ক্যাপচা এন্ট্রি করে আয় করুন | দারাজ থেকেও ভিডিও দেখে ডলারের ইনকাম | ইন্টারনেটে কিভাবে আয় করা যায়

ক্যাপচা এন্ট্রি করে আয় করুন | দারাজ থেকেও ভিডিও দেখে ডলারের ইনকাম | ইন্টারনেটে কিভাবে আয় করা যায়

 

কম্পিউটার দিয়ে টাকা ইনকাম, কিভাবে ইন্টারনেটে আয় করা যায়, ক্যাপচা এন্ট্রি করে  আয় করুন, দারাজ থেকে আয় , ভিডিও দেখে ডলার ইনকাম, কিভাবে ইনকাম করা যায়

    কিভাবে ইনকাম করা যায় 

    টাইম অফ বিডির পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই শুভেচ্ছা এবং সালাম আসসালামু আলাইকুম রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আপনারা সবাই কেমন আছেন ? আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আপনারা অনেকেই হয়ত জানেননা ফেসবুক এবং অনলাইন থেকে বিভিন্ন উপায়ে টাকা ইনকাম করা যায়। আর তাই আজকে আমাদের পোস্টে আমরা এগুলো সম্পর্কে আলোচনা করব।আমাদের আজকের এই পোষ্ট টি তৈরি করা হয়েছে কিভাবে অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায় এর সম্পর্কে । আমাদের আজকের এই পোস্টের যা যা থাকছে সেগুলো হলোকম্পিউটার দিয়ে টাকা ইনকাম, কিভাবে ইন্টারনেটে আয় করা যায়, ক্যাপচা এন্ট্রি করে  আয় করুন, দারাজ থেকে আয় , ভিডিও দেখে ডলার ইনকাম, কিভাবে ইনকাম করা যায় ।  আশা করি আপনারাাা ধৈর্য্য সরকারের পুরো পোস্টটি পড়বেন এবং সঠিক তথ্যটি পাবেন।

    কম্পিউটার দিয়ে টাকা ইনকাম

    প্রিয় পাঠকবৃন্দ আপনারা অনেকেই জানতে চেয়েছেন কম্পিউটার দিয়ে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়।অনলাইনে কাজ করার জন্য কম্পিউটার সবচেয়ে ভালো।তবে অনেক কাজই স্মার্ট ফোন দ্বারা করা যায়।তবে ফ্রিল্যান্সিং করার ক্ষেত্রে কম্পিউটারের প্রয়োজন হয় কম্পিউটার ছাড়া ফ্রিল্যান্সিং করা যায় না। আর তাই কম্পিউটার নিয়ে আজকে আমাদের পোষ্ট টি তৈরি করেছি আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।

    যে কোন কম্পিউটার হলেই চলবে । আজ থেকে ২০ বছর পুরাতন ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ দিয়েই অনেক ভালভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যাবে । তবে মেবাইল দিয়ে কোনভাবেই করা যাবে না । 

    আপনার বাজেট যদি ভাল থাকে তাহলে ৩৫ হাজার টাকার মধ্যে সম্পূর্ণ নতুন ল্যাপটপ পাবেন । বাজেট কম থাকলে সেইম কম্পিউটার বিক্রয় ডট কম বা পুরাতন কম্পিউটারের দোকান থেকে মাত্র ১০/ ১৫ হাজার টাকায় পাবেন ।  

    যদি বাজেট একদমই কম থাকে তাহলে মাত্র ৩/৪ হাজার টাকা দিয়ে পুরাতন ডুয়েল কোরের বড় ডেক্সটপ কম্পিউটার পাবেন, মনিটর সহ । সেটা দিয়েই আপনি আপাতত কাজ শুরু করতে পারবেন । তারপর ফ্রিল্যন্সিং এর ইনকাম দিয়েই নতুন ল্যাপটপ কিনতে পারবেন । 

    আপনার কম্পিউটার কত দামী বা কত আপডেটেড তাতে কিছুই যায় আসে না । বায়ার দেখবে আপনি কাজ জানেন কিনা । 

    যতদিন বায়ার আপনাকে ৩০/৪০ হাজার টাকা বেতন দিবে ততদিন আপনাকে খুবই সাধারণ কাজগুলোই করতে হবে যেটা যে কোন পুরাতন ও কম পাওয়ারের ল্যাপটপ দিয়েই করতে পারবেন ।

     কিন্ত যখন আপনাকে বায়ার ৫০ হাজার টাকার বেশী সেলারী দিবে তখনই আপনার ভাল মানের কম্পউটার লাগবে । 

    ল্যাপটপ ভাল হবে নাকি ডেস্কটপ: ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য ল্যাপটপ বেটার । কারণ ক্যারি করতে পারবেন এবং পাওয়ার ব্যাকআপ পাবেন । 

    তারপরও আমি একটা কনফিগারেশন বলছি : 

     Ram 4 GB, HDD: 500 GB, Processor: Core i3, Any Generation. কিন্তু এর চাইতে অনেক কম পাওয়ারের হলেও সমস্যা নেই ।

    যা আছে তা দিয়েই যুদ্ধ শুরু করতে হবে । আর জয়ের জন্য অস্ত্রের চাইতেও বেশী গুরুত্বপূর্ণ হল কৌশল ।

     কিভাবে ইন্টারনেটে আয় করা যায় 

    ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য গ্রাফিক ডিজাইন কিভাবে শিখবেন...

    ইন্টারনেটের মাধ্যমে গ্রাফিক ডিজাইন কাজ একটি বড় কাজের যায়গা। হিসেব যেহেতু ডলারে এবং অল্প কাজ করেই এভাবে হাজার ডলার আয় করা সম্ভব। টাকার হিসেবে পরিমানটা যথেষ্ট। যারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে গ্রাফিক ডিজাইন পেশায় যেতে চান তাদের প্রথম প্রশ্ন, কিভাবে শিখব ?

    এখানে শেখার সম্ভাব্য পথগুলি সম্পর্কে ধারনা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    প্রথমেই একটা বিষয় পরিস্কার করে নেয়া ভাল। ইন্টারনেটে কাজ পাওয়ার জন্য আপনাকে প্রতিযোগিতা করতে হবে সারা বিশ্বের ডিজাইনারদের সাথে। প্রায় সব দেশেই একজন শিক্ষার্থী গ্রাফিক ডিজাইনে বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রী নিতে পারেন। বাংলাদেশে এধরনের ব্যবস্থা নেই। এছাড়া শিক্ষাকে একাডেমিক এবং প্রফেশনাল এই দুভাগে ভাগ করা হয়। বাংলাদেশে প্রফেশনাল ডিগ্রী বলে কোন বিষয় নেই। অর্থতি গ্রাফিক ডিজাইন শেখার জন্য প্রচলিত শিক্ষা প্রতিস্ঠানে যেমন ব্যবস্থা নেই তেমনি দীর্ঘমেয়াদী ট্রেনিং নেয়ার ব্যবস্থাও নেই। ট্রেনিং সেন্টার নামে যে ব্যবস্থা আছে সেখানে যারা শেখান তাদের অনেকেই ডিজাইনের মুল নিয়ম জানা প্রয়োজন বোধ করেন না। কাজেই তিনি শেখান কি করিলে কি হয় পদ্ধতিতে। তারকাছে কাজ শিখেই সরাসরি কাজ করার আশা করতে পারেন না।

    গ্রাফিক ডিজাইন শেখার জন্য কি শেখা প্রয়োজন সেটা আগে জানা প্রয়োজন। একজন শিল্পীকে কয়েক বছর পড়াশোনা করে ছবি আকা শিখতে হয়। এই দীর্ঘ সময়ে তাকে শেখানো হয় রং কি, রেখা কি। কিভাবে একাধিক রঙের মিশ্রনে বিশেষ রং পাওয়া যায়। এই বিষয়গুলি বিজ্ঞান। ডিজিটাল ডিজাইনের ক্ষেত্রে কারিগরী বিষয় আরো বেশি গুরুত্বপুর্ন। ডিসপ্লেতে রং কিভাবে কাজ করে, কাগজে প্রিন্ট করার সময় কিভাবে কাজ করে, ইন্টারনেটে কিভাবে কাজ করে এবিষয়ে ভাল জ্ঞান না থাকলে আপনি ভাল ডিজাইনার হতে পারেন না। সেইসাথে বিভিন্ন ধরনের ইমেজ ফরম্যাট, তাদের সুবিধে-অসুবিধে, বিভিন্ন সফটঅয়্যার এবং ডিভাইস সম্পর্কে স্পষ্ট জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। শেখার প্রথম ধাপ পুরোপুরি তত্ত্ব। কোন টুল ব্যবহার করে কিভাবে কাজ করতে সেটা পরবর্তী ধাপ। এই প্রথম ধাপটিই সাধারনত এড়িয়ে যাওয়া হয়। ফলে যিনি শেখেন তিনি নিজেকে ডিজাইনার মনে করছেন অথচ ক্লায়েন্ট কেন তার কাজ পছন্দ করছেন না সেটা বুঝছেন না।

    কাজেই বাংলাদেশ থেকে কেউ যখন বলেন কিভাবে শিখব তার উত্তর দেয়া কঠিন। সবচেয়ে ভাল হয় যদি কোন প্রতিস্ঠানের সহায়তা পান। প্রাথমিক বিষয়গুলি অল্প সময়ে শিখে নেয়া যায়। যদি নিজে বই পড়ে শিখতে হয় তাহলে অনেক বেশি সময় প্রয়োজন। আবার অনেকে ধরে নেয় ট্রেনিং যখন নিচ্ছি তখন আর বইপত্র পড়া প্রয়োজন কি। এই মনোভাব নিয়ে কখনও ভাল গ্রাফিক ডিজাইনার হবেন না।

    ভাল গ্রাফিক ডিজাইনার হওয়ার জন্য অবশ্যই পড়াশোনা করতে হবে। বর্তমানে পড়াশোনার সুযোগ অনেক বেশি। ইন্টারনেটে খোজ করলে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য পাওয়া যায়, বিনামুল্যে বই ডাউনলোড করা যায়।

    সেইসাথে কারো সহযোগিতা পেলে কাজ সহজ হয় অনেকটাই। কোন প্রতিস্ঠান বা অভিজ্ঞ কোন ব্যক্তি। এরসাথে খরচের বিষয় রয়েছে। আপনি যে বিষয়কে বাকি জীবনের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবেন সেজন্য খরচ করাটাই কি যৌক্তিক না।

    ইউনিভার্সিটি থেকে একটা ডিগ্রী নিলে কিছু একটা চাকরী পাওয়া যাবে একতা ভোলার সময় হয়েছে অনেক আগেই। আশ্চর্যজনকভাবে এখনও অধিকাংশ ছাত্র এই নিয়মেই চলতে অভ্যস্থ। আশা করেন অলৌকিক কিছু ঘটে যাবে, ভাল একটা চাকরী জুটে যাবে। বাস্তবতা হচ্ছে মানুষ ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী নিয়ে সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে কাজ করছে, এমবিএ ডিগ্রী নিয়ে ব্যাংকের কেরানী হচ্ছে। কারন একটাই, শিক্ষা প্রতিস্ঠানের শিক্ষা এবং বাস্তব কাজের সমম্বয় না থাকা।

    আপনি এই ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে পারেন না। যা পারেন তা হচ্ছে নিজেকে নিরাপদ রাখতে যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করা। বাস্তবে যা করতে হবে সেটা শেখার দিকে দৃষ্টি দেয়া। গ্রাফিক ডিজাইন যদি শিখতেই হয় ভালভাবে শিখুন, অথবা মাথা থেকে সহজে টাকা আয়ের চিন্তা বাদ দিন।

    ক্যাপচা এন্ট্রি করে  আয় করুন

    প্রিয় পাঠকবৃন্দ আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন না ক্যাপচা এন্ট্রি করে কিভাবে আয় করতে হয় আর তার জন্য আজকে আমাদের পোস্টটি তৈরি করা হয়েছে।আমাদের এই পোস্টটি পড়লে আপনারা পুরো বিষয়টি জানতে পারবেন যে কিভাবে ক্যাপচা এন্ট্রি করে আয় করতে হয়।

    2captcha থেকে আয় করুন, ডাটা এন্ট্রি কাজ করে আপনার হাতে গতি যদি মোটামোটি মানের হয় তাহলে এখান অনলাইনে ক্যাপচা এন্ট্রির কাজ করে মাসে ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকা অনায়াসে আয় করতে পারবেন। আপনাকে ১০০০ ক্যাপচা এন্টির টাইপ করার জন্য ১ ডলার দেওয়া হবে। আপনি ইচ্ছ করলে দিনে ২ থেকে ৩ ডলার আয় করতে পারবেন। আপনি ইচ্ছ করলে প্রতিমিনিটে কমপকক্ষে ৫টি ক্যাপচা পূরন করতে পারবেন। এভাবে আপনি ১ ঘন্টায় প্রায় ৩০০ ক্যাপচা পূরন করতে পারবেন। আর ১ ডলার হলেই আপনার পেইজা একাউন্টে টাকা পাঠাতে পারবেন। ক্যাপচা এন্ট্রির সাইটে কাজ করলেই আপনি নিশ্চিত টাকা তুলতে পারবেন।৷ https://2captcha.com?from=10938508

     দারাজ থেকে আয়

    আপনি দারাজ থেকে আয় করতে পারবেন এবং আপনার পণ্য দারাজে বিক্রি করতে পারবেন।দারাজ এখন আলীবাবার অধীনস্থ কোম্পানি। এই আলীবাবা কি, আসুন একটু জানি। 

    আলিবাবা প্রতিষ্ঠানটির নামকরন আরব্য রজনী-র আলীবাবা চরিত্র থেকে করা হয়, কেননা এটি বিশ্বব্যাপি সমাদৃত।

    তবে এই আলিবাবা চীন দেশি।মালিক জ্যাক মা নিজের পরিশ্রম, বুদ্ধি ও হার না মানা মনোভাবের জোরে নিজেই বিলিয়নার হয়ে গেছেন।

    আালিবাবা বিশ্বের শীর্ষ ১০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি। জানুয়ারি ২০১৮,আলিবাবা দ্বিতীয় এশিয়ান কোম্পানি হিসেবে ৫০০ বিলিয়ন মার্কেট মূল্য অতিক্রম করে। আলিবাবা এখন বিশ্বের নবম মূল্যবান ব্যান্ড।দুইশত দেশে সেবা প্রদানকারী আলিবাবা এখন বিশ্বের বড় খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান। ফোর্বস গ্লোবাল ২০০০ -এর ২০২০-র সূচকে সংস্থাটি ৩১তম স্থানে , চৈনিক সংস্থাগুলোর মধ্যে ৮ম স্থানে রয়েছে।

    আলিবাবা একটি বহুজাতিক ই-কমার্স, পাইকারি, ইন্টারনেট, প্রযুক্তি বিক্রয়কারী কোম্পানি যেটি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা ও পেং লেই।

    সদরদপ্তর অবস্হিত হাংচৌ, চচিয়াং, পূর্ব চীন, চীন।

    বাণিজ্য অঞ্চল বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত। 

    এটি ক্রেতা-ক্রেতা,ব্যবসায়ী-ক্রেতা,ব্যবসায়ী-ব্যবসায়ী পন্য ক্রয় বিক্রয় ওয়েব পোর্টাল এর মাধ্যমে সেবা প্রদান করে থাকে।পণ্যসমূহ হলো অনলাইন বিক্রয় , ই-কমার্স।

    পরিষেবাসমূহ হলো আলিবাবা ক্লাউড, আলিএক্সপ্রেস, আলীওএস, আলীপে, তাওবাও, টিমল, পেটিএম।

    ২০১৮ সালের মে মাসে চীনা কোম্পানি আলিবাবা গ্রুপ দারাজ বাংলাদেশকে কিনে নেয়।

    আলিবাবা বাংলাদেশে প্রবেশে লাভবান হচ্ছেন দেশীয় পণ্য উৎপাদনকারীরা। তাদের পণ্য বিশ্বব্যাপী বিক্রয়ের ভাল মাধ্যম হতে পারে আলিবাবা।

    এছাড়া দারাজ থেকে ইনকাম করার জন্য আপনাকে দারাজ এফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ জয়েন করতে হবে দারাজ আপনাকে 9 পারসেন্ট কমিশন দেবে তাদের যেকোনো একটি প্রোডাক্ট বিক্রি করে দেওয়ার মাধ্যমে।দারাজ থেকে পেমেন্ট নেওয়ার জন্য আপনি সরাসরি ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারবেন। বাংলাদেশের যেকোন ব্যাংক একাউন্টে আপনার দারাজ থেকে পেমেন্ট রিসিভ করতে পারবেন।

     ভিডিও দেখে ডলার ইনকাম 

    এখন মোবাইল দিয়ে ভিডিও দেখে ইনকাম করতে পারবেন।আর gram free ওয়েবসাইট এর ভিতরে গিয়ে ভিডিও দেখে প্রতি ভিডিও(.1)গ্রাম,

    free,Smart contractsথেকে 1 gram পাবেনএবং প্রতি রেফারে পাবেন 3 গ্রাম।প্রথম বার এই লিংকে গিয়ে গুগল/ফেসবুক দিয়ে সাইন আপ করলে পাবেন 5 গ্রাম।

    1 gram=3.4$ডলার।https://GramFree.cc/?r=13798206

    Tag:কম্পিউটার দিয়ে টাকা ইনকাম, কিভাবে ইন্টারনেটে আয় করা যায়, ক্যাপচা এন্ট্রি করে  আয় করুন, দারাজ থেকে আয় , ভিডিও দেখে ডলার ইনকাম, কিভাবে ইনকাম করা যায় 

    0/Post a Comment/Comments

    Previous Post Next Post
    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন
    chrome-extension://oilhmgfpengfpkkliokdbjjhiikehfoo/img/semstorm-32.png