অনলাইনে ইনকাম সাইট ২০২১ | লুডু গেম খেলে বিকাশে পেমেন্ট ইনকাম | আনলিমিটেড বিটকয়েন আয়

অনলাইনে ইনকাম সাইট ২০২১ | লুডু গেম খেলে বিকাশে পেমেন্ট ইনকাম | আনলিমিটেড বিটকয়েন আয়

 

অনলাইনে টাকা আয় করার অ্যাপ, online টাকা আয় করার উপায় , লুডু গেম খেলে টাকা আয়, অনলাইনে ইনকাম সাইট ২০২১, আনলিমিটেড বিটকয়েন আয়, টাকা উপার্জন করার উপায়, বিকাশে পেমেন্ট ইনকাম।


    টাকা উপার্জন করার উপায়

    টাইম অফ বিডির পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই শুভেচ্ছা এবং সালাম আসসালামু আলাইকুম রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আপনারা সবাই কেমন আছেন ? আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আপনারা অনেকেই হয়ত জানেননা ফেসবুক এবং অনলাইন থেকে বিভিন্ন উপায়ে টাকা ইনকাম করা যায়। আর তাই আজকে আমাদের পোস্টে আমরা এগুলো সম্পর্কে আলোচনা করব।আমাদের আজকের এই পোষ্ট টি তৈরি করা হয়েছে কিভাবে অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায় এর সম্পর্কে । আমাদের আজকের এই পোস্টের যা যা থাকছে সেগুলো হলোঅনলাইনে টাকা আয় করার অ্যাপ, online টাকা আয় করার উপায় , লুডু গেম খেলে টাকা আয়, অনলাইনে ইনকাম সাইট ২০২১, আনলিমিটেড বিটকয়েন আয়, টাকা উপার্জন করার উপায়, বিকাশে পেমেন্ট ইনকাম। । আশা করি আপনারা পুরো পোস্টটি ধৈর্য্য সহকারেেেেেে পড়বেন এবং সঠিক তথ্যটি পাবেন।

    অনলাইনে টাকা আয় করার অ্যাপ

    প্রিয় পাঠকবৃন্দ আপনারা অনেকেই জানতে চেয়েছেন অনলাইনে টাকা আয় করার অ্যাপ সম্পর্কে।আকাশকে আমরা আমাদের পোস্টটি তৈরি করেছি কিভাবে অনলাইনে আপনি একটি অ্যাপের মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারেন।যে অ্যাপের মাধ্যমে আমরা অনলাইন থেকে টাকা আয় করতে পারেন সেই অ্যাপটি হল রিং আইডি অ্যাপ।আশা করি আপনারা পুরো পোস্টটি ধৈর্য্য সহকারে পড়বেন তাহলেই বুঝতে পারবেন যে কিভাবে অনলাইনে রিং আইডি অ্যাপ থেকে টাকা আয় করতে পারেন।

    Ring ID... প্রতি একাউন্ট এ ৫০ টাকা। 

    আপনারা যারা যারা এখনো Ring ID App এ একাউন্ট করেননি দ্রুত একাউন্ট করে নেন। আর পাবেন প্রতি একাউন্টে 50 টাকা এবং 3 ringbit ((রিং আইডি কোম্পানির শেয়ার।যার প্রতিটার

    একাউন্ট করার নিয়মঃ

    ১:প্রথমে আপনারা Play Store থেকে (Ring id) App টা ডাউনলোড করে নেবেন & অ্যাপ টা ওপেন করুন।

    ২: তারপর আপনার মোবাইল নাম্বার দিন,

    আপনার সিমে একটা চার সংখ্যার কোড যাবে। পিন কোড

    টা বসিয়ে দিবেন।

    ৩: তারপর আপনার নাম দিন

    ৪: তারপর পাসওয়ার্ড দিতে বলবে SKiP করবেন।

    ৫:তারপর আপনাকে রেফার কোড দিতে বলবে Add Reffer এ এই কোড 15960962টা দিবেন ,

    দিয়ে Refar now click করবেন এবং সাথে সাথেই 50 TK bonus and 3 ringbit পাবেন।আর আমি পাবো ২০ tk.তাই আপনি ও কিছু ইনকাম করুন এবং আমাকেও কিছু করিয়ে দিন

    রেফার কোড: 15960962

    আর এই এপসে নেই বলে কোনো শব্দ নেই। সব কিছুই আছে এই এপসে।

    টিভি চেনেল, মার্কেটপ্লেস,ইনভেস্ট­­মেন্ট এবং লাইভ এন্টারটেইনিং তো আছেই।

    দেরি না করে এখনই ইন্সটল করুন রিং আইডি এপস।

     online টাকা আয় করার উপায়

    বর্তমান সময়ে অনলাইন থেকে অর্থোপার্জনের জনপ্রিয় আর কার্যকর উপায়গুলোর মধ্যে ব্লগ অন্যতম। ব্লগ লিখে আয় করা তুলনামূলক সহজ আর দীর্ঘস্থায়ী। মানে আপনি ব্লগ লিখে রেখে দিলে সেটা থেকে আয় হতে থাকবে।

    এমন অনেকে আছেন, যারা ব্লগিং শুরু করতে চান৷ আমার আজকের এই পোস্ট মূলত তাদের জন্যই। এই পোস্টে আমি আলোচনা করব ব্লগিং শুরু করার ক্ষেত্রে করণীয় বিষয়সমূহ নিয়ে৷ চলুন তবে, শুরু করা যাক।

    • বিষয় নির্বাচন করা।

    স্বাভাবিকভাবেই আমরা সকল বিষয়ে সমান জ্ঞান বা ধারণা রাখি না৷ কোনো বিষয়ে আমাদের ধারণা কম, কোনোটাতে বেশি৷ আমি আপনাকে উপদেশ দিব ব্লগের বিষয় নির্বাচন করার ক্ষেত্রে আপনি যে বিষয়ে তুলনামূলক বেশি ধারণা রাখেন, সেই বিষয়টাকে নির্বাচন করতে।

    এতে করে আপনি তুলনামূলক ভালো লিখতে পারবেন।

    যেমন আপনি হয়তো খুব বেশি বই পড়েন, বিভিন্ন লেখকের বই সম্পর্কে আপনার বেশ ভালো ধারণা আছে। এবার আপনি চাইলে বই বিষয়ে ব্লগ লিখতে পারেন। যদি বই বিষয়ে ব্লগ লিখেন তো অন্য বিষয়গুলোর তুলনায় ভালো লিখতে পারবেন।

    তবে বিষয় বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আপনাকে বিবেচনায় রাখতে হবে, 'যে বিষয় আপনি বাছাই করলেন সেই বিষয়ে আগ্রহী মানুষের সংখ্যা কেমন'৷ এখন যদি আপনি এমন কোনো বিষয় যদি বাছাই করেন, যে বিষয়ে মানুষ একেবারেই আগ্রহী না, তবে আপনি লিখবেন কিন্তু পাঠক পাবেন না৷

    তাছাড়া ব্লগ থেকে কি পরিমাণ অর্থ উপার্জন হবে, তার কিছুটা নির্ভর করে ব্লগের বিষয়ের উপর। তাই বিষয় বাছাইয়ের আগে কোন বিষয়গুলোতে আয় বেশি এটা আপনি জেনে নিতে পারেন। অবশ্য যে বিষয়গুলোতে আয় বেশি হয়, ও-ই বিষয়গুলোতে প্রতিযোগিতা'ও হবে বেশি।

    • ব্লগ থেকে অর্থোপার্জনের উপায়গুলো সম্পর্কে ধারণা লাভ করা৷

    আমি আমার এই লেখাটির শুরুর দিকেই উল্লেখ করেছি ব্লগ থেকে অর্থোপার্জনের বিষয়টা। যেহেতু আমাদের উদ্দেশ্য ব্লগ থেকে অর্থ উপার্জন করা, তাই অর্থোপার্জনের পদ্ধতি গুলো জানতে হবে।

    এতে করে আপনি যেকোনো একটা বা একাধিক পদ্ধতি বাছাই করে সেই লক্ষ্যে কাজ করতে পারবেন আর একইসাথে অনুপ্রেরণা পাবেন৷ অর্থ উপার্জনের রাস্তা জানা না থাকলে কাজ করতে'ও আপনি আগ্রহবোধ করবেন না৷

    যদিও আমাদের দেশের অধিকাংশ ব্লগার শুধুমাত্র গুগল অ্যাডসেন্স'কে ব্লগ থেকে অর্থ উপার্জনের জন্য ব্যবহার করছে, তবে গুগল অ্যাডসেন্স ব্যাতীত'ও অনেক উপায় আছে আয়ের। এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার ব্লগ'কে জনপ্রিয় করে তুলতে হবে।

    • গুছিয়ে লিখতে শেখা।

    আমরা প্রত্যেকে টুকটাক লিখতে জানি৷ হোক বাংলায় বা ইংরেজিতে। কিন্তু ব্লগের জন্য এতটুকু যথেষ্ট নয়৷ আপনাকে যেকোনো একটি ভাষায় ভালো লিখতে জানতে হবে। 

    সাধারণত আমরা খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে নিই, কোনো ব্লগ পড়ব কি-না। আপনি ব্লগে কি লিখেছেন তার থেকে'ও বেশি গুরুত্বপূর্ণ কতটা গুছিয়ে লিখেছেন বা কিভাবে উপস্থাপন করেছেন।

    আপনার গুছানো লেখা ব্লগে ভিজিটর ধরে রাখতে আর বাউন্স রেট কমাতে সহায়তা করে। সাধারণত কোনো ভিজিটর যখন ব্লগে প্রবেশ করে তাৎক্ষণিক সময়ের মধ্যে বের হয়ে যায়, তখন বাউন্স রেট বৃদ্ধি পায়।

    ব্লগকে সঠিকভাবে উপস্থাপনের জন্য ক্যাটাগরি উল্লেখ করতে পারেন৷ প্রয়োজনীয় অংশে ছবি আর লিংকের ব্যবহার করতে পারেন৷ তবে ছবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ছবির সাইজ বুঝে ব্যবহার করা উচিৎ।

    আর গুছিয়ে লিখার জন্য চার থেকে ছয় লাইন পরপর ফাঁকা রাখা যেতে পারে। বিশেষ শব্দ বা বাক্যগুলোতে অন্যকোনো কালার ব্যবহার করা বা বোল্ড করে দেয়া যেতে পারে, যেন সহজে চোখে পড়ে। একইসাথে বাক্যের গঠিনের প্রতি মনযোগী হতে হবে, শব্দ যেন নির্ভুল হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

    • প্রয়োজনীয় ছবির উৎস খোঁজা।

    আপনার লেখাকে সঠিকভাবে উপস্থাপনের জন্য ব্লগে ছবির ব্যবহার করতে হবে। স্বাভাবিকভাবেই আপনি একা সবগুলো ছবি তুলতে বা তৈরি করতে পারবেন না৷ আবার চাইলেই গুগল থেকে ডাউনলোড করে ব্লগে ছবি ব্যবহার করতে পারবেন না৷

    এমন বেশকিছু ওয়েবসাইট আছে, যেগুলো থেকে বিনামূল্যে কপিরাইট ফ্রি ছবি ডাউনলোড করা যায়। আপনি চাইলে এই ওয়েবসাইট গুলো থেকে প্রয়োজনীয় ছবি খুঁজে নিয়ে ব্যবহার করতে পারবেন৷ এরকম কিছু ওয়েবসাইট হলো:

    1. Unsplash,

    2. Pixabay,

    3. Pexels,

    4. Freeimages and

    5. Freepik.

    আবার এমনকিছু ওয়েবসাইট আছে, যেগুলো থেকে আপনি টাকা খরচ করে কপিরাইট ফ্রি ছবি ডাউনলোড করতে পারবেন। যেমন:

    1. Gettyimages,

    2. Istockphoto and

    3. Shutterstock.

    সবসময় মনে রাখবেন, প্রতিটা লেখা সুন্দর হওয়া উচিত। যেন মানুষ আপনার লেখা পড়ে আনন্দ পায়। কেউই বিরক্তিকর কোনকিছু পড়তে চায় না, আপনি লেখার মাধ্যমে মানুষকে আনন্দ না দিতে পারলে পাঠক ধরে রাখতে পারবেন না।

     লুডু গেম খেলে টাকা আয়

    লুডু খেলা বাংলাদেশে অন্যতম জনপ্রিয় বোর্ড গেম হিসেবে বিবেচিত। ঘরে ঘরে অবসর সময়ে লুডু খেলা হত বোর্ড বিছিয়ে। ডিজিটাল যুগে আজ লুডু খেলা আমাদের হাতের মুঠোফোনে, যখন তখন যেখানে সেখানে অবসর সময়ে লুডুর গুটি চলছে ছক্কা ঘুরছে।

    আমাদের মাঝে চলে এল "লুডু ছক্কা " আপ্পস, এখন ঘরে বসে অথবা যেখানে সেখানে বসে লুডু খেলে টাকা উপার্জন করা যাবে।

    প্রতিদিন লুডু খেলে ৫০০-১০০০ টাকা উপার্জন করতে পারবেন এই আপ্সটির মাধ্যমে।

    আপনি আপনার বন্ধু, পরিবার এবং অনলাইন বন্ধুদের সাথে এই গেমটি খেলতে পারেন।

     "লুডু ছক্কা" সবচেয়ে আকর্ষণীয় খেলা এবং এটি রিয়েল-টাইমে অর্থ উপার্জনের সুযোগ দেয় এবং তাত্ক্ষণিকভাবে প্রত্যাহারের অফার দেয়।

    কীভাবে নগদ উপার্জন করবেন

     খেলোয়াড়ের জন্য লুডু ছক্কা গেমের সাথে একটি অ্যাকাউন্ট খোলার প্রয়োজন।

     আপনি একবার গেমটিতে সাইন আপ করার পরে, ব্যবহারকারীর কৌশল গেম লুডু খেলতে কয়েন কিনতে হবে।

     অর্থ উপার্জনের জন্য, খেলোয়াড়কে গেমটি খেলতে টেবিল চয়ন করতে হবে।

     রিয়েল টাইম খেলোয়াড়দের মধ্যে আপনার দক্ষতা প্রদর্শন করুন এবং খেলতে শুরু করুন।

     আপনি যখন গেমটি জিতবেন, আপনার আয়ের কয়েনগুলি অনলাইন পেমেন্ট স্কিল, নেটেলার, বিটকয়েন, পারফেক্ট মানি,পেটিএম, বিকাশ,নগদ এর মাধ্যমে নিতে পারবেন।

    তাই দেরি না করে গেমটি শুরু করেন এবং আপনার ভাগ্যকে এগিয়ে নিয়ে যান সামনের দিকে।

    Apps Download Link -

    https://ludochokka.club/

    Facebook -

    Ludo Chokka Official Fan Page

    https://www.facebook.com/ludochokka/


     অনলাইনে ইনকাম সাইট ২০২১

    আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি নতুন একটা সাইট যা ইতিমধ্যে ট্রাষ্ট ওয়ালেটের মাধ্যমে মার্কেটে এসেছে এবং আপনি তো এই ওয়ালেটকে চেনেন । এবং এটাও জানেন যে, এই ওয়ালেট কত বিশ্বস্ত একটা ক্রিপটো কারেন্সি লেনদেনের সাইট।

    যে সাইটের কথা বলতে যাচ্ছি এটার নাম হল ফরসেজ (Forsage)। এটা হল পৃথিবীর অন্যতম সেরা একটা ডিসেন্ত্রালাইজ সাইট যেখানে আপনি কাজ করে ইনকাম করতে পারবেন । তবে আপনাকে ট্রাষ্ট ওয়ালেটের মাধ্যমে কাজ করতে হবে । আপনি ক্রোম বা মজিলা ব্রাউজার ব্যবহার করতে পারবেন না । যে কারণে সাইট আরও বেশি নিরাপদ হয়েছে । মজার বিষয় হল, আপনার আয়ের সাথে সাথেই এটা ওয়ালেটে সরাসরি জমা হয় তাই সাইট আপনাকে টাকা দিবে কি দিবে না এমন কোন ভয় এখানে নেই । আপনি Forsage ফরসেজ এ কাজ করবেন এবং আপনার টাকা জমা হবে ট্রাষ্ট ওয়ালেটে । তারপর আপনি বিকাশের মাধ্যমে উইথড্র করতে পারবেন। Forsage ফরসেজ এ কাজ করার জন্য প্রথমেই আপনাকে গুগল প্লে স্টোর থেকে ট্রাষ্ট ওয়ালেট অ্যাপ ডাউনলোড করে নিতে হবে । আপনার কাজের সময় এবং ধরন অনুযায়ী আপনি ইনকাম করতে পারবেন। আপনি রেফার করে বা রেফার ছাড়াও মাসে ২০,০০০/= টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

    বিঃদ্রঃ অহেতুক অনলাইনে এখানে সেখানে ইনকামের জন্য না ঘুরে ১০০% বিশ্বাসযোগ্য Forsage ফরসেজ সাইটে ধর্য সহকারে কাজ করুন। মানুষ এখান থেকে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করতেছে। ইনশাআল্লাহ্‌ আপনিও মাসে ২০.০০০/= টাকার বেশি ইনকাম করতে পারবেন।

     আনলিমিটেড বিটকয়েন আয়

    প্রিয় পাঠকবৃন্দ আপনারা অনেকে আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন কিভাবে আনলিমিটেড বিটকয়েন আয় করা যায়। আর সে কারণে আজকের পোস্টটি তৈরি করা হয়েছে। আপনারা আমাদের পুরো পোস্টটি পড়লে জানতে পারবেন কিভাবে আনলিমিটেড বিটকয়েন আয় করা যায়। আশাকরি ধৈর্য সহকারে পুরো পোস্টটি পড়বেন।

    মাইনিং করে বিটকয়েন আর্ন: প্রফেশনালি যারা বিটকয়েন লেনদেন করেন তারা মূলতঃ এ পদ্ধতিতেই বিটকয়েন আর্ন করে থাকেন। এই পদ্ধতিকে বিটকয়েন আর্নিং না বলে বরং বিটকয়েন উৎপাদন বলাই শ্রেয়; কারন "বিটকয়েন মাইনিং" হলো কম্পিউটারের গ্রাফিক্সকে কাজে লাগিয়ে বিটকয়েন তৈরি করা। যারা প্রফেশনাল বিটকয়েনের বিজনেস করেন তারা সাধারণত "বিটকয়েন মাইনার" দিয়ে বিটকয়েন উৎপাদন করেন এবং উৎপাদিত বিটকয়েন অনলাইনে সেল করেন। যে কেউ ই বিটকয়েন মাইনিং করতে পারবেন তবে সেক্ষেত্রে উচ্চমাত্রার গ্রাফিক্স কার্ডের প্রয়োজন হবে। এই পদ্ধতিতে আনলিমিটেড বিটকয়েন তৈরি করা গেলেও "রুম ভর্তি গ্রাফিক্স কার্ড" কাজে লাগিয়ে সারাদিনে সর্বোচ্চ ১টি বিটকয়েন মাইনিং করা যেতে পারে। আমরা সাধারণত যেসকল কম্পিউটার ব্যবহার করি সেগুলোর গ্রাফিক্স কার্ড দিয়ে ১টি বিটকয়েন উৎপাদন করতে কয়েক বছর লেগে যাবে৷

     শেয়ারবাজার থেকে বিটকয়েন আর্নিং: অনলাইন মার্কেটে বিটকয়েনের চাহিদা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে শেয়ারবাজারে বিটকয়েনের প্রভাব উর্ধ্বমুখী। টাকা বা ডলারের পরিবর্তে অনেকেই এখন বিটকয়েন শেয়ার করছেন। আপনি চাইলে শেয়ারবাজারে ডলার কিংবা টাকা বিনিয়োগ করার পরিবর্তে বিটকয়েন বিনিয়োগ করতে পারেন। বিটকয়েন বিনিয়োগ করার ঝুকি কম ফলে এই মুহুর্ত বিটকয়েনের চাহিদা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক। টাকা বা ডলারকে বিটকয়েনে এক্সচেঞ্জ করে; সেই এক্সচেঞ্জকৃত বিটকয়েন বিনিয়োগ করে বিটকয়েন আয় করতে পারেন। যারা শেয়ারবাজার সম্পর্কে ধারণা রাখেন; তাদের জন্য এই পদ্ধতিটি বিশেষভাবে প্রযোজ্য। একজন সাধারণ ব্যাক্তির পক্ষে এই পদ্ধতিটি হবে আত্মঘাতী।

    বিভিন্ন ওয়েবসাইটে থেকে বিটকয়েন আয়: বর্তমানে অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা ছোটখাটো কিংবা যেকোন কাজের বিনিময়ে ডলার বা টাকার পরিবর্তে বিটকয়েন দিয়ে থাকে। এরকম বহু প্রতিষ্ঠান আছে যারা ডলারকে বিটকয়েনে রুপান্তর করে অস্থায়ী বা অনলাইন কর্মীদের বিটকয়েন পরিশোধ করে৷ আপনি চাইলে এসব প্রতিষ্ঠানে ছোট ছোট কাজের বিনিময়ে বিটকয়েন আর্ন করতে পারেন। বাংলাদেশ বা ভারত থেকে এই পদ্ধতিতে বিটকয়েন আর্ন করা কঠিন; কারণ বিটকয়েন পরিশোধ করা এসব প্রতিষ্ঠানগুলো অধিকাংশই আমেরিকাকেন্দ্রিক যেকারণে বাংলাদেশ কিংবা ভারতীয়দের দিয়ে সার্ভের মতো ছোট ছোট কাজগুলো তারা করান না।

    মোবাইল অ্যাপ দিয়ে বিটকয়েন আর্নিং: খুবই আশাব্যঞ্জক খবর হচ্ছে; বর্তমানে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেও বিটকয়েন আর্ন করা যায়। বাংলাদেশ কিংবা ভারতের মতো দেশ থেকেও ছোট ছোট কাজ করে বিটকয়েন আয় করা যায়। ছাত্রছাত্রীদের জন্য এই পদ্ধিতিটি খুবই জনপ্রিয় কারণ এতে কোন রকম ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই কেবল স্মার্টফোন ব্যাবহার করে বিটকয়েন আয় করা যায়। এই পদ্ধতিতে বিটকয়েন আর্নিং এর পরিমাণ খুব কম হলেও ধীরে ধীরে সেটি বাড়ানো যায়। বিভিন্ন রকম মোবাইল অ্যাপ আছে যেগুলো দিয়ে বিটকয়েন আয় করা যায় কিন্তু সকল অ্যাপই যে পেমেন্ট করে তাও নয়। অনেক অ্যাপ আছে যেগুলো ঠিকমতো পেমেন্ট দেয় না; এসব অ্যাপ ব্যাবহার করলে সময়ের অপচয় হতে পারে। আমরা এই ব্লগে মোবাইল অ্যাপ দিয়ে কিভাবে বিটকয়েন আর্ন করা যায় সেটি নিয়েই আলোচনা করবো ধাপে ধাপে।

    এছাড়াও আরও অনেকগুলো পদ্ধতি আছে যেগুলোর সাহায্যে খুব সহজেই বিটকয়েন আয় করা যায়। বিটকয়েন আয়ের প্রত্যেকটি প্লাটফর্ম লিগ্যাল নয়। যেহেতু ভার্চুয়াল মুদ্রার কোন অস্তিত্ব নাই সেহেতু এমন অনেক প্লাটফর্ম আছে যারা নামকাওয়াস্তে বিটকয়েন প্রতিষ্ঠান খোলে মানুষকে ধোকা দেয়। শেয়ারবাজারেও অনেকসময় দেখা যায় বিটকয়েনের দরপতন শুরু হতে পারে। সব মিলিয়ে; বিটকয়েন আর্নিং এর ক্ষেত্রে অবশ্যই মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে।

      বিকাশে পেমেন্ট ইনকাম

    একটি একাউন্ট করে ১০০০ টাকা বিকাশে নিন।

     একটি একাউন্ট করুন সাথে সাথে বিকাশে টাকা নিন। টাকা সকলে অবশ্যই পাবেন তাই এমন সুযোগ কেউ মিস করবেন না। 

    যা যা করতে হবে আপনাকেঃ

    ১| প্রথম Playstore গিয়ে Handy Pick লিখে search করুন তারপর ডাউনলোড করুন।

    ২| ভিডিও দেখানো অনুসারে একাউন্ট করুন

    ৩| রেফার জায়গায় ৬ সংখ্যার কোড চাইবে S4K65U এই কোডটি সেখানে দিয়ে দিন ভিডিও দেখানো মত তাহলে আপনি ১০০০ টাকা বোনাস পাবেন। 

    ৪ | তারপর বিকাশে পেমেন্ট নিন সাথে সাথে।

    Tag:অনলাইনে টাকা আয় করার অ্যাপ, online টাকা আয় করার উপায় , লুডু গেম খেলে টাকা আয়, অনলাইনে ইনকাম সাইট ২০২১, আনলিমিটেড বিটকয়েন আয়, টাকা উপার্জন করার উপায়, বিকাশে পেমেন্ট ইনকাম। 


    0/Post a Comment/Comments

    Previous Post Next Post
    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন
    chrome-extension://oilhmgfpengfpkkliokdbjjhiikehfoo/img/semstorm-32.png