দেখুন শবে কদর ২০২১ কবে , কত রাকাত নামাজ, নিয়ত, নিয়ম, আমল, দোয়া, ফজিলত সহ বিস্তারিত

দেখুন শবে কদর ২০২১ কবে , কত রাকাত নামাজ, নিয়ত, নিয়ম, আমল, দোয়া, ফজিলত সহ বিস্তারিত

 কদরের নামাজ পড়ার নিয়ম, শবে কদরের নামাজ পড়ার নিয়ম, লাইলাতুল কদর নামাজ পড়ার নিয়ম, শবে কদরের নিয়ত, লাইলাতুল কদরের নিয়ত, শবে কদরের নামাজ কয় রাকাত, শবে কদরের ইবাদত, শবে কদরের আলামত, শবে কদরের আমল সমূহ,  লাইলাতুল কদর কবে,  শবে কদরের নামাজের নিয়ম, শবে কদরের দোয়া, লাইলাতুল কদরের দোয়া, শবে কদরের নামাজ, লাইলাতুল কদর নামাজের নিয়ম

    কদরের নামাজ পড়ার নিয়ম | শবে কদরের নামাজ পড়ার নিয়ম

    আসসালামু আলাইকুম প্রিয় মুসলিম ভাই-বোনেরা,কেমন আছেন? আশা করি আপনারা ভালো আছেন।আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। ইসলাম প্রিয় ভাই-বোনেরা আপনারা অবশ্যই অবগত আছেন পবিত্র শবে-কদর আমাদের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ।হাজার মাসের চেয়েও উত্তম একটি রাত পবিত্র শবে কদর।যদি এই একটি রাতকে মুসলিম উম্মাহ সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারে তাহলে পরকালে  খুব সহজে পারপাবে। পবিত্র শবে কদরের এই রাত্রিকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোর জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানার দরকার।সত্য কথা বলতে, মুসলিম উম্মাহের মধ্যে অনেকেরই এই রাতের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানা নেই।সুতরাং আজ আমরা আলোচনা করব পবিত্র শবে কদরের নফল নামাজ,নফল আমল এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দোয়া ইত্যাদি।

    শবে কদর’ কথাটি  মূলত ফারসি শব্দ।শব শব্দের অর্থ রাত বা রজনী এবং কদর মানে সম্মান অথবা  মর্যাদা এবং গুণাগুণ, সম্ভাবনা, ভাগ্য ইত্যাদি।শবে কদর শব্দের  অর্থ হচ্ছে মর্যাদার রাত অথবা ভাগ্যরজনী।শবে কদরের আরবি শব্দ হচ্ছে লাইলাতুল কদর তথা সম্মানিত রাত।যে রাতে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে, সে রাতই লাইলাতুল কদর। আল্লাহ তাআলা বলেন: ‘নিশ্চয়ই আমি কোরআন নাজিল করেছি মর্যাদাপূর্ণ কদর রজনীতে।

    রোজা এবং তারাবীহ নামাজের পাশাপাশি রমজান সম্পর্কে যে একটি বিষয় সবচেয়ে বেশি জানা যায় তা হ'ল লায়লা তুল কদর। এটি রমজানের শেষ দশ দিনের বরকতময় রাত এবং এই রাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ প্রতিটি নেক আমল ও আনুষঙ্গিক পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে পুরস্কৃত হয়, সুতরাং, প্রতিটি মুসলমান এই রাতটিকে ধরার চেষ্টা করে এবং এই রাতে ন্যায়পরায়ণ কাজ করে।

    শবে কদরের ইবাদত

    আপনি কি জানতে ,মহিমান্বিত কদর রজনী কী? মহিমান্বিত কদর  রজনী  হচ্ছে হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম।সে রাতে আল্লাহর ফেরেশতাগণ হযরত জিবরাইল (আ.) সমভিব্যাহারে অবতরণ করেন; তাঁদের মালিক মহান  আল্লাহর নির্দেশ ও অনুমতিক্রমে, সকল বিষয়ে শান্তির বার্তা নিয়ে।এই শান্তির ধারা চলতে থাকবে উষা পর্যন্ত।(আল কোরআন-সুরা-৯৭ [২৫] আল কদর (মাক্কি), রুকু: ১/২২, আয়াত: ১-৫, মঞ্জিল: ৭, পারা: ৩০ আম্ম-সি পারা, পৃষ্ঠা ৬০৫/১৯)।ভারতীয় উপমহাদেশ,পারস্যসহ পৃথিবীর বহু দেশের ফারসি, উর্দু, বাংলা, হিন্দি নানান ভাষাভাষী মানুষের কাছে এটি ‘শবে কদর’ নামেই ্স্বীকৃ্ত।

    পবিত্র কোরআন নাজিলের মাস হচ্ছে রমজান মাস।কোরআন নাজিলের রাত হচ্ছে  শবে-কদর ।এ রাতেই প্রথম পবিত্র মক্কা মুকাররমার হেরা পর্বতের গুহায় মহান রবের  পক্ষ হতে ফেরেশতাদের সরদার হযরত জিবরাইল (আ.) মাধ্যমে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর প্রতি মহাগ্রন্থ আল-কোরআন অবতীর্ণ হয়েছিল। আল্লাহ তা'আলা বলেছেন: ‘রমজান মাস হচ্ছে- যে মাসে কোরআন নাজিল হয়েছে মানুষের দিশারি ও হেদায়াতের সুস্পষ্ট নিদর্শনরূপে।(আল কোরআন)।

    শবে কদরের আমল সমূহ

    কোরআন হচ্ছে  সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানি কিতাব। আসমানি কিতাব সমূহের মধ্যে একশ সহিফা, চারখানা বড় কিতাব সহ মোট একশ চারটি কিতাবের মধ্যে কোরআন হচ্ছে সেরা। কারণ,এই কিতাব নাজিল হয়েছে সর্বশেষ নবী, সর্বশ্রেষ্ঠ নবী,নবীগনের ইমাম,রাসুলদের সরদার,সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হযরত মুহাম্মাদ মুস্তফা আহমদ মুজতবা (সা.)-এর প্রতি।এই কোরআনের স্পর্শ অনেক সৌভাগ্যের বিষয় । হযরত জিবরাইল (আ.)এই কোরআন বহন করার ফলে ফেরেশতাদের সরদার হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেছেন। মরুরময় দেশ ‘জজিরাতুল আরব’ এই কোরআনের স্পর্শেই পবিত্র আরব ভূমির সম্মান লাভ করেছেন। অলক্ষুনে ও দুর্ভোগময় খ্যাত ‘ইয়াসরিব’ এই কোরআনের বরকতেই পুণ্য ভূমি ‘মদিনা মুনাওয়ারা’র সম্মানে ধন্য হয়েছে। তাগুতের আখড়া পাপের আকর শিরক ও কুফরের শীর্ষ তীর্থস্থান ‘বাক্কা’ এই কোরআনের তাজাল্লিতে পবিত্র মক্কা নগরীতে পরিবর্তিত হয়েছে।এই কোরআনের স্পর্শে স্বল্পমূল্য কাপড়ের ‘গিলাফ’ বুকে জড়ানোর সম্মান পেয়েছে।এই কোরআনের ছোঁয়ায় সাধারণ কাঠের ‘রেহাল’ সম্মানে চুমু পেয়েছে।

    পরিশেষে কোরআনের স্পর্শে একটি সাধারণ রাত ‘লাইলাতুল কদর’ বা ‘শবে কদর’ রজনীর সম্মানের সাগরে ডোবে আছে।কোরআনের সাথে যার যতটুকু সম্পর্ক ও স্পর্শ থাকবে, তিনি ততটুকু সম্মানিত ও মর্যাদার সম্পূর্ণ হবেন।প্রিয় হাবিব (স.)বলেন , ‘কোরআনওয়ালাই আল্লাহওয়ালা এবং তাঁর খাটি ব্যক্তি।(বুখারি শরিফ)। ‘যার অন্তরে কোরআনের নুন্যতম অংশ নেই, সে যেন এক বিরান বাড়ি।’ (বুখারি ও মুসলিম শরিফ)

    লাইলাতুল কদর কবে  | শবে কদরের আলামত

    ফজিলত:

    লায়লাতুল কদর ইসলামিক পঞ্জিকার অন্যতম বরকতময় রাত এবং সম্ভবত ইসলামের পবিত্রতা ও পবিত্রতায় এর সমান আর কোনও রাত নেই। এই রাতটি সাধারণত রমজানের শেষ দশ দিনের মধ্যে থাকে এবং days দিনের মধ্যে এটি আশ্রয়ের বিজোড় রাত্রে থাকে। নীচের লাইনগুলি বিভিন্ন আয়া ও হাদীসের আলোকে রাতের কয়েকটি বড় ফজিলত দেয়।

    কুরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেছেন:

    “নিশ্চয়ই আমরা একে (কুরআন) নাযিল করেছি আল কদরের রাতে।

    কুরআনের এই আয়াত থেকে এটা আরও স্পষ্ট যে, লাইলাতুল কদরের সাথে জড়িত সবচেয়ে বড় গুণ হ'ল এই রাতে আল্লাহতায়ালা মানবতার উপর কুরআন দান করেছিলেন, যা সম্ভবত মানবতার জন্য আল্লাহ প্রেরণ করেছেন সবচেয়ে বড় উপহার। সুতরাং, যদি কোনও মুসলমান কোনও কারণে রাতটি উদযাপন করে তবে সবচেয়ে বড়টি সম্ভবত এটি হতে পারে যে আল্লাহ এই রাতে মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর তাঁর সবচেয়ে বড় উপহারটি অবতীর্ণ করেছেন, সুতরাং এই অতি উপহারের জন্য এটি উদযাপিত হওয়া উচিত । আপনি এটি উদযাপন করতে পারেন এমন অনেকগুলি উপায় থাকতে পারে, তবে চূড়ান্ত বিকল্পটি হ'ল এই অত্যন্ত বরকতময় রাত থেকে পবিত্র কুরআন পড়া ও বুঝতে শেখা শুরু করা। তার জন্য, আপনি অনলাইন কুরআন ক্লাসের জন্য কুরআনআরেডিং ডটকম এ যোগদান করতে পারেন এবং সঠিক তাজবীদ ও অর্থ সহ কুরআন বোঝার এবং পড়া শুরু করতে পারেন।

    কুরআনের আর একটি জায়গায় মহান আল্লাহ তায়ালা বলেছেন:

    “আল কদরের রাত হাজার মাসের চেয়ে উত্তম (অর্থাত্ সেই রাতে আল্লাহর ইবাদত করা তাঁর এক হাজার মাস, অর্থাৎ (৮৩বছর ৪ মাস) ইবাদতের চেয়ে উত্তম। 

    কুরআনের এই আয়াতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বছরের বিভিন্ন রাত্রিতে লাইলাতুল কদর যে ধরণের লম্বা ও পবিত্রতার উপভোগ করেন তা দেখান। অধিকন্তু, আয়াতে আরও বলা হয়েছে যে এক হাজার মাসে নামাজের চেয়ে এই রাতে নামাজ পড়ার সওয়াব বা কার্যকারিতা অবশ্যই ভাল তবে, প্রত্যেক মুসলমানকে অবশ্যই এই রাত্রে যতটা সম্ভব প্রার্থনা করার চেষ্টা করতে হবে অমীমাংসিত এবং বিস্তৃত পুরষ্কার পাওয়ার জন্য।

    হযরত মুহাম্মদ (সা।) তাঁর এক হাদিসে এই রাত সম্পর্কে নিম্নলিখিত উপায়ে বলেছেন:

    "যে ব্যক্তি আন্তরিক ofমানের কারণে কদরের রাতে সালাহকে প্রতিষ্ঠিত করে এবং আল্লাহর কাছ থেকে প্রতিদানের প্রত্যাশায় তার পূর্ববর্তী সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।" (বুখারী)

    এই হাদিসটি আবার লাইলাতুল কদরের মহান গুণাবলীর উপর জোর দিয়েছে। এই হাদীসটিতে বলা হয়েছে যে পূর্ববর্তী পাপগুলির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করার জন্য এই ব্যক্তির পক্ষে এই রাতটি সর্বোত্তম বিকল্প। একজন মুসলিমকে যা করতে হবে তা আন্তরিকভাবে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে, যা তিনি অবশ্যই এই রাতে প্রদান করবেন। সুতরাং, লাইলাতুল কদরকে ক্ষমা চাওয়ার উপায় হিসাবে সর্বোত্তমভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

     শবে কদরের দোয়া | লাইলাতুল কদরের দোয়া

    লাইলাতুল কদর যেহেতু একটি বিশেষ অনুষ্ঠান তাই এক মুসলমানের প্রতিদিনের রমজানের দু'আর পাশাপাশি এই অনুষ্ঠানের জন্য বিশেষ দোয়া করাও জরুরি। লাইলাতুল কদরের সময় একজন মুসলিম যে বিশেষ দোয়া করতে হবে তা সম্পর্কে আয়িশা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন:

    “হে আল্লাহর রাসূল! (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), যদি আমি জানতাম যে কোন রাতটি লাইলাতুল কদর, তবে এর সময় আমার কী বলা উচিত? " মহানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে আবৃত্তি করার উপদেশ দিয়েছিলেন:

    "আল্লাহুম্মা ইন্নাকা` আফুউউউন তুহ.আইবুল `আফওয়া ফাফু` অ্যানি "

    অনুবাদ: হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল, এবং আপনি ক্ষমা ভালবাসেন। সুতরাং আমাকে ক্ষমা করুন। (তিরমিযী)

    লাইলাতুল কদর নামাজ পড়ার নিয়ম | শবে কদরের নিয়ত
    লাইলাতুল কদরের নিয়ত | শবে কদরের নামাজ কয় রাকাত

    পবিত্র শবে কদরের রাতে যত বেশি পারবেন নামাজ পড়বেন,আল কোরআন তেলাওয়াত করুন, জিকির ও দোয়া করুন। যেন আল্লাহ্‌ তা'য়ালা আপনার আগের গুনাহ ক্ষমা করে দেন ও রহমত এবং বরকত দান করেন।এই রাত নামাজ সহ বিভিন্ন ইবাদতের মধ্যদিয়ে কাঁটিয়ে দিবেন।

    দুই রাকআত করে সালাম ফিরিয়ে ন্যূনতম আট রাকআত থেকে যত সম্ভব পড়তে পাারেন।সূরা ফাতেহার সঙ্গে আপনার জানা যেকোনো সূরা মিলিয়ে পড়লেই হবে।কিছু ব্যতিক্রম নিয়মে সূরা ফাতেহার সাথে ৩৩(তেত্রিশ) বার সূরা আল-কদর, ৩৩(তেত্রিশ) বার ইখলাস পড়লেও অসুবিধার কোন কারণ হবে না।

    “সুবাহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়া লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার” এ দোয়া পাঠ করলে অনেক সওয়াব পাওয়া যায়।

    শবে কদরের নামাজের নিয়ম | শবে কদরের নামাজ

    শবে-কদরের নামাজের নিয়ত :নাওয়াইতু-আন উছাল্লিয়া লিল্লা হি তা'আলা রাকাতায় সালাতিল লাইলাতিল ক্বাদরি মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল ক্বা'বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার

    হাদিস শরীফে বর্ণনা আছে যে, হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ৪(চার) রাকয়াত নামাজ পড়বে কদরের রাতে  ও উক্ত নামাজের প্রত্যেক রকয়াতে সূরা ফাতিহার পড়ার পর ২১(একুশ) বার করে সূরা ইখলাছ পাঠ করবে, আল্লাহ তা'য়ালা এই ব্যক্তিকে নব্য ভুমিষ্ঠ শিশুর ন্যায় নিষ্পাপ করে দিবেন ও বেহেশতের মাঝে এক মনোমুগ্ধকর মহল বানিয়ে দিবেন।

    লাইলাতুল কদর নামাজের নিয়ম

    অন্য এক হাদিসে বর্ণনা দিয়েছেন, হযরত রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কদরের রাত্রীতে ৪ রাকাত নামাজ পড়বে ও উহার প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহার পড়ার পরে সূরা ক্বদর ও সূরা ইখলাছ ৩(তিন) বার করে পাঠ করবেন, নামাজ শেষে সিজদায় গিয়ে নিচের দোয়াটি কিছু সময় পড়বেন।আল্লাহর কাছে যা-ই চাইবেন তিনি তাই কবুল করবেন ও তার প্রতি অসংখ্য রহমত দান করবেন।

    দোয়াটি হচ্ছে : “সুবাহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়া লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার”

    জিকির এবং দোয় 

    হাদিসে যে দোয়া ও জিকিরের বেশি গুরুত্বের কথা বলা হয়েছে, সেগুলো হতে কয়েকটি বাচাই করে অর্থসহ  বুঝে বার বার পড়তে পারেন।ইস্তেগফার ও দরুদ আল্লাহর দরবারে ওনেক পছন্দনীয়।কমপক্ষে ১০০(একশ) বার ইস্তেগফার এবং ১০০ (একশ)বার দরুদ পড়তে পারেন।

     

    tags: কদরের নামাজ পড়ার নিয়ম, শবে কদরের নামাজ পড়ার নিয়ম, লাইলাতুল কদর নামাজ পড়ার নিয়ম, শবে কদরের নিয়ত, লাইলাতুল কদরের নিয়ত, শবে কদরের নামাজ কয় রাকাত, শবে কদরের ইবাদত, শবে কদরের আলামত, শবে কদরের আমল সমূহ,  লাইলাতুল কদর কবে,  শবে কদরের নামাজের নিয়ম, শবে কদরের দোয়া, লাইলাতুল কদরের দোয়া, শবে কদরের নামাজ, লাইলাতুল কদর নামাজের নিয়ম

    0/Post a Comment/Comments

    Previous Post Next Post
    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন

      ALL UNIVERSITY ADMISSION NEWS

     অ স ম দিয়ে অর্থ স ছেলে মেয়েদের নাম  

    ত ন ফ দিয়ে ইসলামিক নাম অর্থ সহ 

    ম জ হ ব দিয়ে ইসলামিক নাম অর্থ সহ 

    ই এ উ ষ দিয়ে ইসলামিক নাম অর্থ সহ 

    মুসলিম শিশুদের আধুনিক নাম অর্থ সহ 

    হিন্দু ছেলে মেয়েদের নাম অর্থ সহ 

    ত দিয়ে হিন্দু ছেলে মেয়েদের নাম অর্থ সহ 

    ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেনীর বই ও নোট   ভর্তির জন্য সকল প্রাকার বই ও নোট   সকল শ্রেনীর পড়ার সিলেবাস    বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি    বাংলা এবং ইংরেজি গ্রামাটিকাল নিয়মাবলী    শুভ বিকাল এসএমএস    শুভ সন্ধ্যা এসএমএস   গুড মর্নিং এসএমএস    শুভ রাত্রি এসএমএস   একাদশ দ্বাদশ শ্রেনির সকল বই ও নোট    সকল প্রকার চাকরির বিজ্ঞপ্তি    সকল প্রকার দোয়া আমল নিয়ম নিয়ত   মাদ্রাসার সকল প্রকার  নোট ও সাজেশন      প্রাইমারি স্কুলের সকল প্রকার বই ও নোট     রমজান মাসের ক্যালেন্ডার     এসএসসি ও এইচএসসি রুটিন 

     শাফি নামের অর্থ  রায়ান নামের অর্থ  জায়ান নামের অর্থ 





      























































    আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে ক্লিক করুন
    chrome-extension://oilhmgfpengfpkkliokdbjjhiikehfoo/img/semstorm-32.png