্বিকভাবে ফলোয়ারদের সন্তোষজনক প্রতিক্রিয়া থাকা উচিত। 

    এরপর Hireinfluence, BlogMint, Fromote এর মত ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেট এজেন্সির ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট তথ্য প্রদানের মাধ্যমে আপনার অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। অ্যাকাউন্ট খোলার পরপরই আপনি কোনো এক ব্র্যান্ডের প্রতিটি পোস্টের জন্য নির্দিষ্ট মূল্য নির্ধারণ করবেন এবং পরবর্তীতে ঐসব ব্র্যান্ডের পোস্ট প্রচার করার মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারবেন।

    ঝ)ফেসবুকে ক্রয়-বিক্রয়

    বাসায় অব্যবহৃত একটি ফোন পড়ে আছে? সময়ের অভাবে আপনার প্লেস্টেশনটি চালানো হচ্ছেনা? পুরাতন ডিজিটাল ক্যামেরাটা বিক্রি করে নতুন একটি ডিএসএলআর কিনতে ইচ্ছুক? এরকম হাজারো খুঁটিনাটি জিনিস কিন্তু আমরা চাইলেই ফেসবুকের মাধ্যমে বিক্রি করে দিতে পারি। 

    ফেসবুকে কেনাবেচার (Buy and Sell) এর অসংখ্য গ্রুপ রয়েছে। কোনো কোনো গ্রুপ নির্দিষ্ট পণ্য কেনাবেচার জন্য, আবার কোনোটিতে পণ্য বিক্রি সম্পর্কে ধরাবাঁধা কোনো নিয়ম নেই। এসব গ্রুপে আপনার অব্যবহৃত যেকোনো পণ্যের জন্য সহজেই সঠিক ক্রেতা খুঁজে পেতে পারেন। 

    তবে অনলাইনে এসব ক্রয় বিক্রয়ের সময় সতর্ক থাকতে হয়, যেকোনো লেনদেনের পূর্বে ক্রেতা সম্পর্কিত সকল ধরণের তথ্য নিশ্চিত করতে হবে, একইসাথে নিশ্চিত করতে হবে টাকা আদান-প্রদানের সুরক্ষিত মাধ্যমও।

    পৃথিবীজুড়ে সার্বজনীন গ্রহণযোগ্যতাই ফেসবুককে গড়ে তুলেছে আয় করার সহজ ও দ্রুত একটি মাধ্যম হিসেবে। সামান্য মেধা, সঙ্গে ঘড়ির একটু সময় দিলেই ফেসবুক হয়ে উঠতে পারে আপনার আয় করার প্রধান মাধ্যম।

    শুধুমাত্র চ্যাটিং আর লাইক-কমেন্টের বেড়াজালে আটকে না থাকে আপনি ঘরে বসেই ফেসবুকে শুরু করতে দিতে পারেন আপনার আয়ের নতুন পরিকল্পনা।

    Tag:বিটকয়েন আয় , মোবাইলে ডাটা এন্ট্রি করে আয়, ইউটিউব থেকে আয় করবেন যেভাবে , ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয়, টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট, অনলাইনে আয় করার উপায়, অনলাইনে আয় করার নিশ্চিত উপায় 


    0/Post a Comment/Comments

    Previous Post Next Post
    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন
    chrome-extension://oilhmgfpengfpkkliokdbjjhiikehfoo/img/semstorm-32.png