Amazon ও Online থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় | কপি পেস্ট ও মোবাইলে গেম খেলে আয় | কিভাবে ফেসবুক থেকে আয় করা যায়

Amazon ও Online থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় | কপি পেস্ট ও মোবাইলে গেম খেলে আয় | কিভাবে ফেসবুক থেকে আয় করা যায়

 

কপি পেস্ট করে আয়, কিভাবে ফেসবুক থেকে আয় করা যায়, amazon থেকে কিভাবে আয় করা যায়, online এ টাকা ইনকাম করার উপায়, মোবাইলে গেম খেলে টাকা আয় , কিভাবে অনলাইনে আয় করব

    কিভাবে অনলাইনে আয় করব  

    টাইম অফ বিডির পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই শুভেচ্ছা এবং সালাম আসসালামু আলাইকুম রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আপনারা সবাই কেমন আছেন ? আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আপনারা অনেকেই হয়ত জানেননা ফেসবুক এবং অনলাইন থেকে বিভিন্ন উপায়ে টাকা ইনকাম করা যায়। আর তাই আজকে আমাদের পোস্টে আমরা এগুলো সম্পর্কে আলোচনা করব।আমাদের আজকের এই পোষ্ট টি তৈরি করা হয়েছে কিভাবে অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায় এর সম্পর্কে । আমাদের আজকের এই পোস্টের যা যা থাকছে সেগুলো হলোকপি পেস্ট করে আয়, কিভাবে ফেসবুক থেকে আয় করা যায়, amazon থেকে কিভাবে আয় করা যায়, online এ টাকা ইনকাম করার উপায়, মোবাইলে গেম খেলে টাকা আয় , কিভাবে অনলাইনে আয় করব  । আশা করি পুরো পোস্টটি আপনারা ধৈর্য্যয সহকারে পড়বেন এবং সঠিক তথ্যটিিি পাবেন।

    কপি পেস্ট করে আয়

    প্রিয় পাঠকবৃন্দ আপনারা হয়তো অনেকেই জানতে চেয়েছেন কপি পেস্ট করে কিভাবে আয় করা যায়। আর তাই আজকে আমরা আমাদের এই পোস্টটি হাজির করেছি। কপি পেস্ট করে কিভাবে আয় করা যায় এটি আলোচনা করা হয়েছে আমাদের আজকের এই পোস্টে আশা করি আপনারা পুরো পোস্টটি ধৈর্য সহকারে পড়বেন এবং উপকৃত হবেন।

    ২০১০ সালের পর থেকে দেশে ইন্টারনেট সহজলভ্য হতে শুরু করে। এর আগে উচ্চগতি সম্পন্ন ইন্টারনেট আর ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় এমন ডিভাইস ছিলো সাধারণ মানুষের হাতের নাগালের অনেকটা বাইরে।

    ইন্টারনেট যখন সাধারণ মানুষের হাতের নাগালের মধ্যে আসতে শুরু করে, তখনই দেশের অনেক তরুণ ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিংয়ের দিকে ঝোঁকে।

    ও-ই সময়টাতে বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সার মার্কেটপ্লেসগুলো থেকে ডাটা এন্ট্রি আর কপি পেস্ট টাইপিংয়ের মতো ছোট ছোট কাজ যোগাড় করতো আর সেগুলো সম্পন্ন করে পাঁচ থেকে দশ ডলারের মতো আয় করতো।

    অনেকে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ভিজিট করে বা বিজ্ঞাপনের ভিডিয়ো'তে ক্লিক করে আয় করতো। যা ছিল পরিমাণে অত্যন্ত কম। তবুও তখন এসব কাজ করে আয় করা যেতো।

    কিন্তু এখন সময়টা বদলেছে। এখন এরকম রোবোটিক কাজ পাওয়া যায় না৷ যেহেতু এগুলো করতে বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন হয় না, তাই এই কাজগুলোতে সেলারের সংখ্যা বেড়ে গেল। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আয়ের পরিমাণ আরো কমে গেল।

    এখন অবশ্য কোম্পানিগুলো এরকম কাজের জন্য কোনো মানুষকে টাকা দিতে চায় না। বরং সফটওয়্যার ব্যবহার করে কাজগুলো সম্পন্ন করে নেয়।

    যদি এই ২০২১ সালে এসে আপনি অনলাইন থেকে উপার্জন করতে চান, তবে আপনাকে এমন কিছু করতে হবে যেটাতে প্রয়োজন হয় মেধা আর বিশেষ দক্ষতার।

    যদি আপনি ক্রিয়েটিভ আর দক্ষ হন, তবে কেউ আপনার কাজ ছিনিয়ে নিতে পারবে না৷ এমনকি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো যন্ত্র'ও ক্রিয়েটিভ মানুষের জায়গা নিতে পারে না৷

    যদি এমনকিছু করতে চান যাতে নিজের অস্তিত্ব বিলীন হবে না, অন্যকেউ আপনার জায়গা নিতে পারবে না, তবে নিজেকে আরো দক্ষ করে গড়ে তুলুন। দক্ষতা অনেক বড় সম্পদ, যা অন্যদের থেকে আপনাকে আলাদাভাবে উপস্থাপন করবে। 

     কিভাবে ফেসবুক থেকে আয় করা যায়

    ফেসবুক পেইজ বা গ্রুপের মাধ্যমে ব্যবসা করেন অনেকেই, মাঝে মাঝে নিজেকেই প্রশ্ন করেন বা কিছুটা বিরক্তও হন এই ভেবে, “বুস্ট করছি, অথচ, সেল হচ্ছে না!”

    সাধারণত আমরা এ্যাড বা বুস্ট করে থাকি আমাদের পণ্যের প্রচার ও প্রসার এর জন্য। এর পর যখন আমাদের পণ্য বা সেবা জনপ্রিয় হয়ে যায় তখন বেশ বেচা-বিক্রি হয়। আর এই বেচা বিক্রির পরিমাণ ঠিক রাখতে বা আরো বাড়াতে বা প্রতিযোগীতায় টিকে থাকতে আমরা নিয়মিত বিজ্ঞাপণ দেই। এতে করে পণ্যের বিপণন বাড়েবৈ কমে না, কিন্তু সেল বাড়ানোর জন্য শুধু বিজ্ঞাপণই কি যথেষ্ট?

    সেল বাড়ানোর জন্য সফল ব্যবসায়ী বা বড় বড় কম্পানি গুলো কি করে থাকে তার দিকে নজর দেয়া যাক। সেল বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপণ বেশ বড় ধরনের সহায়ক ভূমিকা পালন করে। বিজ্ঞাপন এর পাশাপাশি কাজ করে সেলস ম্যান।

    বড় বড় প্রতিষ্ঠান গুলো ও কিন্তু বিজ্ঞাপণ প্রতিষ্ঠান গুলোর উপর তেমন কোন চাপ প্রয়োগ করতে পারেনা যদি সেল না বাড়ে। বরং সেল না বাড়লে বেচারা সেলস ম্যান এর উপর চড়াও হয় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। তাতে কিছু হলেও সেল বাড়ে, যদিও কম্পানি জানে এর থেকে তার পক্ষে খুব বেশি কিছু করা সম্ভব নয়। একজন সেলস ম্যান কে আর কতই বেতন দেয়া হয়, অন্য দিকে কোটি কোটি টাকা ব্যায় করা হয় বিজ্ঞাপণ দিয়ে, অথচ সেখানে আমাদের বলার কিছু নেই। বরং বিজ্ঞাপণ এর মান খারাপ হলে আরো চমৎকার বিজ্ঞাপণ তৈরির জন্য অর্থ ব্যায় করা হয়।

    আমি তো ভাই ছোট ব্যবসায়ী আমার তো আর সেলস্ ম্যান নাই যে তাকে একটু চাপা চাপি করতে পারি। আমাদের ব্যবসায় আমরা নিজেরাই সেলস ম্যান এবং আমাদের বন্ধু-বান্ধবদেরকেও এখানে সামিল করতে পারি। যেহেতু আমাদের সেলস ম্যান নাই এবং আমাদের ব্যবসার ধরন অনুযায়ী সেলস ম্যান হলেও হয়তো খুব একটা লাভ হতো না, তবে কি করা…

    তবে সব দরজায় কড়া নাড়ার চেষ্টা করতে হবে, যেহেতু অনলাইন ই আমাদের ভরসা সেটাকেই পুজি করে আগাতে হবে। বিজ্ঞাপণ এর সাথে সাথে আমারা আরো কিছু টুলসও ব্যবহার করতে পারি আমাদের পণ্যের ব্যাপক প্রচার বা সেল বাড়ানোর জন্য, তিনটি টুলস নিয়ে খুব সংক্ষেপে বলার চেস্টা করছি, যদিও অনলাইনের মাধ্যমে যারা ব্যবসা করেন তারা কম বেশি সবাই এ টুলস গুলো সম্পর্কে জানেন।

    ওয়েবসাইট

    গুগল বিজনেস পেইজ

    এফিলিয়েট মার্কেটিং

    ১. ওয়েবসাইট: ব্যবসার জন্য যেমন আপনার একটি প্রতিষ্ঠানিক ঠিকানা থাকা দরকার তেমনি বর্তমান সময়ে আপনার নিজের ব্যবসার জন্য অবশ্যই একটি ওয়েবসাইট থাকা দরকার। আর অধিকাংশ ব্যবসাই যেহেতু অনলাইন নির্ভর তাই আপনার জন্য একটি ইকর্মাস ওয়েবসাইট অতি জরুরী অটোমেটেড পেমেন্ট, অর্ডার ডিটেইলস, কাস্টমার এর তথ্য ও স্টক ম্যানেজম্যান্ট এর জন্য। খুব অল্প টাকাতেই আপনি একটি ইকমার্স সাইট রেডি করতে পারেন।

    ২. গুগল বিজনেস পেইজ: আমরা যেমন ফেসবুক এ পেইজ খোলে ব্যবসা করছি ঠিক এরকমই একটা সেবা প্রদান করছে গুগল বিজনেস। এখানে আপনার ব্যবসার বিস্তারিত তথ্য ও পণ্যের মূল্য দিয়ে রাখতে পারেন যাতে করে গুগল সার্স ও গুগল ম্যাপ এর মাধ্যমে আপনাকে আপনার লোকাল এরিয়ায় খুব সহজেই খুজে পাওয়া যায়।

    ৩. এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং: যদিও এটি টুলস নয় একটি মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি, যার মাধ্যমে আপনি আপনার অসংখ্য সেলস ম্যান তৈরি করতে পারেন। কিভাবে? আপনার ফেসবুক গ্রুপে জানিয়ে দিন যারা আপনার পণ্য সেল করে দিবে তাদের আপনি লভ্যাংশ্যের একটা অংশ দিবেন। আপনার পণ্য যদি মান সম্মত হয় তবে অনেকেই হয়তো আপনার পণ্যের মার্কেটিং করে কিছু আয় করবার চেস্টা করবে। তাদের লাভ, তাদের কোন পণ্য উৎপাদন না করেই আপনার পণ্য বিক্রির মাধ্যমে আয়। আপনার লাভ বেতন ছাড়াই অসংখ্য কর্মী কাজ করবে আপনার জন্য।

    শুধুমাত্র বিজ্ঞাপণ এর উপর নির্ভর না করে পাশাপাশি কিছু টুলস ব্যবহার করে ভাল ফল পেতে পারেন। আরো একটা বিষয় মনে রাখবেন, ফেসবুক পেইজ যদিও আপানার প্রতিষ্ঠানের নামে, তার পরও এটি কিন্তু আপনার নয়, এটি ফেসবুক এর, আর তাই নিজের একটি ওয়েবসাইট খুবই প্রয়োজন। ফেসবুক তার নিয়ম না মানলে যেকোন সময় আমার আপনার পেইজ ডিজএবল করে দিতে পারে। তাই পেইজ ও বুস্টিং সংক্রান্ত পলিসি গুলো ভালভাবে বুঝার চেস্টা করুন এবং নিয়ম মেনে বুস্টিং করুন আশাকরি ভাল ফলাফল পাবেন।

     amazon থেকে কিভাবে আয় করা যায় 

    প্রিয় পাঠকবৃন্দ আপনারা হয়ত বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় খুঁজছেন অ্যামাজন থেকে কিভাবে আয় করা যায় আর তাই আজকে আমাদের এই পোস্টটি নিয়ে হাজির হয়েছি অ্যামাজন থেকে আপনারা কিভাবে টাকা আয় করতে পারে সে সম্পর্কে বিশ্লেষণ করেন পুরো পোস্টটি দয়া করে পড়বেন তাহলে সহজেই বুঝতে পারবেন।

    KDP - Kinle Direct Publishing মানে এমাজনে নিজেই বই বানিয়ে নিজেই প্রকাশ করা। এটা বাংলাদেশে নতুন। বাংলাদেশে low content অনেক আগেই এসেছে তবে kindle publishing টা নতুন। খুব তাড়াতাড়ি এই সেক্টর কি বাংলাদেশে অনেক পরিচিতি লাভ করবে। কারন এখন প্রতিটি ঘরে ঘরে সবাই ফ্রিল্যান্সিং করতে চায়। তবে digital Marketing, web development, web design,graphics design সবাই এর বাইরে আর কিছু সম্পর্কে জানেনা। তাই সবাই এই course গুলো সস্থায় পেয়ে নেমে পড়ে। আর শেষে দেখা যায় প্রতিটি ঘরে ঘরে ফ্রিলেন্সার হওয়ার কারনে কম্পিটিশন বেড়ে যায়। fiveer এর বাংলাদেশের গ্রুপে গেলে দেখতে পারবেন অনেকে ৩/৪ মাস ধরে বসে থাকে কোনো কাজ নেই। কারন কম্পিটিশন বেড়ে যায়। এবং non qualified কিছু মানুষ আসে যারা কাজ পেলেও ভালো করে করে দিতে পারেনা।যার ফলে যিনি কাজ দিয়েছেন তিনি unsatisfied হন।তখন তিনি চান তার কাজ টা কোনো expert কেউ করুক।তাই নতুন রা কাজ শিখেও শেষে এই সব marketplace এ গিয়ে ঝরে পড়ে। তবে kdp এমন একটা সেক্টর যেখানে নিজের মেধা কে কাজে লাগিয়ে একটা বই কে যদি best seller. বানানো যায় তখন সেই বই থেকে সারাজীবন বসে বসে খাওয়া যায়। একবার কাজ করবেন আর সারাজীবন সেই বই আপনাকে ইনকাম দেবে। এখানে kdp course মানে একটা সম্পুর্ন guideline. সাথে অনেক প্রিমিয়াম এক্সেস। যেগুলো ইউস করে আপনারা অনেক ভালো ইনকাম করতে পারবেন। এখানে ৬ মাস একটানা লেগে থাকলে তার পর থেকে প্রতি মাসে নিম্নে ৪০ হাজার টাকা ইনকাম করা সম্ভব। google এ kdp amazon earning লিখে search দিয়ে দেখতে পারবেন image section এর মাঝে, বিদেশি যারা ১০/১৫ বছর ধরে কাজ করছে তারা প্রপ্তি মাসে ১৫/২০ লাখ টাকা ইনকাম করে প্রতিমাসে,বাংলাদেশি টাকায় (তবে তাদের দেশে self publish kdp) টা চাকরির মত করে সিরিয়াস ভাবে নেয়।এক কথায় কোনো কিছুর পিছনে লেগে থাকলে সেটা আপনাকে সাকসেস দেবেই। তবে কেউ যদি ১ বছর লেগে থাকে টানা প্রতি মাসে ১০০,০০০ টাকা + আয় করা সম্ভব। তবে সেটার জন্য যেমন দরকার hard work, তেমন দরকার সৃজনশীলতা। বই এর সংখ্যা বেশি হলে বিক্রি ও বেশি। ইনকাম ও বেশি। টাকা টা কিভাবে আসে? amazon paid করে payoneer এ। এবং payoneer paid করে বাংলাদেশি যেকোনো bank account (like dbbl) এখানে কাজ করার জন্য কি থাকতে হবে?? শুধু দরকার ইচ্ছাশক্তি, আর একটা laptop / Computer আমি পারব? কাজ করতে??? ইংরেজি মোটামুটি বুঝতে হবে,এবং কোনো কিছু বুঝালে, সেটা বুঝার ক্ষমতা থাকলেই হবে এবং এই course আমাদের গ্রুপ provide করবে সম্পুর্ন moneyback guarranty. kdp work - amazon এ আপনার বই পাব্লিশ করবেন। এমাজন আপনার থেকে royality রাখবে + প্রিন্টিং cost.. বাকিটা আপনার account এর মাঝে এড হবে।

    online এ টাকা ইনকাম করার উপায়

    অনলাইনে আয় করার জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং বর্তমানে সবচে জনপ্রিয় একটি ক্ষেত্র।বর্তমান সময়ে সবার কাছে পণ্য বা সেবা প্রচারের সেরা মাধ্যম ডিজিটাল মার্কেটিং। সুতরাং ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করে ঘরে বসেই সহজ , নিরাপদ এবং সময়োপযোগী আয়ের ব্যবস্থা করে নিতে পারেন আপনিও! 

    ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্সে যা যা থাকছে-

    ই-মেল মার্কেটিং

    সিপিএ মার্কেটিং

    আমাজন আফ্লিয়েট মার্কেটিং

    সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাউজেশন (SEO)

    সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং

    সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

    ই-কমার্স মার্কেটিং

    ডাটা এন্ট্রি

    অ্যাডসেন্স

    ইমেইল টেম্পলেট

    ফাইবার, আপওয়ার্ক লাইভ প্র্যাকটিস

    এবং অন্যান্য।

    মোবাইলে গেম খেলে টাকা আয়

     গেম খেলে ইনকাম করুন 

    হে বন্ধুরা, গেম খেলেও আপনারা অনলাইন টাকা আয় করতে পারবেন।

    ইন্টারনেটে এমন অনেক ওয়েবসাইট ও mobile apps রয়েছে, যেগুলোতে আপনারা গেম খেলে ইনকাম করতে পারবেন।

    তাছাড়া, বিভিন্ন এমন gaming company রয়েছে, যারা game গুলি tasting করার ক্ষেত্রে, বিভিন্ন লোকেদের গেম গুলো খেলে taste করার জন্য টাকা দেন।

    তবে, এই ধরণের gaming company গুলোর বিষয়ে আরো অধিক আমি আপনাদের বলতে পারছিনা।

    কিন্তু হে, যদি আপনারা মোবাইলে গেম খেলে টাকা আয় করার বিষয়ে ভাবছেন, তাহলে এই ব্যাপারে আমি আগেই আপনাদের বলেছি।

    এভাবে, কিছু গেমস খেলেও আপনারা online part time income করতে পারবেন।


     Tag:কপি পেস্ট করে আয়, কিভাবে ফেসবুক থেকে আয় করা যায়, amazon থেকে কিভাবে আয় করা যায়, online এ টাকা ইনকাম করার উপায়, মোবাইলে গেম খেলে টাকা আয় , কিভাবে অনলাইনে আয় করব  


    0/Post a Comment/Comments

    Previous Post Next Post
    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন
    chrome-extension://oilhmgfpengfpkkliokdbjjhiikehfoo/img/semstorm-32.png