ডেটিং সাইট ও পোকার খেলে আয় | android apps দিয়ে সার্ভে করার নিয়ম | ইউটিউবে ইনকাম

ডেটিং সাইট ও পোকার খেলে আয় | android apps দিয়ে সার্ভে করার নিয়ম | ইউটিউবে ইনকাম

 

সার্ভে করার নিয়ম, android apps দিয়ে টাকা আয়, লিখে আয় করুন, ডেটিং সাইট থেকে আয়, পোকার খেলে আয়, ইন্টারনেটে আয় , ইউটিউবে ইনকাম, বাড়তি আয়ের উপায়

    ইন্টারনেটে আয়

    টাইম অফ বিডির পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই শুভেচ্ছা এবং সালাম আসসালামু আলাইকুম রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আপনারা সবাই কেমন আছেন ? আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আপনারা অনেকেই হয়ত জানেননা ফেসবুক এবং অনলাইন থেকে বিভিন্ন উপায়ে টাকা ইনকাম করা যায়। আর তাই আজকে আমাদের পোস্টে আমরা এগুলো সম্পর্কে আলোচনা করব।আমাদের আজকের এই পোষ্ট টি তৈরি করা হয়েছে কিভাবে অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায় এর সম্পর্কে । আমাদের আজকের এই পোস্টের যা যা থাকছে সেগুলো হলোসার্ভে করার নিয়ম, android apps দিয়ে টাকা আয়, লিখে আয় করুন, ডেটিং সাইট থেকে আয়, পোকার খেলে আয়, ইন্টারনেটে আয় , ইউটিউবে ইনকাম, বাড়তি আয়ের উপায় । আশা করছি পুরাপুরি আপনারা ধৈর্য্য সহকারে পড়বেন এবং সঠিক তথ্যটি পাবেন।

    সার্ভে করার নিয়ম 

    অনলাইন সার্ভে করে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার জন্য বেস্ট একটি ওয়েবসাইটের নাম- Swagbucks 

    সার্ভে করে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম

    সার্ভে করে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করা বেশ সহজ। অসংখ্য মার্কেট রিসার্চ কোম্পানি আছে যারা রিসার্চের জন্য সার্ভে করে। আর এই সার্ভেতে যারা অংশগ্রহণ করে তাদের টাকা প্রদান করে থাকে।

    অনেক মোবাইল ফোন কোম্পানি গ্রাহকদের চাহিদা জানার জন্য সার্ভে করে, যাতে করে গ্রাহকের সন্তুষ্টি মোতাবেক পণ্য তৈরি করে বিক্রি বৃদ্ধি করতে পারে। অনলাইনে এমন অসংখ্য ওয়েবসাইট আছে যারা বিভিন্ন কোম্পানির এসব সার্ভেগুলো একসাথে করে তাদের ওয়েবসাইটে রেখে দেয় এবং সেই ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করা মেম্বার-গন তা পূরণ করে টাকা ইনকাম করে।

    অনলাইনে সার্ভে করার অসংখ্য ওয়েবসাইট থাকলেও সবাই টাকা প্রদান করে না। তাই, সার্ভে শুরু করার পূর্বে অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে তারা টাকা প্রদান করে কিনা।

    সার্ভে করে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম

    অনলাইন সার্ভে কি?

    সার্ভে হল মতামত নেয়া। বাংলাতে বলা হয় জরিপ। সার্ভে সাধারণ কোম্পানি অথবা ব্যক্তিগত রিসার্চের কারণে নেয়া হয়ে থাকে। আর, এই সার্ভেতে যারা অংশগ্রহণ করে তাদের টাকা প্রদান করা হয়।

    অনলাইন সার্ভে এবং আমরা যে ওয়েবসাইট নিয়ে আলোচনা করবো তা অনেকটা এই রকমই। আপনি নিচের ওয়েবসাইটে একটি অ্যাকাউন্ট খুলবেন তারপর প্রতিদিন টাস্ক হিসাবে বেশ কিছু সার্ভে পাবেন। সার্ভেগুলোতে বেশ কিছু প্রশ্ন থাকবে সেগুলো সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। ভয় পাবেন না, প্রশ্নগুলো কঠিন হবে না। বরং ব্যক্তি জীবনের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন থাকবে।

    SwagBucks

    পেমেন্ট পদ্ধতি: PayPal Cash, Amazon Gift Cards, Walmart Gift Cards, All Gift Cards

    প্রত্যেক সার্ভেতে আয়: ৩০ -১৫০ SB (১০০ SB = ১ ডলার)

    SwagBucks বৃহত্তম এবং সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সার্ভে সাইট। তারা এ পর্যন্ত তাদের মেম্বারদের ৬০০,০০০,০০০ এরও বেশি পুরষ্কার প্রদান করেছে। তারা সার্ভে করার পাশাপাশি গেমস, অফার, সার্চ, অনলাইন কেনাকাটা এবং ভিডিও দেখার জন্য পুরষ্কার ও অর্থ দিয়ে থাকে। ওয়েবসাইট প্রায় ১৩ বছর ধরে চালু আছে। সুতরাং এটার বিশ্বস্ততা নিয়ে কোন প্রশ্ন করার সুযোগ নেই।

    তাদের ওয়েবসাইটে মোটামুটি প্রতিদিন সার্ভে থাকে। প্রত্যেকটি সার্ভে পূরণ করতে সময় লাগে প্রায় ১০ মিনিট। আর যদি প্রতিদিন ১ ঘণ্টা কাজ করেন, তাহলে আয় করতে পারবেন প্রায় ৬ ডলার। যদিও, প্রতিদিন এতো সার্ভে থাকে না।

    তবে, এদের সাইটে সাইন আপ করে অনেক সময় বোনাস দিয়ে থাকে। এছাড়া, গেম খেলে, শপিং করে, সার্চ করে কিংবা ভিডিও দেখেও আয় করার সুযোগ রয়েছে এই ওয়েবসাইটে।

    Swagbucks ওয়েবসাইট লিংক

    Android apps দিয়ে টাকা আয় 

    Android apps দিয়ে যে সকল কাজ করা যায় সে কাজগুলো নিয়ে আজকে আমাদের এই পোস্টটি তৈরি করা হয়েছে আপনারা আপনাদের এন্ড্রয়েড ফোনে এই সকল কাজগুলো করে টাকা আয় করতে পারেন।

    ১. একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরী করুন এবং অ্যাডভার্টাইজিং নেটওয়ার্ক যেমন গুগল অ্যাডসেন্স বা ক্রয়বিক্রয়(buysell) অ্যাড এর মাধ্যমে আয় করতে পারেন। আপনি চাইল গুগল ডাবলক্লিক এর মাধ্যমেও সরাসরি আয় করতে পারেন। অনেকের কাছেই অ্যাডসেন্স অ্যপ্রুভ করা ঝামেলার বিষয়। কিভাবে অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভ করবেন প্রয়োজনীয় নিদের্শাবলী দেখুন অ্যাডসেন্স নিদের্শনা

    ২.মেইলচিম্পের মাধ্যমে ইমেইল নিউসলেটার সেল করে আয় করতে পারেন। স্পন্সর বা সাবস্ক্রাইবার খুজে বের করতে হবে । যেখানে ভিজিটররা নিউসলেটার পাওয়ার জন্য টাকা দিয়ে সাবস্ক্রাইব করবে। HackerNewletter, NowIKnow এবং Launch.co এই ধরনের কাজের ভাল উদাহরণ হতে পারেন।

    ৩. নিজের ইউটিউব চ্যানেল খুলুন এবং ইউটিউবের পার্টনার হয়ে যান। আপনি Oneload সাইটটি ব্যবহার করে আপনার ভিডিওটি অনেক সাইটে ছড়িয়ে দিতে পারেন।

    ৪. সৃজনশীল কিছু তৈরী করুন যেমন হ্যান্ডবেগ জুয়েলারি পেইন্টিং বা কুটিরশিল্প ইত্যাদি এবং তা বিক্রয় করতে পারেন ইটসি, আর্টফায়ার বা ই-বে তে বিক্রয় করতে পারেন।

    ৫.টি-শার্টের ডিজাইন করুন এবং www.threadless.com, জাজে বা ক্যাফেপ্রেস এ রাখুন। আর বিক্রয় করুন।

    ৬.নিজের অনলাইন স্টোর তৈরী করুন তা নিজস্ব ডোমেইন বা সপিফাই (shopify),স্কয়ার (লিংক: http://www.squarespace.com )স্পেস এ হতে পারে। যেকোন বস্তু খাবার থেকে শুরু করে ডিজিটাল পণ্য সবই সেল করতে পারেন।

    ৭.যে কোন বিষয়ের উপর বই লিখুন। তা কিন্ডেল স্টোর , গুগল, বা আইবুক এ প্রকাশ করুন। আপনি চাইলে ই বুক হিসাবে অন্য রিটেইলার দের কাছে ও বিক্রয় করতে পারেন। অন্য রিটেইলার বিক্রয়ের জন্য স্মাশউড ( Smashwoods )বা বুকবেবি (BookBaby) ব্যবহার করতে পারেন।

    ৮. ইউডেমি Udemy বা স্কিল শেয়ারের SkillShare শিক্ষক হিসাবে যোগদান করুন আপনার প্রিয় বিষয় নিয়ে টিউটোরিয়াল তৈরী করুন। গিটার থেকে শুরু করে সাহিত্য ইয়োগা থেকে বিদেশী ভাষা যেকোন কিছু আপনি আন্তর্জাতিকভাবে শেখাতে পারেন।

    ৯. কোডিং শিখুন । গুরু Guru , ই-ল্যান্স eLance , আপওয়ার্ক , বি-ল্যান্সার এর মত মার্কেট প্লেস এ সফট্‌ওয়ার ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টে কাজ করুন।

    ১০. ভার্চুয়াল অফিস অ্যাসিস্টেন্ট হিসাবে প্রশাসনিক বা টেকনিক্যাল কাজে দুরবর্তী সহায়তা করতে পারেন। এক্ষেত্রে ই-ল্যান্স, টাস্কর‌্যাবিট TaskRabbit বা আপওয়ার্ক এ প্রচুর কাজ পাবেন।

    ১১.স্ক্রিপ্ট রাইটার হিসাবে যেমন কোন ব্রাউজার এর এক্সটেনশন প্লাগিন,মোবাইল অ্যাপস (অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোন) তৈরী করে আয় করুন । এক্ষেত্রে কোডকেনিওন CodeCanyon , চুপা Chupa বা বিনপ্রেস BinPress এ আপনার কোডটি বিক্রয় করে আয় করতে পারেন।

    ১২. খুব সাধারণ কম্পিউটার জব যেমন ডাটা এন্ট্রি জব, ট্রান্সক্রাবিং কিংবা ভিজিটিং কার্ড তৈরী করে আয় করতে পারেন। এজন্য মেকানিক্যাল টার্ক Mechanical Turk ব্যবহার করতে পারেন।

    ১৩. সৃজনশীল কাজ যেমন লোগো ডিজাইন,ব্যানার ডিজাইন,ওয়েব ডিজাইন অন্যান্য মার্কেটিং এর উপাদানগুলো তৈরী করে অনলাইনে আয় করা সম্ভব। এক্ষেত্রে ৯৯ডিজাইন 99Designs , ক্রাউডস্প্রিং CrowdSpring , ডিজাইনক্রাউডের DesignCrowd মত সাইটগুলো থেকে আয় করা যায়।

    ১৪. আপনার কি ভাল কন্ঠ আছে। আপনার যদি ইংরেজীতে জড়তা না থেকে থাকে তবে উমানো, ভয়েসবানী VoiceBunny , ভয়েস১২৩ Voice123 ভয়েস আর্টিষ্ট হিসাবে কাজ করে আয় করতে পারেন।

    ২৫. সর্বশেষ আপনি অনলাইন ব্যতীত অফলাইনে যেসকল ব্যবসার কথা চিন্তা করতে পারেন সবই অনলাইনে প্রয়োগ করা সম্ভব।

    আপনি চাইলে উপরের যে কোন একটি বিষয় নিজেকে দক্ষ করে তুলে অনলাইন কে ব্যবহার করে ঘরে বসে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

    লিখে আয় করুন

    বর্তমান যুগ তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগে যুগে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ অনলাইনে অনলাইন পেশার সাথে যুক্ত হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের অনলাইন কাজ আছে যেগুলো করার মাধ্যমে আমরা স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারি এবং অনেক টাকা আয় করতে পারি।অনলাইনে যে কাজগুলো করে আমরা টাকা আয় করতে পারে তার মধ্যে একটি হলো লেখালেখি করাঅনলাইনে যে কাজগুলো করে আমরা টাকা আয় করতে পারে তার মধ্যে একটি হলো লেখালেখি করা।লেখালেখি করে আয় করা হয় তাকে ব্লগ বলা হয়। ব্লগ সাইট তৈরি করে আমরা আমাদের নিজের প্রতিভাকে প্রকাশিত করতে পারি এই সাইটে আমরা অনেক টাকা আয় করতে পারে।

     ডেটিং সাইট থেকে আয়

    প্রিয় পাঠকবৃন্দ আপনারা অনেকে আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন ডেটিং সাইট থেকে আয় করা যায় কিনা বা কি কি ধরনের ডেটিং সাইট আছে আর তাই আজকে আমাদের এই পোস্টটি তৈরি করেছি ডেটিং সাইট গুলোকে নিয়ে যেগুলো থেকে আয় করা সম্ভব।আশা করি আপনার পুরো পোস্টটি ধৈর্য্য সহকারে পড়বেন।

    আপনারা Tinder, POF, Badoo, skout, Doublelist, Dedpage, Cityxguide, Locanto, Ebackpage, Onebackpage, Adpost, allthelovers, listcrawler, adultsearch, adultlook, localadultery, escortdirectory, Yesbackpage, Kittyads, Skipthegames,Adlist24, Leolist, Canetads, Vivastreet, Friday-ad, UKclassifieds, Oodle, Ukadslist, Newsclassifieds, Australiads, sipsap, mocospace,বা বিভিন্ন ডেটিং এন্ড ক্লাসিফাইড সাইট থেকে ইমেইল লিড নিয়ে লিড সেল করার চেয়ে নিজেরাই সিপিএ করে আরো বেশি উপার্জন করতে পারেন। সবার জন্য আলাদা আলাদা Email sarver ক্যাম্পেইন এর সাথে সিপিএ একাউন্ট দিয়ে দেওয়া হবে। এতে করে আপনাদের সেল গুলো নিজেরাই নিজেদের সিপিএ একাউন্টে দেখতে পারবেন। 

     পোকার খেলে আয় 

    অনলাইনে আয় করুন সহজেই - অনলাইন গেম খেলে

     আমি ইন্টারনেট এর উপর অনেকদিন ধরেই কাজ করে

    আসছি। শুধুমাত্র যে শখের জন্যেই ইন্টারনেট

    ব্যবহার করি তা কিন্তু নয়। অনেকের কাছেই

    শুনেছিলাম যে ইন্টারনেটে নাকি ঘরে বসেই মাসে

    ১০০-২০০ $ (৭০০০-১৪০০০ ৳) আয় করা যায়।

    ব্যাপারটা যে কতখানি অবাস্তব তা টের পেলাম

    কাজে নেমে। আমার জীবনের ২-৩ টা বছর নষ্ট

    করলাম অলীক ডলার এর পেছনে ছুটে। গুগল

    এডসেন্স, ডাটা এন্ট্রি সাইটস, সার্ভে সাইটস,

    পি,টি,সি সাইটস, পি,পি,সি সাইটস কোন কিছুই

    করতে বাদ রাখিনি। কিন্তু হায়, বৃথাই সময় নষ্ট।

    কোনভাবেই কিছু করতে পারলাম না। অবশেষে আমি

    একটি মোটামুটি সহজ উপায় পেয়েছি। সহজ এজন্যে

    যে, এই পদ্ধতিতে টাকা উপার্জন করতে যে

    যোগ্যতার প্রয়োজন আমার তা ভালই আছে।

    পদ্ধতিটা হল অনলাইনে গেমস খেলে। এবার আসল

    কথায় আসি।

    ইন্টারনেটে সার্ফিং করতে করতেই একদিন আমার

    চোখ পড়ে একটি বিজ্ঞাপন এর উপর। সেখানে লিখা

    ছিল অনলাইনে সহজেই আয় করুন ক্যাসিনো পোকার

    খেলে। ঐ বিজ্ঞাপন থেকেই আমি জানতে পারি

    কিভাবে এটা সম্ভব।

    আমার মত আপনি ও যদি অনলাইনে গেম খেলে আয়

    করতে চান তাহলে অবশ্যি আপনাকে পোকার খেলা

    জানতে হবে। আপনি যদি পোকার খেলা পারেন,

    তবেই আপনি এই পদ্ধতিতে আয় করতে পারবেন। তবে

    পোকার খেলাটাকে হেলাফেলা করবেন না যেন।

    কারন এটা ফেসবুক এর ফ্রি পোকার নয়। এটা হচ্ছে

    রিয়েল মানি পোকার। অর্থাৎ, এখানে আপনি

    খেলবেন আসল টাকা দিয়ে। ভয় পেয়ে গেছেন নিশ্চয়

    যে আসল টাকা দিয়ে খেলতে হলে গেম শুরু করার

    জন্যে টাকা আপনি কোথায় পাবেন। ভয় পাওয়ার

    কোন কারন নেই। কারন এটাই হচ্ছে আসল বিষয়।

    ষ্টার্টিং করার জন্যে ফ্রী টাকা পেতে হলে

    আপনাকে আগে POKER SCHOOL এ সাইন আপ করতে

    হবে। তারপর পোকার বিষয়ে সামান্য কিছু লেখাপড়া

    করতে হবে, এবং অবশেষে আপনাকে একটি সিম্পল

    ২০ টি প্রশ্নের কুইজ এর উত্তর দিতে হবে। আপনি

    যদি কুইজ পরীক্ষায় পাস করতে পারেন, তাহলেই

    আপনাকে গেম ষ্টার্ট করার জন্যে free $50 দিবে।

    ভয় পাওয়ার কিছু নেই, পরীক্ষায় পাস করা কোন

    ব্যাপার নয়, দরকার হলে আমার সাহায্য ও নিতে

    পারবেন। free $50 পাওয়ার পর আপনার প্রথম ও

    প্রধান কাজ হবে যে কোন একটি পোকার প্লাটফর্মে

    (example: party poker) খেলে এই $50 বাড়ানো।

    আমি আপনাদের সাজেষ্ট করব PARTY POKER এ

    খেলার জন্যে। পার্টি পোকার এ খেলে খেলে free

    $50 পাওয়ার ৯০ দিন এর মধ্যে যদি আপনি ১৫০

    পার্টি পয়েন্টস জমাতে/অর্জন করতে পারেন তাহলে

    আপনি আপনার বোনাস $50 (খেলার পরে যা থাকবে)

    পে-আউট করতে পারবেন অথবা তুলতে পারবেন।

    ব্যাপারটা হচ্ছে এরকম যে, আপনি free $50 দিয়ে

    খেলে খেলে $120 বানালেন এবং ১৫০ পার্টি

    পয়েন্টস অর্জন করলেন, এর মানে হচ্ছে আপনি

    আপনার $120 তুলতে পারবেন। তবে আপনি আপনার

    $120 না তুলে এই $120 দিয়ে আরও খেলতে পারেন।

    এটা সম্পূর্ণই আপনার ইচ্ছা। চাইলে আপনি $70 তুলে

    বাকী $50 দিয়েও খেলতে পারেন। কি মনে হয়???

    একেবারেই খারাপ তা কিন্তু বলতে পারবেন না।

    অনেকে হয়তো প্রশ্ন তুলতে পারেন যে, POKER

    SCHOOL আপনাকে ফ্রি ফ্রি $50 দিবে কেন। এর

    কারন হচ্ছে যে এটি অনেকগুলো পোকার

    প্লাটফর্মের এজেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং

    প্লাটফর্মগুলোকে নতুন নতুন খেলোয়াড় সরবরাহ করে

    এবং এজন্যে তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের

    মজুরী পায়। তাই আপনাকে free $50 দিতে তাদের

    কোন সমস্যাই হয় না। তারপরো আপনার সন্দেহ হলে

    গুগলে সার্চ দিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।

     ইউটিউবে ইনকাম

    প্রিয় পাঠকবৃন্দ আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন অনলাইনে আয় মাধ্যম গুলোর মধ্যে একটি মাধ্যম হলো ইউটিউবে ইনকাম। ইউটিউবে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষামূলক ভিডিও ও নানা বিষয় ভিডিও ছাড়া বিভিন্ন ধরনের ভিডিও যেগুলো আপলোড করে আপনার ইউটিউব থেকে প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারেন।

    আজকে আমরা আমাদের এই পোস্টে তৈরি করেছি ইউটিউব থেকে কি কি উপায়ে টাকা ইনকাম করা যায় এর উপর আলোচনা করে আশা করছি আপনারা পুরো পোস্টটি ধৈর্য্য সহকারে পড়বেন।

    ইউটিউব এর মাধ্যমে আপনি নিজের প্রতিভাকে কাজে লাগাতে পারেন। ইউটিউবে বেশি ইনকাম করা যায় ভিডিও আপলোড করে।বিভিন্ন ধরনের ভিডিও আছে যেমন রান্নাবিষয়ক ভিডিও বাচ্চাদের নিয়ে ভিডিও শিক্ষামূলক ভিডিও ছাড়া বেশ কিছু হাসির ভিডিও আপলোড করে ইউটিউব থেকে প্রচুর টাকা আয় করা যায়।ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার জন্য আপনার প্রথমে 1000 সাবস্ক্রাইবার এর প্রয়োজন হবে তা না হলে আপনি ইউটিউব থেকে টাকা উঠাতে পারবেন না।এবং যত বেশি ভিউ হবে ততো বেশি ইউটিউব থেকে টাকা আয় করা যায়। ইউটিউব এর মাধ্যমে আপনি আপনার ভেতরের প্রতিভাকে প্রকাশিত করতে পারেন বিভিন্ন ধরনের ভিডিও আপলোড এর মাধ্যমে। যারা ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে তাদেরকে ইউটিউবার বলা হয়।আশা করছি আপনারা ইউটিউব এর মাধ্যমে বিভিন্ন ভিডিও আপলোড করে অনলাইন থেকে প্রচুর টাকা আয় করতে পারেন।

     বাড়তি আয়ের উপায় 

    সাইড বিজনেস কেবলই একটি অতিরিক্ত আয়ের উৎস না। প্রাথমিক আয় দিয়ে স্বচ্ছন্দ্যে চলতে পারলেও একটা সাইড বিজনেস শুরু করার বেশ কিছু সুবিধা আছে। সেগুলি কী কী? কেনই বা আরেকটি নতুন ব্যবসা চালু করবেন?

    ১. দৈনন্দিন জীবনে খরচ বেড়েই চলেছে 

    জীবনযাত্রার জন্য প্রয়োজনীয় সব কিছুর মূল্য বেড়েই চলেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসাভাড়া এখন অনেক বেশি। সব কিছুর জন্যই আপনাকে চড়া মূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে, কিন্তু আমাদের আয় তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ছে না। একটা সাইড বিজনেস থাকলে সেখান থেকে আসা অর্থ আপনি এই খাতগুলিতে কাজে লাগাতে পারবেন।

    ২. আয়ের একাধিক উৎস মানুষকে ক্ষমতায়িত করে 

    বাড়তি আয় একটি স্বস্তিদায়ক বিষয়। যে কারণে মূলত বেশিরভাগ মানুষ সাইড বিজনেস শুরু করে। অতিরিক্ত আয়ের পাশাপাশি নতুন স্কিল বা দক্ষতা শেখা ও চর্চা করার এবং নিজের আগ্রহের বিষয় নিয়ে কাজ করার সুযোগ থাকে।

    ৩. ধার পরিশোধ করা যায় সহজে

    অনেকেই সাইড বিজনেস শুরু করেন ধার পরিশোধের জন্য। এতে মূল ইনকামের ওপর চাপ কমে। ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে আপনার যদি মনে হয় কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করতে পারছেন না, একটা সাইড জব বা বিজনেস শুরু করতে পারেন।

    ৪. সম্পদ তৈরিতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যবহার করা যায় 

    ঋণ পরিশোধ না করতে হলেও একটা সাইড জব করতে পারেন, দ্রুত সম্পদ গড়ে তোলার জন্য। সেটা হতে পারে ইমার্জেন্সির জন্য সঞ্চয় বা ইনভেস্টমেন্ট অ্যাকাউন্ট তৈরি। অতিরিক্ত আয় থাকলে অর্থনৈতিক লক্ষ্য পূরণ সহজ হয়।

    ৫. পছন্দের কাজটি খুঁজে পাওয়া যায়

    ইন্টারনেট ঘাটলে এমন অনেকের গল্প পাওয়া যাবে, যে অনেকেই পছন্দের সাইড বিজনেস শুরু করেছিলেন, তারপর সেটাই তাদের ফুল টাইম জব হয়ে গিয়েছে। পছন্দের কাজের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা সাইড জব বা বিজনেস শুরু করার সবচেয়ে সেরা কারণ। 

    কিন্তু সাইড জবকে কি আপনার ফুল টাইম জবে রূপান্তর করতেই হবে? একদমই না। আপনি কী করবেন তা সম্পূর্ণভাবে আপনার লক্ষ্য ও আগ্রহের ওপর নির্ভর করবে।

    ৬. কোনো কিছু শেখার ভালো উপায় 

    আপনি যখন একজন কর্মীর ভূমিকা পালন করছেন, আপনার কাজের ব্যপ্তি তখন খুবই কম। নির্দেশ মতো কাজ করতে হয়, অফিসের দেয়া ডেডলাইন অনুযায়ী কাজ করতে হয়। সাইড বিজনেসের ক্ষেত্রে আপনি নিজের বস, অর্থাৎ সবকিছু আপনার মন মতোই হবে। 

    সাইড বিজনেস বা জবের জন্য সময় বের করা 

    একটা সাইড বিজনেস করার কারণ খোঁজা এবং এর জন্য সময় বের করা দুইটা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। 

    কী কারণে সাইড বিজনেস শুরু করতে চান তা ভাবার মাধ্যমেই শুরু করতে পারেন। 

    আপনি কি আর্থিক স্থিতিশীলতা চাচ্ছেন? ঋণ পরিশোধ করতে চাচ্ছেন? ধনসম্পদ গড়ে তুলতে চাচ্ছেন? 

    এই প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেলে অবসর সময়ে সাইড বিজনেসের কাজ করা সহজ হবে। 

    সাইড বিজনেসের জন্য সময় বের করতে গেলে আপনি আবিষ্কার করবেন যে আপনার আসলে প্রচুর ফ্রি টাইম আছে। সময়কে ছোট ছোট খণ্ডে ভাগ করে সেই সময়টাতে আপনি কী করেন এক সপ্তাহ ধরে তা পর্যবেক্ষণ করুন।  

    আপনার টাইম ম্যানেজমেন্ট স্কিল অসাধারণ হলেও, আপনি অনেক ফ্রি টাইম খুঁজে পাবেন। যেগুলি সম্পর্কে আপনার কোনো ধারণাই ছিল না, এই সময়গুলি সাইড বিজনেসের কাজে লাগাতে পারেন।



    Tag:সার্ভে করার নিয়ম, android apps দিয়ে টাকা আয়, লিখে আয় করুন, ডেটিং সাইট থেকে আয়, পোকার খেলে আয়, ইন্টারনেটে আয় , ইউটিউবে ইনকাম, বাড়তি আয়ের উপায় 


    0/Post a Comment/Comments

    Previous Post Next Post
    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন
    chrome-extension://oilhmgfpengfpkkliokdbjjhiikehfoo/img/semstorm-32.png