ঘরে বসে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করার apps | মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট | ঘরে বসে হাতে লিখে আয় করুন

ঘরে বসে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করার apps | মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট | ঘরে বসে হাতে লিখে আয় করুন

 

টাকা আয় করার apps , মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট, মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করুন, ঘরে বসে হাতে লিখে আয় করুন, ঘরে বসে আয়, মোবাইল দিয়ে বিকাশে টাকা আয়


    ঘরে বসে আয় 

    টাইম অফ বিডির পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই শুভেচ্ছা এবং সালাম আসসালামু আলাইকুম রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আপনারা সবাই কেমন আছেন ? আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আপনারা অনেকেই হয়ত জানেননা ফেসবুক এবং অনলাইন থেকে বিভিন্ন উপায়ে টাকা ইনকাম করা যায়। আর তাই আজকে আমাদের পোস্টে আমরা এগুলো সম্পর্কে আলোচনা করব।আমাদের আজকের এই পোষ্ট টি তৈরি করা হয়েছে কিভাবে অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায় এর সম্পর্কে । আমাদের আজকের এই পোস্টের যা যা থাকছে সেগুলো হলো টাকা আয় করার apps , মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট, মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করুন, ঘরে বসে হাতে লিখে আয় করুন, ঘরে বসে আয়, মোবাইল দিয়ে বিকাশে টাকা আয়। আশা করি আপনারা সবাই সঠিক তথ্যটি পাবেন এবং পুরো পোস্টটি ধৈর্য্য সহকারে পড়বেন। 

    টাকা আয় করার apps

    ১টি সিম এবং ১টি Apps থেকে রির্চাজ করা যাবে সকল নাম্বারে। যে কোনো মোবাইল দিয়ে রির্চাজ করা যাবে।

    গ্রামীণফোন

    বাংলালিংক

    এয়ারটেল

    রবি

    টেলিটক

    Skitto

    ডিলারশিপ এর সকল তথ্য 

    ডিলার ফি মাত্র ৩,০০০/- টাকা এবং ১,৫০০/- টাকা লোডের ব্যালেস নিতে হবে। ৪,৫০০ টাকা দিয়ে ব্যবসায় শুরু করতে পারবেন।

     একজন ডিলার যে সকল সুবিধা গুলো পাবেঃ

    ১। প্রতি (১,০০০) হাজারে আপনি ৩৮ টাকা করে কমিশন পাবেন।

    ২। নতুন সংযোগ দিয়ে সংযোগের পুরো টাকা ডিলার পাবে। যত বেশি সংযোগ তত বেশি লাভ। একজন ডিলার যে সকল সংযোগ দিতে পারবেঃ ১) এজেন্ট 

    ২) রিটেইলার 

    ৩। প্রতি সেলের জন্য মাসের শেষে আলাদা করে ২০০/- টাকা করে কমিশন পাবেন। যে মাসে সেল দিবেন সে মাসের জন্য ১ বার করে কমিশন পাবেন। এবং মাসে যদি ১৫ টা সিম সেল করেন তাহলে প্রতি সেলের জন্য ৩৫০/- টাকা করে কমিশন পাবেন। 

    ৪। ক্যাম্পেন চলাকালিন ডিলার যত বেশি ব্যালেন্স নিবে তত বেশি কমিশন পাবে।

    ৫। মিনিট, এমবি এবং ড্রাইভ প্যাক রির্চাজে সাথে সাথে কমিশন পাবে।

    ৬। এক সাথে ১০ টি নাম্বারে রির্চাজ করার সুবিধা।

    ৭। ডিলার বার্ষিক সকল কমিশন আমাদের থেকে পাবেন।

    ৮। প্রতি মাসে ২০-২৫ টা সংযোগ দিলে মাসে ২৫,০০০ থেকে ৪০,০০০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন।

    ৯। আপনার অধীনে যে সকল এজেন্ট এবং রিটেলার আছে তাদের কে আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী লোডের ব্যলেন্স দিয়ে প্রতি হাজারে ১০ টাকা করে লাভের সুবিধা।

    ১০। Sms এবং Apps দিয়ে লোড করার সুবিধা। 

    ১১। আপনি চাইলে কম্পিউটার দিয়ে লোড দিতে পারবেন এর জন্যে কোনো মডেম লাগবে না।

    ১২। ২৪ ঘন্টা রির্চাজ দেওয়ার সুবিধা।

    ১৩। মাসিক কোনো প্রকার চার্জ নেই। 

     দেশ কিংবা বিদেশ মোবাইল রির্চাজ করুন মাত্র ৫ সেকেন্ডে সকল নাম্বারে। যারা দেশের বাহিরে আছেন তারা আমাদের সংযোগ ব্যবহার করে সাথে সাথে রির্চাজ করতে পারবেন। মিনিট, এমবি এবং ড্রাইভ প্যাক রির্চাজ করে কমিশন পাবেন সাথে সাথে।

     মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট 

    মোবাইল রির্চাজ করে ইনকাম করুন 

    সহায় প্লাস লিমিটেড থেকে । বাংলাদেশের অনুমোদন প্রাপ্ত সহায় প্লাস লিমিটেড নিয়ে এলো ঘরে বসে ইনকাম করার এক সূর্বন্নসুযোগ ।

    মোবাইল রির্চাজ করে ইনকাম করার সুযোগ ।।

    মোবাইল ব্যবহার করে না এমন কোন লোক নেই বর্তমানে , ইয়ং জেনারেশন থেকে বৃদ্ধ সবার হাতে একটি ফোন থাকবেই ।

    আর এই মোবাইল ব্যবহার করার জন্য অবশ্যই রির্চাজ এর প্রয়োজন হয় । এবং আমরা বিভিন্ন ভাবে, রির্চাজ করে থাকি ।


    আমার প্রশ্ন হলো আপনি কি কখনও মোবাইল রির্চাজ করে ইনকাম করতে পেরেছেন ???

    রির্চাজ করা টাকা গুলি কখনও ফিরত পেরেছেন ???


    হ্যাঁ বন্ধুরা আপনারা বলবেন -----এই টাকা কি রিটান দেয় নাকি?


    আমি বলছি 100% ক্যাশ ব্যাক পাবেন ।


    সহায় প্লাস লিমিটেড দিচ্ছেন সেই সুযোগ ,আপনি সহায় প্লাস লিমিটেড এ একাউন্ট্ করে মোবাইল রির্চাজ করুন । যত টাকা রির্চাজ করবেন তত টাকা আপনার সহায় স্পেশাল ব্যালেন্স এ জমা হবে ও আস্তে আস্তে কারেন্ট ব্যালেন্স এ টাকা এড হয়ে যাবে ।

    আপনি আপনার রেফারেন্স নাম্বার দিয়ে ফ্রি সাইন আপ করিয়ে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন । কোন টাকা বা এড ফ্রি লাগবে না ।।

                                

                      """ কিভাবে করবেন """"

    আপনার কাজ হলো আপনার রেফারেন্স নাম্বার দিয়ে ১০ কে ফ্রি জয়েনিং করানো ।। এবার আপনার জেনারেশন হিসাব দেখুন ।


    আপনি জয়েন করালেন ১০ জন ।আপনার মত সবাই তাদের রেফারেন্স নাম্বার দিয়ে ১০ করে রেফার করালে আপনার একটি শক্তিশালী টিম তৈরি হয়ে যাবে । মাএ দুই মাসের মধ্যে ।

    10×10= 100

    100×10=1000

    1000×10=10,000

    10,000×10=100,000

    100,000×10=1,000,000

    1,000,000×10=10,000,000

    এটি হলো আপনার টিমের 6 জেনারেশন পর্যন্ত হিসাব ।

    আপনি 100টাকা রির্চাজ করলে .80পয়সা পাবেন ।

    তাহলে হিসাব করুন, একজন লোকের প্রতি মাসে ৫০০/৬০০ টাকা প্রয়োজন হয় কল ও ডাটার জন্য । তাহলে এক জন মেম্বারের থেকে আপনি মাসে ৪ টাকা পেলেন ।

    6 জেনারেশন পর্যন্ত আপনার মেম্বার হলো 


    10,000,000×4=40,000,000Tk

     আপনি কাজ করেছেন কি? 10জন লোক রেফার করেছেন তাই না । আর আপনি টিম টি পরিচালনা করেছেন এটা ই হলো আপনার কাজ । 

    যারা ফ্রি সাইন আপ করতে চান । তাদের কে বলছি ।

    ক্রম ব্রাউজার ব্যবহার করে 

    sahay plus limited লিখে সার্চ করুন, ওয়েবসাইট

    রেজিস্টেশন করুন, 

    রেফারেন্স নাম্বার

    মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করুন

      সম্প্রতিককালে ইন্টারনেটের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে,আর এই ইন্টারনেটকে কাজে লাগিয়ে আমরা বিভিন্নভাবে বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে,বিভিন্ন অনলাইন ভিত্তিক কাজের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে থাকি ,যাকে আমরা বলি অনলাইনে টাকা আয় করা,


    একসময় এটা ভাবাটাই আমাদের কাছে অকল্পনীয় ছিলো,এখন যুগের সাথে তাল মিলিয়ে,মানুষ দেশ বিদেশের অনেক নতুন তথ্য জানছে,নিজেদের আপডেট করছে, যার ফলে এখন অনলাইনে ইনকাম করার পথ তৈরি হচ্ছে অনেক।


    তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই অনলাইনে বিভিন্নভাবে টাকা ইনকাম করা যায়।


    আর অনলাইনে ইনকাম করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন জনপ্রিয় সাইট রয়েছে আপওয়ার্ক, ফাইবার, পিপল পার আওয়ার ইত্যাদি সাইটে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে কাজ করা যায় নিজ দক্ষতা অনুযায়ী। 

     

    যে - সকল উপায়ে মূলত এই অনলাইনে টাকা ইনকাম করা যায়,,,তার কিছু দিক তুলে ধরা হলো,,


    প্রথমেই আসি ,আমাদের পরিচিত,,ই - কমার্স নিয়ে,,

     ই-কমার্স -ই-কমার্স এর মাধ্যমে বিজনেস পেইজ খুলে পণ্য বিক্রয় করে অনলাইন ব্যাবসায় এর মাধ্যমে আয় করছেন অনেকেই।

    ব্লগ - একটি ওয়েবসাইটে নিদিষ্ট কোনো ঘটনা,সাম্প্রতিক কোনো বিষয় নিয়ে ধারাবাহিকভাবে লিখে লেখালেখি করে ব্লগিং এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা যায়।

    কন্টেন্ট রাইটার -আপনি যাদি কোনো টপিকের উপর ভালো কন্টেন্ট লিখতে পারেন তবে তা দিয়ে অনেক আয় করতে পারবেন।

    অধিকাংশ সময় দেখা যায় কোনো ওয়েবসাইটের মালিক ব্লগটাকে আরো আকর্ষনীয় ও অধিক ভিজিটর পেতে চায়।সময় সল্পতাসহ অন্য কোনো কারণে সে কন্টেন্ট লিখতে পারছে না তখন কাউকে ভাড়া করে, কন্টেন্ট লেখার জন্য।

    এটা আপনার কাছে একটা বড় সুযোগ। তবে এই কাজ করার জন্য আপনাকে কিছু কাজ করতে হবে।

    ভিডিও এডিটিং:-

    মানুষের ভাব প্রকাশের সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম হল ভিডিও। ভালো মানের ভিডিও সম্পাদন করার জন্য ভালো মানের ভিডিও এডিটিং এর দরকার হয়।

    বর্তমানে ডিজিটাল কনটেন্ট এর মধ্যে ভিডিওর জনপ্রিয়তা সর্বাধিক তা ইউটিউব দেখলে সহজে অনুমান করা যায়। ইউটিউবের এত জনপ্রিতার মূল কারণ হলো এই ভিডিও । এই কাজের মাধ্যমে ও টাকা ইনকাম করা যায় ।

      ই - লার্নিংঃ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যাক্তি তার পেইজ থেকে বা অন্য কোনো সাইটে বিভিন্ন শিক্ষামূলক ভিডিও ও টিউটোরিয়াল তৈরি করে থাকেন। অনেকসময় বিভিন্ন বিষয়ের উপর কোর্স তৈরি করেও টাকা আয় করা যায়।

    ইউটিউবঃ ইউটিউবে চ্যানেল খুলে বিভিন্ন বিষয়ের ভিডিও আপলোড করে টাকা ইনকাম করা যায়। যেমনঃ রান্নার চ্যানেল করা যায়, শিক্ষামূলক চ্যানেল ,বাচ্চাদের খেলার চ্যানেল ইত্যাদির নতুন নতুন ভিডিও আপলোড করে অনেকেই টাকা আয় করছেন।

    এস ই ও স্পেশালিস্ট:-

    ইন্টারনেট জগতে সার্চ র‌্যাংক যত ভালো তার ভিজিটর তত বেশি। ওয়েবসাইটে ভিজিটর বেশি হলে আয় বেশি।

    গুগলে ভালো র‌্যাংক পাওয়ার জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এস ই ও) এর বিকল্প নেই। বর্তমানে এ কাজের চাহিদা আকাশচুম্বি।এর মাধ্যমে ও অর্থ ইনকাম করা যায়।

    ওয়েব ডিজাইন:-

    বর্তমানে কয়েক বিলিয়ন ওয়েবসাইট একটিভ(active) রয়েছে। এগুলো ডিজাইন ওয়েব ডিজাইনাররা করে থাকে।এর মাধ্যমে যারা ওয়েব ডিজাইন পারে,তারা টাকা ইনকাম করতে পারে ।

    গ্রাফিক্স ডিজাইনার:-

    ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট এস হিউম্যান হিসেবে সবার প্রিয়। আমাদের আশেপাশে বই কভার থেকে বিস্কুটের প্যাকেট পযর্ন্ত যত ডিজাইন সবই গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজ।এটিও ইনকামের একটি উৎস হতে পারে।

     ঘরে বসে হাতে লিখে আয় করুন 

    বর্তমানে অধিকাংশ মানুষের স্মার্ট ফোন আছে আর এই স্মার্টফোনের দ্বারা আমরা বাড়িতে বসে টাকা ইনকাম করতে পারি। ঘরে বসে আয় করার বিভিন্ন উপায় আছে। তার মধ্যে একটি হলো ব্লগে কাজ করা। সাম্প্রতিক বিষয় সম্পর্কে লেখালেখি করে ব্লগে কাজ করা যায়। ব্লগের কাজ হলো বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে লেখা বিশেষ করে সাম্প্রতিক বিষয়গুলো সম্পর্কে। এবং এই লেখাগুলো যখন ভিজিটররা দেখে তখনই ব্লগের মাধ্যমে ইনকাম করা যায়। একটি ব্লগে যত বেশি ভিউ হয় ততবেশি টাকা আয় করা যায়। এভাবে স্মার্টফোন দাঁড়ায় ঘরে বসে আমরা হাতে লিখে টাকা আয় করতে পারি। আপনারা যারা হয়তো লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন কাজ করতে চাচ্ছেন তাদের জন্য ঘরে বসে এই কাজটি করা সবচেয়ে বেশি উত্তম।

    মোবাইল দিয়ে বিকাশে টাকা আয় 

    প্রিয় পাঠকবৃন্দ আমাদের সকলের কাছে কমবেশি স্মার্ট ফোন আছে। আর এই ফোনের মাধ্যমে আমরা বাড়িতে বসেই বিকাশে টাকা আয় করতে পারি। একটি আইটি সহায়তা প্রতিষ্ঠান যার নাম সেল্ফ। এটির মাধ্যমে আমরা সহজেই আমাদের মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করতে পারি বিস্তারিত জানতে আপনার আমাদের পুরো প্রস্তুত অর্থ সহকারে পড়বেন।

    সেল্ফ কি?কেন আপনি আমাদের সেল্ফে কাজ করবেন,??

    ১.সেল্ফ সরকারি লাইসেন্স প্রাপ্ত একটি আইটি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। 

    ৩.সেল্ফ এপস এ রয়েছে ৩২ টি প্রজেক্ট থেকে লাইফটাইম ইনকাম করার সুযোগ। 

    ৪.সেল্ফ এপসে গ্রামীনফোন, রবি,বাংলালিংক, এয়ারটেল এর মত কোটি কোটি ইউজার তৈরি করে আনলিমিটেড ইনকাম করার সুযোগ। 

    উদাহরণ, আপনার রেফারে যদি ১৫ লেভেলর মধ্যে ১ লক্ষ্য ইউজার থাকে তাহলে প্রতি মাসে ১ টাকা করে কমিশন পেলেও মাসে ইনকাম ১ লক্ষ টাকা। 

    ৫.সেল্ফ এপস এ ১৫ লেভেল বা জেনারেশন পর্যন্ত কমিশন পাবার সুযোগ। 

    ৬.আমাদের কয়েকটি রেংক রয়েছে প্রত্যেকটা রেংকে রয়েছেন রিওয়ার্ড বোনাস।

    ৭.স্বপ্ন পূরন করার মত একটা আইটি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। 

    ৮.স্বাধীন মুক্ত এবং সম্মানজনক কাজ।

    ৯.বিকাশ এপসের মত আমাদের সেল্ফ এপস পার্থক্য এখানেই। 


    সেল্ফ রেফার করলে আজীবন কমিশন উপভোগ করতে পারবেন। আর বিকাশে রেফার করে ১ বার কিছু টাকা পেলেন।


    সেল্ফ তাদের ইউজারদেরকে টাকা দেয় বলে বাংলাদেশে বিশাল আকারে একটা মার্কেট ইতিমধ্যে সেল্ফ এর দখলে চলে আসতেছে।

    আর বিকাশের গ্রাহক দিন দিন কমতেছে।

    কারন আমরা আগে বিকাশ এপস ব্যবহার করতাম বিভিন্ন কাজে আর এখন শুধুমাত্র লেনদেন এর জন্য বিকাশ ব্যবহার করি।


    একটা সময় আসতেছে বাজারের যে কোন সব ক্যাটাগরির দোকান থেকে সেল্ফ এর টাকা উত্তলোন করার সুযোগ। 


    সেল্ফ ছাড়া মানুষ একদম অচল!

    সেল্ফ লোকাল আউটলেট থেকে কেনাকাটা করে আয় করতে পারবেন।

    সেল্ফ মোবাইল রিচার্জ করে আয় করতে পারবেন। 

    বাস টিকিট ক্রয় করে আয় করতে পারবেন। 

    রাইড শেয়ারিং সার্ভিস ইউজ করে আয় করতে পারবেন। 

    সেল্ফ রিসেলার অনলাইন শপ থেকে পোডাক্ট সেল করে আয় করতে পারবেন হিউজ পরিমাণে।

    তো এই সেল্ফ এর এই প্রজেক্ট গুলো সহ ৩২ টি প্রজেক্ট থেকে লাইফটাইম ইনকাম করার সুযোগ। 


    এখানে ২ ধরনের একাউন্ট আছে, প্রথমে বিনা মূল্যে যে একাউন্ট খুলা হয় তাকে বলা হয় কাস্টমার একাউন্ট। এই একাউন্ট থেকে মোবাইল রিচার্জ, যে কোন ধরনের কেনা কেটা আরো অনেক কিছু করা যায়,প্রতি বার মোবাইল রিচার্জ এ ক্যাশব্যাক পাওয়া যাবে,কোন কিছু কিনলেও ক্যাশব্যাক পাওয়া যাবে,


    ২য় একাউন্ট হচ্ছে বিজনেস একাউন্ট 


    বিজনেস একাউন্ট খুললে যা যা লাভঃ-

    ১। আপনার বিজনেস আইডি নাম্বার দিয়ে বিনামূল্যে যে কোন কাউকে মেম্বার আইডি খুলে দিতে পারবেন, যখন এই কাস্টমার আইডি থেকে কোন লেনদেন (মোবাইল রিচার্জ,কেনাকাটা আরও অনেক কিছু) করবে তখন কোম্পানি আপনার বিজনেস একাউন্ট এ লভ্যাংশ এর কিছু অংশ দিয়ে দিবে। 

    ২। আপনি চাইলে আপনার বিজনেস আইডি নাম্বার এ রেফার করা যে কোন কাউকে বিজনেস একাউন্ট খুলে দিতে পারবেন, আপনার আইডি নাম্বার দিয়ে একটা বিজনেস একাউন্ট খুলে দিলে ২০০টাকা কোম্পানি আপনাকে বোনাস দিবে, এখানেই শেষ নয়,আপনি যারে বিজনেস একাউন্ট খুলে দিছেন সে যদি অন্য কাউকে খুলে দেয় তখন ও কোম্পানি আপনাকে বোনাস দিবে, তখন পাবেন ১০০ টাকা,আপনি সর্বপ্রথম যারে বিজনেস একাউন্ট খুলে দিছেন সে হচ্ছে আপনার প্রথম জেনারেশন, আবার ও যারে খুলে দিবে সে হবে আপনার দ্বিতীয় জেনারেশন, এই ভাবে দশ জেনারেশন পর্যন্ত কোম্পানি আপনাকে বোনাস দিতে থাকবে। আর কোন লেনদেন করলে ও, ঐ লেনদেন এর উপর কিছু লভ্যাংশ ও অবশ্যই কোম্পানি আপনাকে দিতে থাকবে।


    ৩/বিজনেস একাউন্ট একটা মজার ব্যাপার হচ্ছে, কোন কিছু কেনার ক্ষেত্রে মেম্বার একাউন্ট থেকে যে দামে কিনতে পারবেন তার চেয়ে কম দামে বিজনেস একাউন্ট থেকে কিনতে পারবেন,খুব সহজে মার্কেটিং করতে পারবেন বিজনেস একাউন্ট এর মাধ্যমে 


    ৪/সর্বশেষ কথা হচ্ছে এটা যে রিয়েল তা আপনি ওয়েব সাইটে একাউন্ট খুললে বুজতে দেরি হবে না আশা করি, আপনার রেফার করা কোন একাউন্ট এ যদি ১০ টাকার ও লেনদেন হয়, সেই টাকা লভ্যাংশ ও আপনাকে কোম্পানি আপনার একাউন্ট এ দিয়ে দিবে । ০.১ পয়সা ও যদি আপনি লাভ পান তাহলে সেই লাভ ও আপনাকে সাথে সাথে দিয়ে দিবে কোম্পানি। মোট কথা হচ্ছে এখানে কোন ফল্ট বলতে কিছু নাই।

     Tag:টাকা আয় করার apps , মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট, মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করুন, ঘরে বসে হাতে লিখে আয় করুন, ঘরে বসে আয়, মোবাইল দিয়ে বিকাশে টাকা আয় 


    0/Post a Comment/Comments

    Previous Post Next Post
    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন
    chrome-extension://oilhmgfpengfpkkliokdbjjhiikehfoo/img/semstorm-32.png