বিশেষ রাতের নফল ইবাদাত | রাতের নফল আমল - Time Of BD - Education Blog

হ্যাপি নিউ ইয়ার ২০২৩ ভিজিটর বন্ধুরা। দোয়া করি, এই বছরের প্রতিটি মুহুর্ত যেনো সকলের অনেক আনন্দে কাটে।

বিশেষ রাতের নফল ইবাদাত | রাতের নফল আমল

কদরের রাতের দোয়া, ঈদের রাতের আমল, বৃহস্পতিবার রাতের আমল, ঈদের রাতের ফযীলত, কদরের রাতের ফজিলত, আদাবুয যিফাফ pdf, শবে বরাতের রাতের আমল, রাতের আঁধারে যারা সেজদাতে রয়

    কদরের রাতের দোয়া | কদরের রাতের ফজিলত

    আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ, প্রিয় বন্ধুরা কেমন আছেন?আশা করি আপনারা ভালো আছেন।আমিও আল্লাহ রহমতে ভালো আছি।

    প্রিয় বন্ধুরা আজকে আমরা এই পোস্টে যা যা বিষয় নিয়ে আলোচনা করব তার একটি চার্ট নিচে দেওয়া হল;

    1. কদরের রাতের দোয়া
    2. ঈদের রাতের আমল
    3. বৃহস্পতিবার রাতের আমল
    4. ঈদের রাতের ফযীলত
    5. কদরের রাতের ফজিলত
    6. আদাবুয যিফাফ pdf
    7. শবে বরাতের রাতের আমল
    8. রাতের আঁধারে যারা সেজদাতে রয়

    লাইলাতুল কদর বা শবে কদর। রমজানের শেষ দশকের একটি রাত। যে রাতের মর্যাদা ঘোষণায় বলা হয়েছে যে, হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। যে কেউ এ রাতে একটি আমল করবে তা হাজার মাসের আমল হিসেবে পরিগণিত হবে।

    এ কারণেই বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজানের শেষ দশকে ইবাদতের নিয়তে মসজিদে অতিবাহিত করতেন। যাতে কোনোভাবে শবে কদর থেকে বঞ্চিত হতে না হয়।

    শবে কদরে কোন দোয়াটি বেশি বেশি পড়বেন? এ বিষয়ে বিশ্বনবি কি বলেছেন? হাদিসে এসেছে-

    হজরত আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, একবার আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলাম,হে আল্লাহর রাসুল! আপনি বলে দেন,আমি যদি লাইলাতুল কদর কোন রাতে হবে তা জানতে পারি, তাতে আমি কী(দোয়া) পড়বো?

    রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমি বলবে-

    اللَّهُمَّ إِنَّكَ عُفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

    উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুওয়ুন; তুহিব্বুল আফওয়া; ফাফু আন্নি।

    এ ছাড়াও আল্লাহ তাআলার ক্ষমা লাভে কুরআনুল কারিমে তিনি বান্দার জন্য অনেক দোয়া তুলে ধরেছেন। যা নামাজের সেজদা, তাশাহহুদসহ সব ইবাদত-বন্দেগিতে পড়ার জন্য তাগিদ দিয়েছেন। আর তাহলো-

     رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَأَنْتَ خَيْرُ الرَّاحِمِيْنَ

    উচ্চারণ : 'রাব্বিগফির ওয়ারহাম ওয়া আংতা খাইরুর রাহিমিন।

    অর্থ : ‘হে আমার প্রভু! (আমাকে) ক্ষমা করুন এবং (আমার উপর) রহম করুন; আপনিই তো সর্বশ্রেষ্ঠ রহমকারী।' (সুরা মুমিনুন : আয়াত ১১৮)

    ঈদের রাতের আমল

    ঈদ আমাদের মাঝে আনন্দের বারতা যেমন নিয়ে আসে, তেমনি নিয়ে আসে আল্লাহর নৈকট্যলাভের মহাসুযোগ। বিশেষত ঈদের রাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ফজিলতমণ্ডিত।

    হাদিসে বর্ণিত হয়েছে,ঈদের রাতে জেগে থাকা এবং ইবাদত করার গুরুত্ব, মাহাত্ম্য এবং ফজিলত বহু।সেসব হাদিসের আলোকেই এখানে উল্লেখ করা হয়েছে ঈদের রাতে ইবাদতের গুরুত্ব ও ফজিলত।

    হজরত আবু উমামা (রা.)থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন, যে মানুষ দুই ঈদের রাত জাগবে শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য।যেদিন (হাশরের দিন) সবার অন্তর মারা যাবে, সেদিন তার অন্তর মরবে না।

    হজরত মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত,তিনি বলেছেন,হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে মানুষ পাঁচ রাত জেগে থাকবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব। সেই পাঁচটি রাত হলো-

    একঃজিলহজ মাসের আট তারিখের রাত।

    দুইঃজিলহজের ৯ তারিখের রাত।

    তিনঃঈদুল আজহার রাত।

    চারঃঈদুল ফিতরের রাত।

    পাঁচঃ১৫ শাবানের রাত।

    ঈদের রাতের ফযীলত

    হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এমন পাঁচটি রাত আছে, যে রাতে কোনো দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। রাতগুলো হলো-

    একঃজুমার রাত।

    দুইঃরজব মাসের প্রথম রাত।

    তিনঃশাবান মাসের ১৫ তারিখের রাত।

    চারঃঈদুল ফিতরের রাত।

    পাঁচঃঈদুল আজহার রাত।

    বর্ণিত হাদিসগুলোয় ঈদের রাতসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাতগুলোর অন্যতম। ওপরে বর্ণিত হাদিসগুলো ছাড়াও আরও অসংখ্য হাদিসে ঈদের রাতে ইবাদতের গুরুত্ব ও ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, যে দিন মানুষের অন্তর মারা যাবে, সেদিন ঈদের রাতের ইবাদতকারীর অন্তর মরবে না। হাদিসের মর্মার্থ তো এই, কেয়ামতে ভয়াবহ তাণ্ডবের সময় প্রতিটি মানুষের অন্তর যখন হাশরের ময়দানে ভয় আশঙ্কা অস্থিরতায় মৃতপ্রায় হয়ে থাকবে। মানুষের হুশ-জ্ঞান বলতে থাকবে না কিছু। ঈদের রাতে আমলকারীর হৃদয় তখনও সজীব ও সতেজ থাকবে। সেদিন তার অন্তর মারা পড়বে না। বরং থাকবে সদা প্রফুল্ল।

    আরেকটি বড় প্রাপ্তি হলো ঈদের রাতের, এ রাতে দোয়া কবুল করা হয়। ফিরিয়ে দেওয়া হয় না কোনো দোয়া ।বরং আল্লাহতায়ালার কাছে তা সরাসরি কবুল হয়। তাই আমরা আমাদের ইবাদতের সাথে সাথে ঈদের রাতে আল্লাহতায়ালার কাছে আমাদের প্রয়োজনগুলো চাইতে পারি।আল্লাহতায়ালার কাছে ক্ষমা কামনা, কবরের আজাব থেকে রেহাই পাওয়া, জাহান্নামের আগুন থেকে মক্তি চেয়ে দিন সকালে একেবারে নিষ্পাপ মাসুম শিশুর মতো পবিত্র ঈদের ময়দানে আল্লাহর পুরস্কার নেওয়া ও প্রতিদান লাভের উত্তম সুযোগ অন্য কোনো রাতে আছে কি?

    আজকের রাত আমাদের জন্য, এই দুনিয়ার যাবতীয় কল্যাণ লাভ এবং মঙ্গল কামনা করার রাত। সেই সঙ্গে আজ রাত জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভের মহাসুযোগ প্রাপ্তির রাত।

    বৃহস্পতিবার রাতের আমল

    বৃহস্পতিবার রাতে দোয়া টি পড়লে সাথে সাথেই ফল পাবেন!!

    আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আশা করি আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানীতে আপনারা সবাই ভাল আছেন। দোয়া শব্দের অর্থ হলো,ডাকা, চাওয়া, ও কাউকে আহবান করা।

    আমরা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে দোয়া করি এর অর্থ হলো আল্লাহ আজ্জাওয়াজাল ওনার কিছু চাই বা কোনো বিপদ মুসিবত থেকে উদ্ধারের জন্য আল্লাহর নিকট আকুতি করি আরজি করি। দোয়া শুধু দোয়া নয় বরং দোয়া একটি ইবাদত। হাদীসেও এসেছে দোয়া একটি ইবাদত। অন্য একটি হাদীসে এসেছে, রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন দোয়া হচ্ছে ইবাদতের মগজ।সুবহানাল্লাহ্

    তাই সুপ্রিয় দর্শক মন্ডলি, সুখে-দুখে সর্বাবস্থায় আমরা আল্লাহর নিকট চাইবো এবং দোয়া করব। দোয়া কবুল হওয়ার কিছু সময় রয়েছে। যে সময়ে গুলোতে দোয়া বেশি কবুল হয়। কিন্তু তা সত্বেও সর্বাবস্থায় আল্লাহ রাব্বুল আলামীন দোয়া কবুল করেন। আল্লাহ সবার দোয়া শুনেন,সকল সময় শুনেন, সর্বাবস্থায় শুনেন । রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে যে, সবচেয়ে বেশি কোন সময় দোয়া কবুল করা হয়। উত্তরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন নামাজের পরবর্তী দোয়া এবং শেষ রাত্রির দোয়া সবচেয়ে বেশি কবুল হয় এবং শ্রেষ্ঠ দোয়া।আমরা নামাজের পরবর্তীতে এবং শেষ রাতে বেশি বেশি করে দোয়া করব ইনশাল্লাহ।

    এছাড়াও আমরা যখন সুযোগ পাই তখনই দোয়া করব। তাছাড়া,বৃহস্পতিবার রাত সম্পর্কে আপনাদের কিছু বলতে চাই, বৃহস্পতিবার রাতে দোয়া করলে দোয়া কবুল হয়। এমনিতেই হাদীস শরীফে এসেছে, মধ্যরাতে সবাই ঘুমালে, সব নিস্তব্ধ হয়ে যায়।।পৃথিবীতে সকল শব্দ কনিকা গুলো চুপ হয়ে যায়। সেই মুহুর্তে আল্লাহ শেষ আসমানে নেমে এসে উদাত্ত আহ্বান করে,হে আমার বান্দারা তোমাদের কার কি প্রয়োজন আমার কাছে চাও, আমি তোমাদের দোয়া কবুল করব। আর দর্শক এই রাত গুলোর মধ্যে বৃহস্পতিবার রাত হচ্ছে শ্রেষ্ঠ রাত্রি । কেননা বৃহস্পতিবার রাত্রি হচ্ছে জুমআ’র রাত্রি।দুইটি ঈদের রাত্রি সর্বশ্রেষ্ঠ হওয়ার পরে জুমার রাত্রি সর্বশ্রেষ্ঠ। কারণ বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যে আল্লাহ আকাশের দরজা খুলে দেন মানুষের আমলগুলো পৌঁছানোর জন্য। এবার আমি আপনাদের আহবান করব আমরা প্রত্যেকটি ভাই বৃহস্পতিবার রাতে দুহাত তুলে দোয়া করব। আল্লাহর কাছে আমাদের চাওয়া পাওয়া সব কিছু উপস্থাপন করব।নিঃসন্দেহে আল্লাহ সুবহানুতায়ালা সবার ডাক শুনেন, সকল কথা জানেন।

    সুপ্রিয় দর্শক, এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক। বৃহস্পতিবার রাত্রে কোন আমল গুলো করতে হবে, কোন দোয়া গুলো বেশি বেশি পড়তে হবে।সুপ্রিয় দর্শক, বৃহস্পতিবার রাত্রের নির্দিষ্ট কোন দোয়া বা আমল নেই। তাই  যে কোন দোয়া পড়তে পারেন এই গুরুত্বপূর্ণ ফজিলত ময় রাতে,যে কোন নেক আমল করতে পারেন।

    বিশেষ করে বৃহস্পতিবার শেষ রাত্রে ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে। পবিত্রতা অর্জন করে তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করে। কয়েকবার দূরুদ শরীফ ও ইস্তেগফার পড়ে। তিন বার সূরা ইখলাস, তিনবার সুরা ফাতিহা কয়েকবার দোয়া ইউনুস তথা-

    "লা ইলাহা ইল্লা আংতা, সুবহানাকা ইন্নি কুংতু মিনাজ জ্বালিমিন"।’ এই দোয়াটি পড়ে রাব্বুল আলামিনের কাছে হাত তুলে, মনের কথা গুলো আল্লাহর দরবারে পেশ করুন।চোখের পানি ছেড়ে কান্না কাটি করুন।মোনাজাত শেষে আবারো কয়েকবার দুরদ শরিফ ও ইস্তেগফার পড়ুন। সুপ্রিয় দর্শক, আশা করা যায়। যারা নিয়ম মেনে বৃহস্পতিবার রাত্রে এভাবে আল্লাহ তাআলার কাছে কিছু চাইবে। তারা অবশ্যই সঙ্গে সঙ্গে ফল পাবে ইনশাল্লাহ।

    শবে বরাতের রাতের আমল

    মহান আল্লাহ তাআলা আখেরি নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর উম্মতদের জন্য ইবাদতের বিশেষ কিছু সুবিধা প্রদান করেছেন। এর মধ্যে পাঁচটি রাত বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ইবাদতের এই বিশেষ পাঁচটি রাত হলো: শবে জুমা বা জুমার রাত, শবে ঈদাইন বা দুই ঈদের রাত্রিদ্বয়, শবে বরাত বা মুক্তির রাত তথা নিসফ শাবান বা শাবান মাসের মধ্য রাত, শবে কদর বা কদরের রাত অর্থাৎ মর্যাদাপূর্ণ রজনী।

    শবে বরাতের নফল নামাজ ও ইবাদত

    রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যখন শাবানের মধ্য দিবস আসবে, তখন তোমরা রাতে নফল ইবাদত করবে ও দিনে রোজা পালন করবে। (ইবনে মাজাহ)। ইবাদতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো নামাজ। সুতরাং নফল ইবাদতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো নফল নামাজ। প্রতিটি নফল ইবাদতের জন্য তাজা অজু বা নতুন অজু করা মোস্তাহাব। রাতের নিয়মিত নফল ইবাদতের মধ্যে রয়েছে; বাদ মাগরিব ছয় থেকে বিশ রাকাত আউওয়াবিন নামাজ। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত: যে মানুষ মাগরিবের নামাজের পর ৬রাকাত নামাজ আদায় করবে, এসবের মাঝে কোনো মন্দ কথা না বলে, তার এই নামাজ ১২ বছরের ইবাদতের সমতুল্য গণ্য হবে। হজরত আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণিত: যে ব্যক্তি মাগরিবের পর বিশ রাকাত নামাজ আদায় করবে, আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাতে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করবেন। (তিরমিজি, মিশকাত, ফয়জুল কালাম, হাদিস: ৪৪৯-৪৫০)। রাতের শ্রেষ্ঠতম ইবাদত হলো তাহাজ্জুদ নামাজ। (আল কোরআনুল করিম, পারা: ১৫, সুরা-১৭ ইসরা-বনি ইসরাইল, আয়াত: ৭৯)। এ ছাড়া সালাতুস তাসবিহ এবং অন্যান্য নফল নামাজ আদায় করা যায়। রজব শাবান মাসের রাতের নফল নামাজ তারাবিহ নামাজ বা কিয়ামুল লাইলের প্রস্তুতি।

    মধ্য শাবানের নফল রোজা

    রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যখন শাবানের মধ্য দিবস আসে, তখন তোমরা রাতে নফল ইবাদত কর ও দিনে রোজা পালন কর। (সুনানে ইবনে মাজাহ)। এ ছাড়া প্রতি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ আইয়ামে বিজের নফল রোজা তো রয়েছেই, যা আদি পিতা হজরত আদম (আ.) পালন করেছিলেন এবং আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদও (সা.) পালন করতেন, যা মূলত সুন্নত। সুতরাং তিনটি রোজা রাখলেও শবে বরাতের রোজা এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। তা ছাড়া, মাসের প্রথম তারিখ, মধ্য তারিখ ও শেষ তারিখ নফল রোজা গুরুত্বপূর্ণ; শবে কদরের রোজা এর আওতায়ও পড়ে। সওমে দাউদি বা হজরত দাউদ (আ.)-এর পদ্ধতিতে এক দিন পর এক দিন রোজা পালন করলেও সর্বোপরি প্রতিটি বিজোড় তারিখ রোজা হয়; এবং শবে কদরের রোজার শামিল হয়ে যায়। সর্বোপরি রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজান মাসের পর রজব ও শাবানমাসে বেশি নফল ইবাদত তথা নফল নামাজ এবং নফল রোজা রাখা; শাবানমাসে কখনো দশটি নফল রোজা, কখনো বিশটি নফল রোজা, কখনো আরও বেশি রাখতেন। রজব ও শাবান মাসের নফল রোজা রমজান মাসের রোজার প্রস্তুতি।

    একটি রোজার মাসআলা

    আদাবুয যিফাফ pdf

    হাদিস শরিফে রয়েছে,রাসুলুল্লাহ (সা.) মদিনা শরিফে হিজরতের পরে দেখতে পেলেন যে,আশুরার একটি রোজা পালন করেন মদিনার ইহুদিরাও ।তখন তিনি সাহাবিদের বললেন, আগামী বছর থেকে আমরা আশুরার আগে বা পরে আরও একটি রোজা রাখব,ইনশা আল্লাহ! যাতে তাদের সঙ্গে মিল না হয়। তাই আশুরার রোজা অর্থাৎ মহররম মাসের দশম তারিখের রোজার সঙ্গে তার আগে বা পরে আরও একটি রোজা রাখা মোস্তাহাব। শবে বরাতসহ বছরের অন্য নফল রোজাগুলো একটি রাখতে বাধা নেই; বরং এক দিন পর এক দিন রোজা রাখা হজরত দাউদ (আ.)-এর সুন্নত বা তরিকা; যা নফল রোজার ক্ষেত্রে উত্তম বলে বিবেচিত এবং সওমে দাউদি নামে পরিচিত। অনুরূপভাবে শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজাও আলাদা আলাদা বা একত্রেও রাখা যায়।

    tags: কদরের রাতের দোয়া, ঈদের রাতের আমল, বৃহস্পতিবার রাতের আমল, ঈদের রাতের ফযীলত, কদরের রাতের ফজিলত, আদাবুয যিফাফ pdf, শবে বরাতের রাতের আমল, রাতের আঁধারে যারা সেজদাতে রয়


    Next Post Previous Post
    No Comment
    Add Comment
    comment url